নীলা by Kalidash - অধ্যায় ৮

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-39301-post-3566434.html#pid3566434

Posted on Thu Aug 05 2021 by ddey333 (Profile)

Tags:romance
565 words / 3 min read

Parent
তিন- ৩ ১৯৮১ সালের ১লা জুলাই আমার বয়স হল ষোল। এই সময় একটা ব্যাপার ঘটল।নিদ্রায়, অনিদ্রায় আমি যে নারীকে খুজতাম, তাকে পেয়ে গেলাম। একদিন স্কুলে থেকে ফিরে ছাদে উঠলাম। ফ্রেস বাতাস নিয়ে ফুসফুসকে শক্তিশালী করছি। হঠাৎ দেখি কুসুম কালারের সকার্ড পরা একটা মেয়ে। পায়ে কেডস। জিনসের প্যান্ট। হাতে বেসলেট। চুলগুলো এলোমেলো। মুক্তোর মত দাত বের করে হাসছে। দুষ্টামীতে ভরা হাসি।শরীরের মধ্যে বিদ্যুৎ খেলে গেল। আহ্-রে! এই তো সেই মেয়ে! এর সব রুপই আছে। সব সৌন্দর্যে পূর্ণ। চেহারায় দুষ্টামীর ভাব। আমি যত তাকাচ্ছি, তত পাকা পরিচিত প্রেমিকার মত করে হাসতে লাগল। চোখের তারায় কামনা আর আহবানের ঝিলিক। আমি স্থির থাকতে পারলাম না। ভাবলাম এইতো সেদিনের নীলা, আজ এই সেই। ওতো গোটা পৃথিবীর সৌন্দর্য পিপাসু পুরুষদের ঠন্ডা করে দিতে পারবে। নিজের সাথে বহু ধস্তা ধস্তি করলাম। বোঝালাম। পারলাম না। বৃষ্টিকে কি আটকানো যায়? আমি নীলার প্রেমে পড়ে গেলাম। আমাদের সেই দিনের ছোট নীলা আমার সমস্ত কামনায় আগুন ধরিয়ে পূর্ণ নারীতে পরিণত হল। চারদিকের সমস্ত নারী আমার পাছে ফিকে হয়ে গেল। আমার প্রেমে নীলা যেন গলে গলে পড়তে লাগল। ওর তখন বয়স আর কত হবে? বড়জোর দশ।   যুদ্ধের পর খোজ খবর নিয়ে বাবা নিশ্চিন্ত হলেন চাচা বেচে নেই। নীলা ও চাচীর অভিভাবক হলেন আমার বাবা। এই সুযোগে নতুন চাঁদের মত আমাদের প্রেম বড় হতে লাগল। নীলাকে আমি ছবি আঁকা শেখাতাম,কবিতা আবৃতি বুঝিয়ে দিতাম। এই সব অতিরিক্ত কাজ করতাম নীলাকে কাছে পাবার জন্য কঠিন কঠিন প্রশ্ন করতাম। নীলা ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থাকত। না পারার অপরাধে ওর গাল টিপে দিতাম। মা-বাবা মনে করতেন শাস্তি দিচ্ছি। নীলা ভাবত, মধুর পরশ পাচ্ছি। আমার প্রতি নীলার প্রচন্ড টান ছিল। সময়ে অসময়ে পড়া দেখিয়ে দিতে বলত। আমি মাথার চুল ধরে হালকা টান দিতাম। ও হাসত। দাঁত গুলো যেন মুক্তার মত ঝিকমিক করছে। হাসলে গালে টোল পড়ে। দিন দিন আমরা দু’জন ভালবাসার সাগরে ডুবে গেলাম। নীলা গভীর রাত পর্যন্ত পড়া শুরু করল। আমিও পড়তাম। একঘরে। এই পড়ার সুযোগে আমার একটা হাত নীলার হাত ছুয়ে ফেলত। নীলা আলত করে হাতটা এগিয়ে দিত। আমি হাত ম্যাসেজ করে দিতম। বুকে তখন কম্পন শুরু হত। পড়ার শব্দ হত আরও উচ্চ। সবাই ভাবত আমরা পড়ার সাগরে ডুবেআছি। এক সময় রাত গভীর হত। আমরা দু’জনে লোভনীয় আনন্দে ডুবে যেতাম। আমি ঠোটে, কানের লতিতে, গলায় আদর একে দিতাম। ও শিউরিয়ে শিউরিয়ে উঠত। এক সময় আমার আঠা থেকে নিজেকে মুক্ত করে ও চাচীর ঘরে শুতে যেত। আমি যন্ত্রনায় ছটফট করতাম সারারাত। আমার কামনা, বাসনা তীব্র হতে লাগল। যন্ত্রনায় ছটফট করতাম। নীলারতীব্র ঝাঝালো রুপ আমাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে কয়লা করে দিত। নীলা স্কুলে যাবার সময় পরত কেডস, জিনসের প্যান্ট আর টি শার্ট। বইয়ের ব্যাগ পীঠে ঝুলিয়ে যখন হাটত, তখন মনে হত স্বর্গের অপস্বরী। ছেলেরা হা করে তাকিয়ে থাকত ওর দিকে।স্কুলের স্যারেরা পর্যন্ত বোকা বনে যেত ওর তীব্র রুপের ঝাঝে। অল্প বয়সেই ঔ পাকা যুবতী মেয়েদের মত হাসত। ছুরির মত ধারাল হাসি সবারই বুক চিরে ফেলত। আর কসাইয়ের মত দিব্যি হেসে কথা বলত ও। স্কুলের গেটে, রাস্তায় হু-হু করে নীলার ভক্ত বাড়তে লাগল। ফুলের ষ্টিক প্রায় প্রতিদিনই পেত ও। মাঝে মাঝে স্টিকের মধ্যে চিঠিও পেতে শুরু করল। সবই আমাকে দেখাত। আর আমার বুকের ভিতর ধক ধক করে উঠত। ভাবতাম এই বুঝি কেউ আমার নীলাকে ছিনিয়ে নেবার ষড়যন্ত্র করছে। ও গুলো যতো দেখতাম ততই আমি বলতাম, নীলাসোনা আমি তোমাকে ভালবাসি। নীলা তখন খিল খিল করে হাসত। বুঝতাম ও খুব মজা পাচ্ছে। আমাদের প্রেম গভীর হবার সাথে সাথে বিচিত্র সব সখও মাথায় আসতে লাগল।দু’জনে মিলে ছাদের উপর গড়ে তুললাম বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের বাগান। এ কাজে বাবার উৎসাহ ছিল প্রচুর। বহুদুর থেকে তিনিও ফূলের চারা এনে দিতেন। মা-চাচী দু’জন ব্যস্ত থাকতেন সংসার গোছানোয় আমরা ব্যস্ত থাকতাম বাগানের যতেœ।
Parent