বন্ধুর বোনকে নিয়ে তুলকালাম --- মনিরুল - অধ্যায় ২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-51698-post-5056123.html#pid5056123

Posted on Sat Dec 10 2022 by ddey333 (Profile)

532 words / 2 min read

Parent
এখন রাকিবের আয়ে ওদের সংসার চলে। স্বামীর মৃত্যুর শোক অনেক আগেই সামলে নিয়েছে রেবেকা। রেবেকা খুবই বুদ্ধিমতী মেয়ে। নিজে নিজেই ভেবে স্থির করেছে, যতই সুন্দরী হোক, বিধবা আর বেকার রেবেকাকে ভাল কোন ছেলে বিয়ে করতে চাইবে না। তার উপরে সেই স্বামী ওর মেয়ের দায়িত্বও নিতে চাইবে না। কিন্তু ও যদি এসএসসি পাশ করে নার্সিং ট্রেনিংটা করে নার্সের চাকরীটা পেয়ে যায়, তখন অনেক ভালো ভালো ছেলেই ওকে ওর মেয়েকে মেয়ের মর্যাদা দিয়ে বিয়ে করার জন্য এগিয়ে আসবে। আমি বললাম, “রেবেকা ঠিকই ভেবেছে”। “কিন্তু তুই ছাড়া তো এতো কম সময়ের মধ্যে ওকে পরীক্ষার জন্য তৈরী করা আর কারো পক্ষে সম্ভব হবে না”, “বন্ধু, তুই ওর দায়িত্বটা নে, বেতন যা লাগে আমি দিব, তুই চিন্তা করিস না”- রাকিব আমাকে বলল আমার হাত দুটো ধরে ।   আমি একটু চমকালাম, রাকিব আমার কাছে এসেছে বন্ধুত্বের দাবী নিয়ে তাহলে একথা বললো কেন? ওকে একটু শিক্ষা দেয়া দরকার। আমি উঠে রাগত স্বরে বললাম, “এই শালা, বেড়ো”। তাকিয়ে ঢোক গিললো একটা। আমি বললাম, “কি হলো, ওঠ, শালা ওঠ আর এক্ষুনি বেড়িয়ে যা এখান থেকে। শালা টাকার গরম দেখাস না? এসেছিস বন্ধুর কাছে, আবার টাকার গরম দেখাস? আবে শালা তোর বোন কি আমার কেউ নয়?” এতক্ষণে ওর ভুলটা বুঝতে পারলো রাকিব। উঠে এসে দুই হাতে আমার হাত ধরে বললো, “বন্ধু, রাগ করিস না, প্লিজ মাফ করে দে, আমার ভুল হয়ে গেছে”। আমি হেসে ফেললাম, বললাম, “বয়, ভিতরে গিয়ে ওকে নাশতা দিতে বললাম”। নাশতা খেতে খেতে আমরা আরো কিছু গল্প করলাম। যাওয়ার আগে রাকিব বললো, “রেবেকার পুরো দায়িত্ব আমি তোকে দিয়ে গেলাম, আমি তো ঢাকায় থাকি, ২/৩ মাস পরপর আসি। তুই যা বলবি ও সেটাই করবে, আমি বাসায় সেভাবেই বলে যাবো”। ৫ বছর আগে রেবেকা যখন ক্লাস নাইনে পড়তো, আমি ওকে একবার করে দেখার জন্য প্রতিদিন ওদের বাসায় যেতাম। কারন রেবেকা দেখতে পরীর মত সুন্দর, স্লিম ফিগার, ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, টিকলো নাক, ধারালো চিবুক, মুক্তোর দানার মতো দাঁত, আর হাসিটা যেন সবসময় চোখে লেগে থাকতো। আমি মনে মনে ভালবাসতাম রেবেকাকে। ইচ্ছে ছিল, বড় হয়ে আমার অভিভাবকের মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবো। কিন্তু এরই মধ্যে আমরা শহরে চলে এলাম আর রেবেকার সাথে সব যোগাযোগ বিচ্ছন্ন হয়ে গেল, আমার স্বপ্নও ভেঙে গেল। এতদিন পর আবার রেবেকাকে দেখার লোভে আমি পরদিনই ওদের বাসায় গিয়ে হাজির হলাম। গিয়ে যা দেখলাম, নিজেকে সামলানো কঠিন হয়ে গেল। রেবেকা অনেক বড় হয়ে গেছে, স্বাস্থ্যও ভাল হয়েছে, ভরাট হয়েছে, যৌবন যেন টলমল করছে ওর সারা শরীরে। মনে হচ্ছিল একটা টসটসে পাকা আম, রসে টইটুম্বুর। বাচ্চা হওয়ার ফলে ওর স্তনগুলোও বেশ বড় হয়েছে, আইডিয়া করলাম, ওর ফিগার ৩৪-২৪-৩৮ হবে। গায়ের রং আরো ফর্সা আর দেখতে আগের চেয়ে আরো অনেক সুন্দর হয়েছে। মনে মনে ভাবলাম, এখন চাইলে ওকে সহজেই বিয়ে করা যায়, কিন্তু আমার মা কিছুতেই একটা বিধবাকে বিয়ে করায় মত দিবেন না, সে যতো সুন্দরীই হোক না কেন। তাছাড়া কি একটা বিষয় নিয়ে রাকিবের মা আর আমার মায়ের মদ্যে একটা দ্বন্দ্ব আছে, কেউ কাউকে সহ্য করতে পারে না। সেজন্যে আমি মা’কে জানাইনি যে আমি রেবেকাকে পড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছি। যাই হোক আমি সেদিন থেকেই রেবেকাকে পড়ানো শুরু করলাম। রাকিব আরো ২ দিন থাকলো, তারপর ছুটি ফুরিয়ে যাওয়াতে ও ঢাকা চলে গেল। আমি ওকে নিয়মিত পড়াতে লাগলাম কিন্তু আশানুরূপ সাফল্য পাচ্ছিলাম না। তবুও আমি আমার সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা করে যেতে লাগলাম। কিছু দিনের মধ্যেই রেবেকার সাথে আমার দূরত্ব অনেক কমে গেল। রেবেকা পড়ার চাইতে বেশির ভাগ সময় আমার সাথে গল্প করেই কাটাতে লাগলো।
Parent