অন্ধকারের গান --- রাখাল হাকিম - অধ্যায় ১২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-54659-post-5204950.html#pid5204950

Posted on Fri Apr 14 2023 by ddey333 (Profile)

Tags: None
302 words / 1 min read

Parent
আমার জীবনে অনেক মেয়েকেই কাছে পেয়েছি। অথচ, এমন আমার মুখের উপর খৈ ফুটা গলায় কথা বলার সাহস কোন মেয়েই পায়নি। মেয়েটির রাগ করার মাঝে কেমন যেনো এক প্রকার ভালোবাসাই লুকিয়ে আছে বলে মনে হলো। আমি ভদকার বোতলটা মেঝেতে ছুড়ে ফেলে অসহায় গলায় বললাম, ঠিক আছে টানবো না। তোমার মা অনেক পূণ্য করেছিলো বলেই, এমন সাহসী করে তোমাকে গড়ে তুলতে পেরেছে। জানো, আমি কতটা অসহায়? আমার সব আছে, বাড়ী গাড়ী, ব্যাবসা। এত কিছু থেকেও, আমার শুধু একটি জিনিষই নেই। তা হলো এক টুকরো ভালোবাসা। তুমি আমাকে এক টুকরো ভালোবাসা দেবে? আমার শুধু এক টুকরো ভালোবাসা চাই। শুধু এক টুকরো। মিনা আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো। বললো, ছি! আপনি আসলেই একটা পশু। মিনার কথায় আমার মাথায় আগুন ধরে গেলো। বললাম, দিলে তো সব মাটি করে। আমার মদও গেলো, ভালোবাসাও গেলো। আমি পশু, তাই না? ঠিক আছে, আমার মদ তুমি ফিরিয়ে দাও। ফিরিয়ে দাও। মিনা বললো, এই ভর দুপুরে চিৎকার করবেন না। আমি ছোট্ট খুকী নই যে, ভয় পেয়ে পালিয়ে যাবো। খাবার রেডী করছি। হাত মুখটা ধুয়ে সুবোদের মতো অপেক্ষা করুন। আমি নেশার ঘোরেই বললাম, খুকী? তুমি আমার ছোট্ট খুকী হতে যাবে কেনো? বিয়েই তো করেছি ছোট্ট একটা খুকীকে। ও আমাকে কিছু দিতে পারেনি। তাই মদ খেয়ে সব ভুলতে চেয়েছিলাম। তুমি তো আমার মদটাও শেষ করে দিলে। মিনা রাগে থম থম করছিলো। অন্যত্র তাঁকিয়েই বললো, আপনি খুকীকেই বিয়ে করেন আর বুড়ীকেই বিয়ে করেন, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমি আপনার কাছ থেকে দু হাজার টাকা নিয়েছি। কলেজের বেতন সহ, মায়ের ঔষধ পথ্যের ব্যাবস্থা করেছি। তার বিনিময়ে অন্ততঃ এই মাসটা আপনার বাড়ীর কাজ করা উচিৎ ছিলো। কিন্তু আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে, দু হাজার টাকাও আমার নেয়া উচিৎ হয়নি। কিন্তু এখন উপায় নেই। কলেজের বেতন, বাড়ী ভাড়ায় অনেক খরচ করে ফেলেছি। হাতে শুধু মায়ের দু বেলা খাবার খরচটা ছাড়া বেশী কিছু নেই। মাস শেষ হলে আমি নুতন কাজ খোঁজে নেবো। আপনার মদ আমি ফিরিয়ে দেবো।
Parent