ভ্রমর খাবে মধু [সংগৃহীত] - অধ্যায় ৪

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-36502-post-3185625.html#pid3185625

Posted on Sat Apr 17 2021 by ray.rowdy (Profile)

Tags: None
633 words / 3 min read

Parent
সাবিত্রী হচ্ছে সরিতাদেবীর বিবাহের সময় পিত্রালয় থেকে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত পরিচারিকা আবার সহচরীও, সে সরিতাদেবীর সেবায় সর্বদা নিযুক্ত থাকে। সরিতাদেবীর ঘুম থেকে উঠার পর শয্যা তোলা থেকে রাতে শয্যা তৈরি করা পর্যন্ত উনার যত ফরমাইস সব পূরণ করাই তাঁর কাজ। এছাড়া অন্যান্য পরিচারিকারা আছে যাদের কাজ ঘরদোর সাফ করা, রান্না-বান্না করা, কাপড় ধোঁয়া, ও বাগান করা ইত্যাদি ইত্যাদি।   যাই হোক সাবিত্রী যেমন সরিতাদেবীর ব্যাক্তিগত পরিচারিকা তেমনি সারদা হচ্ছে আরতিদেবীর ব্যাক্তিগত পরিচারিকা, তাঁদের আরেকটা মুখ্য কর্ম হচ্ছে সাজসজ্জা ও কেশ বিন্যাসে সাহায্য করা।   সাবিত্রী ও সারদা দুজনেই পরিচারিকাদের মধ্যে সর্ব উচ্চ। তাঁদের আদেশেই বাকী পরিচারিকারা কাজ করে। দুর্ভাগ্যক্রমে দুজনেই বাল্যবিধবা ও নিঃসন্তান, তখনকার সামাজিক নানা বাধানিষেধ এবং নানাবিধ প্রতিকুলতার পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের দিন কাটাতে কষ্টকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে পরিচারিকার কাজ করার পথ বেছে নেয়। সাবিত্রীর বয়েস এখন ত্রিশের আশপাশ আর সারদার প্রায় বাইশ হবে, কিন্তু ভালো খাওয়াপরা আর শারীরিক পরিশ্রমের ফলে শরীরের বাঁধুনিতে বয়েস আরো কম মনে হয়।   শরীর ঢাকতে এদের পোশাক হচ্ছে কেবলমাত্র একটা সাদা শাড়ী কারণ তখনকার দিনে বিধবাদের কোনো রঙ্গিন বাসেলাই করা কাপড় পড়া নিষিদ্ধ ছিলো। এতে অবশ্য তাঁদের কোনোও অসুবিধা হতো না কারণ অন্দরমহলে ব্রজবাবু ব্যতীত অন্য কোনোও পুরুষের প্রবেশাধিকার ছিলো না। আর ব্রজবাবু অতিশয় ভদ্র ব্যক্তি।   সাবিত্রী আর সারদা দুজনেই খুব বিশ্বাসী ও অত্যন্ত বাধ্য।     ব্রজবাবু অতিথিশালা থেকে লর্ড ও মেহমুদকে নিজের শয়নকক্ষে নিয়ে এলেন আর বললেন - আজ ও কাল আপনারা আমার ঘরে শোবেন। পরশুদিন আমি আসবো। মেহমুদভাই আপনাদের যা দরকার সরিতাকে বলবেন।   বলেই সরিতাদেবীকে ডাক দিলেন - শুনছো? এদিকে একবার আসো তো।   সরিতাদেবী লজ্জায় ঘোমটা টেনে পাশে এসে দাঁড়ালেন।   ব্রজবাবু সরিতাদেবীকে উদ্দেশ্য করে বললেন - লর্ড সাহেব আমার পরম অতিথি উনি যা চাইবেন যেন পেয়ে যান। আর মেহমুদভাই খুব ভালো মানুষ উনিও আমার পরম অতিথি, সাবিত্রীকে দিয়ে বৈঠকখানায় উনার জন্যে ভালো করে একটা শয্যা লাগাতে বলবে।   এইবার লর্ডের উদ্দেশ্যে বললেন - এইবার আমি আসি লর্ড সাহেব, দেরী হয়ে যাচ্ছে।   লর্ড অনুমানে যা বুঝলেন তাই, হাত নেড়ে বললেন - গুড বাই (বিদায়)।   ব্রজবাবু বেড়িয়ে গেলেন ঘর থেকে। সরিতাদেবী, মেহমুদ ও লর্ড সাহেব দালানের বাহির পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন। একটা ঘোড়ায় টানা টাঙা গাড়ীতে আরতিদেবী বসেছিলেন যেটাতে ব্রজবাবু চড়লেন। অপরটিতে মালপত্র আর সিপাহীদের নিয়ে নায়েবমশাই আগেই বসেছিলেন। অগত্যা যাত্রা শুরু হলো।   পুরো জমিদার বাড়ীর দালানে এখন শুধুমাত্র পাঁচটি প্রাণী রয়ে গেল। সরিতাদেবী, সাবিত্রী, সারদা আর লর্ড ও মেহমুদ।   বাদবাকি চাকর ও পরিচারিকাদের দালানের বাইরে নির্দিষ্ট আলাদা আলাদা ঘর আছে। যেগুলো দালান থেকে বেশ দূরে। সরিতাদেবীর নির্দেশে সাবিত্রী লর্ড ও মেহমুদের রাত্রের খাবার নিয়ে ব্রজবাবুর শয়নকক্ষে গেলো। তাঁর পোষাক সেই পাতলা সূতীর সাদা শাড়ী, যা দেখে মেহমুদের অশ্বলিঙ্গ উত্থিত হতে শুরু করলো। লর্ড এইসব দেখতে পাচ্ছেন না, উনি তো তখন সরিতাদেবীর চিন্তায় মশগুল। মেহমুদ একদৃষ্টে সাবিত্রীর বুকের নড়ন চড়ন দেখছেন। আর সাবিত্রী যখন ঘুরে কিছু একটা তুলছিলো তাঁর পাছার খাঁজে শাড়ী আটকে যায়, মেহমুদ তো পারলে ছুটে গিয়ে চেপে ধরেন আর কি। মেহমুদের পেটের খিদে কমে কিন্তু তলপেটের খিদে বাড়তে থাকে। কোনোওরকমে খাওয়ার পর্ব শেষ হয়। সব বাসনপত্র নিয়ে সাবিত্রী পাছা দুলিয়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায় পেছনে রেখে যায় মেহমুদের অতৃপ্ত দুটি চোখ। অল্প কিছুক্ষণ পরে সরিতাদেবী উপস্থিত হয়ে অতিথিদের উদ্দেশ্য প্রশ্ন করলেন - পেট পুরে খেয়েছেন তো?   লর্ড বুঝতে না পারলে মেহমুদ বোঝান ইংলিশে।   লর্ড ইংলিশে বললেন - হ্যাঁ, আপনি এতো স্বাদ করে রাঁধলেন তাই একটু বেশীই খেয়েছি।   মেহমুদ সেটা বাংলায় সরিতাদেবীকে বুঝাতে গেলে সরিতাদেবী বললেন - মেহমুদভাই আমি বুঝতে পেরেছি। আমি স্কুলে ইংলিশ পড়েছি। সব বলতে পারি না ইংলিশে, কিছু কিছু পারি কিন্তু সব বুঝতে পারি।   মেহমুদ হাঁ হয়ে রইলেন।   এমনসময় সাবিত্রী এসে সরিতাদেবীকে কিছু বলার আগেই সরিতাদেবী তাঁকে বললেন - সাবি (সাবিত্রীকে এই নামে শুধু সরিতাদেবীই ডাকেন) মেহমুদভাইয়ের শয্যা বৈঠকখানায় করে দাও ভালো মতো।   সরিতাদেবীর আদেশমাত্র সাবিত্রী নিজের কথা আর না বলেই বৈঠকখানা অভিমুখে রওয়ানা হল।   মেহমুদ আর 'কাবাব ম্যা হাড্ডি' না হয়ে তাঁর 'মনপসন্দ চীজের' দিকে ধাবিত হলেন।   এইদিকে লর্ড আস্তে আস্তে উঠে দরজা বন্ধ করে ফিরে দেখলেন, সেই অপ্সরা তাঁর শয্যায় মুখ নীচু করে বসে আছেন।   তাঁর পাশে গিয়ে বসলেন, হাল্কা করে চিবুক ধরে মুখখানি তুললেন, দেখলেন অপরূপ সেই চক্ষুদুটি মুদে আছে, কাঁপছে যেন অল্প অল্প। [ক্রমশঃ]
Parent