বন্ধুর বউ – মধুর প্রতিশোধ by Mondochhele - অধ্যায় ১০

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-38721-post-3432684.html#pid3432684

Posted on Sun Jun 27 2021 by ddey333 (Profile)

Tags: None
360 words / 2 min read

Parent
পরেরদিন ঘুম ভাংলো বেশ দেরীতে। উঠে ফ্রেশ হয়ে দেখি বাসায় কেউ নেই। নাজমা (বাসার কাজের মেয়ে) কে জিজ্ঞেস করে জানলাম যে আব্বু আর আম্মু হঠাত কী একটা কাজে বাড়ি গিয়েছে। আমি একটু অবাক হলাম। কী আমন জরুরী কাজ যে আমাকে না জানিয়ে দুজনকেই বাড়ি যেতে হলো! আমি আব্বুক ফোন দিলাম। - হ্যা আব্বু, কি ব্যাপার? হঠাত বাড়ি যাচ্ছো যে? (আমি হালকা দুশ্চিন্তা করতে লাগলাম) - আর বলিস না। তোর দাদু খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অবস্থা নাকী খারাপ। ঢাকা নিয়ে যেতে হতে পারে। তুই ঘুমোচ্ছিলি, তাই আর ডাকলাম না। চিন্তা করিস না। আমরা আজকে না পারলেও কাল এসে পড়বো। - আচ্ছা। সাবধানে যেও। আর বাড়ী পৌছে আমাকে একটা ফোন দিও। আমি ফোন রেখে নাস্তা করতে বসলাম। নাজমা আমাকে একটা ডিম ভেজে দিলো। নাজমা আমাকে পানি দেয়ার জন্য যেইনা জগ জগ ধরতে গেলো, ওমনি ওর হাতের পাশ দিয়ে আমার দৃষ্টি ওর বুকে নিবদ্ধ হলো। আমার মাথায় চিলিক মেরে উঠলো। যাহ শালা! ঘরের মধ্যে মাল রেখে আমি এতদিন শুকনো থেকেছি! আসলে আমাদের বাসায় দীর্ঘদিন কাজ করেছিলো কবিরের মা। উনি অনেক বয়ষ্ক হয়ে পড়ায় আর কাজ করবেন না বলে জানিয়েছেন। তারপর নাজমাকে আমাদের বাসায় ঠিক করে দিয়ে উনি বাড়ি চলে গিয়েছেন মাসখানেক হলো। নাজমা নাকী উনার কি এক পদের ভাগ্নী লাগে। আমি ৯টা – ৫টা চাকরী করে, আড্ডা মেরে আর ছুটির দিনে ঘুমিয়ে কাটাই বলে নাজমার সাথে দেখা হয় খুব কম সময়ই। আর এভাবে কখনো লক্ষ্য করা হয়নি। মেয়েটার সাস্থ্য আসলেও ভালো। এমন হতে পারে আগে ভালো ছিলোনা। আমাদের বাসায় দুটো ভালোমন্দ খেয়ে এখন সাস্থ্য ভালো হয়েছে। আমি আড়চোখে নাজমার শরীরটাকে মাপতে লাগলাম। চৌদ্দ-পনেরো বছর হবে বুঝি বয়স। গায়ের রঙ অবধারিত ভাবেই শ্যামলা। মাঝারি খয়েরি রঙের চুল। একটা হলুদ পাজামার সাথে নীল জামা পড়ে আছে। সাথে হলুদ ওড়না। ছোট ছোট বুক; টেনিস বলের মত। জামাটা আটকে আছে গায়ে বেশ ভালো ভাবেই। পাছাটা ঠিক মত দেখতে পাচ্ছিনা। নাজমা আমাকে পানি দিয়ে চলে গেলো। আর আমি বসে বসে ভাবতে লাগলাম – খাওয়াটা কি ঠিক হবে! এই খাওয়া আসলে পানি বা ডিম এর কথা ব্যাপারে না – নাজমার ব্যাপারে। একবার মনে হলো – খাবোনা মানে! নাজমা রাজী থাকলে খাবো নাই বা কেনো! আবার মনে হলো – বয়স মোটে পনেরোর মতন। যদি জিনিস না যায়- রক্তারক্তি হয়ে যায়! আমি কিসব উলটা পালটা চিন্তা করতে করতে খাওয়া শেষ করলাম।
Parent