লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু by codenamelove69 - অধ্যায় ১

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-38927-post-3461802.html#pid3461802

Posted on Mon Jul 05 2021 by ddey333 (Profile)

359 words / 2 min read

Parent
লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু আমার নাম সিদ্ধার্থ। আমি এক অতি সাধারণ মানুষ। একটা সরকারী দপ্তরে সামান্য কেরানীর কাজ করি। তবে রোজগার সামান্য হলেও, আমি অসম্ভব উচ্চাভিলাষী। প্রতিদিন রাতে স্বপ্ন দেখি আমার একদিন বিশাল বড় একটা বাড়ি হবে, বিরাট একটা গাড়ি হবে, সমাজে বেশ একটা নামডাক হবে। আচমকা এক রবিবারের সকালে স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার একটা সুযোগ এসে গেল। খবরের কাগজ খুলে দেখলাম সেখানে টিভি সিরিয়াল তৈরি করে এক বিখ্যাত প্রোডাক্সন কোম্পানি বিজ্ঞাপন দিয়েছে যে তারা একটা নতুন সিরিয়াল বানাতে চলেছে আর সেটিকে বেশি করে বাস্তববাদী করার উপলক্ষ্যে তারা নায়িকা হিসাবে সাধারণ ঘরের এক সুন্দরী গৃহবধূ চেয়েছে। কি মনে হওয়াতে আমি বিজ্ঞাপনে দেওয়া মোবাইল নম্বরে কল করে বসলাম। ওপাশ থেকে কেউ ভাঙ্গা গলায় উত্তর দিল। “হ্যালো! আমার নাম সিদ্ধার্থ। আমি কি বিষ্ণু প্রোডাক্সনের জগদীশবাবুর সাথে কথা বলতে পারি?” দ্বিধাগ্রস্ত কণ্ঠে প্রশ্ন করলাম। “হ্যাঁ, আমিই জগদীশ বলছি। কি ব্যাপার বলুন?” “আমি কাগজে আপনাদের বিজ্ঞাপনটা দেখলাম। যদি দয়া করে একটু বিশদভাবে বলেন, তাহলে খুব ভালো হয়।” “দেখুন সিদ্ধার্থবাবু, আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে আমরা পারিবারিক সিরিয়াল বানাই। আমাদের পরিচালক মশাই এবারে একটা অভিনব চিন্তা করেছেন যে চেনাপরিচিত গতেবাঁধা একই অভিনেত্রীদের দিয়ে বারবার অভিনয় না করিয়ে নতুন সিরিয়ালটায় একেবারে বাস্তব জীবনের গৃহবধূদের সুযোগ দেবেন।” “হ্যাঁ, কাগজে সেই কথাই পড়েছি। আমি কি শুটিঙের সময়কাল আর পারিশ্রমিকের ব্যাপারটা জানতে পারি?” পারিশ্রমিকের কথাটা জিজ্ঞাসা করার সময় আমার গলাটা শুকিয়ে এলো। “ওহ! আমরা শুধু দিনেই শুট করবো। রাতে শুটিং করতে হলে অতিরিক্ত লাইটিং লাগে। যার ফলে বাজেট অনেক বেড়ে যায়। আর সিরিয়ালের পারিশ্রমিকটা সিনেমার মত নয়। ফিল্ম নির্মাতাদের মত আমাদের অত দেদার টাকা নেই।” “তাও কত হবে স্যার?” আমি কৌতূহল চাপতে পারলাম না। “যদি নায়িকা বা তেমন কোনো মুখ্য চরিত্র হয় তবে দিনে পাঁচ হাজার টাকা দিতে পারি। কিন্তু তার বেশি নয়।” দিনে পাঁচ হাজার টাকার কথা শুনে এক সেকেন্ডের জন্য আমার বুকের ধুকপুকানি যেন থেমে গেল। আমার মাসিক বেতন মোটে আঠারো হাজার টাকা। “স্যার, আসলে কি জানেন। আমি ভাবছিলাম যদি আমার বউ আপনাদের টেলি-সিরিয়ালে একটা সুযোগ পায়।” “বয়স কত আপনার বউয়ের?” “এই ধরুন আঠাশ-উনত্রিশ।” “দেখতে কেমন?” “ভালো। সুন্দরীই বলা যায়।” “গায়ের রঙ?” “ফর্সা।” “উচ্চতা?” “সাড়ে পাঁচ ফুটের একটু বেশি।” “বাঃ! চমৎকার! আপনি এক কাজ করুন। আগামীকাল এগারোটা নাগাদ বউকে নিয়ে হোটেল ব্লুফক্সে চলে আসুন। একটা অডিশন দিতে হবে।” জগদীশবাবু ফোন ছাড়ার আগে আমার মোবাইল নম্বরটা নিয়ে নিলেন।
Parent