বহ্নিশিখা by BOURSES_BRAQUE - অধ্যায় ৫৬

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-39386-post-3847939.html#pid3847939

Posted on Tue Oct 19 2021 by ddey333 (Profile)

352 words / 2 min read

Parent
ট্রেসির অন্ধকারকে বরাবরই বড় ভয়। বাঙ্কের ধার ঘেসে শিরদাঁড়া টানটান করে চুপ করে বসে রইলো সে। কেন জানিনা, তার খালি মনে হচ্ছে যে কোন মুহুর্তে ঘরের মধ্যের বাসিন্দাদের যে কেউ অথবা সবাই এক সাথে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। নাকি এ তার ভ্রম মাত্র! হতে পারে সারা দিনের টেনশনে এই সব উল্টোপাল্টা ভাবছে সে। হয়তো এসব কিছুই হবে না। ও-ওরা কি আমাকে ভয় দেখাচ্ছে? না, না। তা করে হয়। ওরা তো আমার সাথে বন্ধুর মতই ব্যবহার করছে। আর ও কিনা ওদের এই ধরনের ব্যবহার দেখে শুধু শুধু খারাপ ভাবছে ওদের সম্বন্ধে। হ্যা, এটা ঠিক যে জেলের মধ্যে সহকামীতা সম্বন্ধে অনেক গল্পই সে শুনেছে, কিন্তু সেটা যে সব সময়, সব জায়গায় হবে, তার কোন মানে নেই। জেল নিশ্চয় এই ধরনের নোংরামো প্রশ্রয় দেবে না। তাও... তবুও তার মধ্যে থেকে একটা ভীতি যেন কিছুতেই যাচ্ছে না। সে ঠিক করল সে ঘুমাবে না। সারাটা রাত জেগেই কাটাবে। আর যদি কেউ কিছু করার চেষ্টা করে, সাথে সাথে সে চিৎকার করে সাহায্য চাইবে। কারন এটা তো গার্ডেদেরই দ্বায়ীত্ব কয়েদিদের কিছু হলে সেটা সামলানোর। সে নিজেকে বারংবার প্রবোধ দিতে থাকল নিশ্চিন্ত থাকার। শুধু তাকে একটু, একটু সতর্ক থাকতে হবে, ব্যস। অন্ধকারের মধ্যে ট্রেসি চুপচাপ নিজের বাঙ্কের ধার ঘেসে বসে রইল। ঘরের প্রতিটা শব্দ মন দিয়ে শুনতে লাগল সে। একে একে ঘরের বাসিন্দাদের প্রত্যেকে উঠে টয়লেটে গেল, ব্যবহার করে আবার নিজেদের নির্দিষ্ট বাঙ্কে ফিরে এল। তাকেও এবার টয়লেটটা ব্যবহার করতে হবে। আর পারা যাচ্ছে না। সন্তর্পনে উঠে আন্দাজে টয়লেটের কাছে এগিয়ে গেল। টয়লেট ব্যবহার করে ফ্ল্যাশ টানতে গিয়ে দেখে সেটা কাজ করছে না। ওই জায়গাটার দুর্গন্ধে টেঁকা দায়। তড়িঘড়ি ফিরে এল সে নিজের জায়গায়। কাল সকালে ওয়ার্ডেনকে বলতে হবে ফ্ল্যাশের ব্যাপারটা। আর শুধু তাই নয়, নিজের পেটের বাচ্ছাটার ব্যাপারটাও জানাতে হবে ওয়ার্ডেনকে। তিনি শুনলে নিশ্চয় একটা অন্য সেলে ব্যবস্থা করে দেবেন। ট্রেসির সারা শরীরটা আরষ্ট হয়ে রয়েছে যেন। নিজের বিছানায় খানিক শুতেই তার যেন মনে হল কিছু গলার ওপর দিয়ে বেয়ে চলেছে। অনেক কষ্টে গলা দিয়ে উঠে আসা চিৎকারটাকে গিলে নিল। না। তাকে অন্তত সকাল অবধি এভাবেই সহ্য করতে হবে। মনে মনে সে ভাবল, সকাল হলে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। ঠিক। তিনটে বাজতে সে আর চোখের পাতা খুলে রাখতে পারল না। গভীর ঘুমের মধ্যে ঢলে পড়ল ধীরে ধীরে। ******
Parent