বন্ধু (As collected from Net) - অধ্যায় ১২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-11115-post-628441.html#pid628441

Posted on Tue Jul 09 2019 by dweepto (Profile)

Tags: None
372 words / 2 min read

Parent
#14 আস্তে আস্তে ছুটি শেষ হয়ে গেল। ক্লাস শুরু হল সেকেন্ড ইয়ারের। প্রথম দিকে ক্লাসের গতি কম থাকে। স্যার ম্যাডামরাও অত তাড়া দেন না। বাড়ি থেকেও ক্লাসের সবাই ফেরত আসে নি। তাই ক্লাস আর পড়াশুনা যতটা হয় তার থেকে বেশি হয় গল্প। মিলি আর সাদিয়া চলে এসেছে। সুনিতিও এখন নিয়মিত। তাই আড্ডা টা আবার বেশ জমজমাট। তবে অন্যদের চোখে পরল কিনা জানিনা তবে আমার মনে হল মিলির ভিতর কোথাও কোন একটা পরিবর্তন হয়েছে। আগের সেই শাইনেস টা অনেকটাই নাই। কথার উত্তরে বেশ পালটা কথা বলছে। আগে জামা কাপড়ে একটা মফস্বল মফস্বল ভাব ছিল। ওর কালার কম্বিনেশন দেখলেই ফারিয়া আর সুনিতি বলত তুই খালি বুড়াদের কালার পরিস কেন। আজকাল মিলি দেখি বেশ কালারফুল জামা পড়ছে। সবমিলিয়ে সুক্ষ কিন্তু একটা বেশ ভাল পরিবর্তন এসেছে মিলির। এর মধ্যে ফারিয়া, জুলিয়েট আর আমার মাঝে একটা ইন্টিমেসি গড়ে উঠল। আমরা নিজেদের মাঝে এমন জিনিস শেয়ার করা শুরু করলাম যা হয়ত অন্যদের সাথে করতাম না। আসলে ঐদিন সন্ধ্যার পর থেকে আমাদের নিজেদের মধ্য ট্রাস্ট আর শক্ত হয়েছে। সুনিতি একটু আজকাল গম্ভীর থাকে। আসলে বাসার চাপ সামলে বেচারা বেশির ভাগ সময় হাপিয়ে উঠে। সাদিয়ার পরিবর্তন টাও বেশ দৃশ্যমান। আগে যেখানে শালা শব্দটাই বললে চোখ পাকাত আজকাল সেখানে এর থেকেও ডেঞ্জারাস শব্দে কিছুই হয় নি বা শুনে নি এমন ভাব নিয়ে বসে থাকে। সুনিতি একদিন হাসতে হাসতেই বলল কিরে সাদিয়া হুজুর থেকে তো ডিস্কো হুজুর হয়ে যাচ্ছিস। আর আমার কথা? সাদিয়া তো অইদিন বলেই দিল খুব তো মেয়েদের সাথে কথা বলা শিখছিস। আগে তো আমাদের সাথে গল্পে সারাদিন মেপেমেপে কথা বলতি। আসলে গত এক বছরে সবার মাঝেই অল্প বিস্তর পরিবর্তন এসেছে।  সেকেন্ড ইয়ারে তিনটার পর ক্লাস নেই। মিলির বিকেলে টিউশনি আছে বলে বিকেলে অকে আর পাওয়া যায় না খুব একটা। সুনিতি আর ফারিয়া বাসায় চলে যায়। সাদিয়ার হলে সিট হয়েছে আর দু্পুর বেলা তার ভাত ঘুম দিতে হলে যাওয়া চাই। তাই বেশির ভাগ সময় থাকি শুধু আমি আর জুলিয়েট। মাঝে জোর করে সাদিয়া কে ধরে রাখে জুলিয়েট। মাঝে মাঝে আর পারে না। তখন সাদিয়া কে বলে যা যা নিরামিষ। হলে গিয়ে ঘুম দে। সাদিয়া উত্তর দেয় আসছে আমার আমিষ। বাসের টাইম হলে তো তুইও ভাগিস। বাসা কাছে হলে দেখতাম কত থাকিস। সন্ধ্যার পর মাঝে মাঝে টিউশনি শেষে হলে যাওয়ার সময় মিলি লাইব্রেরির সামনে আড্ডা দিয়ে যায়। সাদিয়া সন্ধ্যার দিকে বের হয় কালে ভদ্রে। এইভাবেই আমাদের সেকেন্ড ইয়ারের আড্ডার দিনলিপি চলছিল। 
Parent