শুক্রাণু by tumi_je_amar - অধ্যায় ১২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-39831-post-3603528.html#pid3603528

Posted on Mon Aug 16 2021 by ddey333 (Profile)

Tags:fantasy
430 words / 2 min read

Parent
অফিস #৭ (মৃণাল) – মৃণালকে নিয়ে কিছু বলা হয় নি। ও ছোট বেলা থেকেই একটু বোকা বোকা দুষ্টু ছেলে। এক দাদা আর দিদির জন্মানোর ১৪ বছর পরে ওর জন্ম। বাবা সেফ পিরিয়ড ভেবে ওর মায়ের সাথে নুংকু নুংকু খেলছিলেন কিন্তু হিসাবের ভুলের জন্যে মৃণাল ওর মায়ের পেটে এসে যায়। বাবার প্রিয় হলেও মায়ের কাছে সব সময় বকুনি আর মার খেয়ে বড় হয়েছে। বাড়িতে কোন ভালো জিনিস এলে ওর দাদা দিদিকে দেবার পরে কিছু বাঁচলে ও পেতো। তবু কোনদিন কোন বিদ্রোহ না করে যা পেতো তাতেই খুশী থাকতো। কোলকাতার ছেলে হয়ে ১২ ক্লাসে পড়বার সময় প্রথম ট্রেনে চড়ে – তাও স্কুল ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সাথে।   ক্লাস নাইনের পরীক্ষায় বাবরের চরিত্র সম্বন্ধে লিখতে বললে ও লিখেছিল, “বাবরের চরিত্র মোটামুটি ভালোই ছিল।” তাতে স্কুল থেকে ওর বাবাকে ডেকেছিল। সেই ঘটনা ওর মা জানতে পারে তিন মাস পরে আর তার জন্যে মৃণাল আর মৃণালের বাবাকে তিনদিন বাড়িতে খেতে দেয় নি।   তার পরে পরেই মৃণালের দিদিমা আসেন। তিনি ওর মাকে আরও বেশী কঠোর হতে বলেন। মৃণাল দিদিমার ওপর প্রতিশোধ নেবার প্ল্যান করে। ওর দিদিমা রোজ ঠিক সকাল সাতটায় চান করে ছাদে কাপড় মেলে পুজা করতে বসতেন। মৃণাল একটা ধুপকাঠি জ্বালিয়ে দেখে ঠিক কতক্ষন সময় লাগে ওটা জ্বলতে। তারপর সময় হিসাব করে আর একটা ধুপকাঠির শেষ মাথায় দুটো চকলেট বোম বাঁধে আর ছাদে কাপড় মেলার জায়গায় রেখে আসে। পরে দিদিমা ছাদে গেলে একদম ঠিক সময়ে ওনার পায়ের নীচে বোম দুটো ফাটে। দিদিমার সেরকম কিছু হয় না কিন্তু ওনার পড়নের শাড়ি ছিঁড়ে ফালা ফালা হয়ে যায়। তার দুদিন পরেই উনি চলে যান।   আরও বড় হলে সেক্স কি জিনিস শিখে যায়। বন্ধুদের কাছে ব্লু ফিল্ম দেখাও শেখে। ইন্টারনেট পাবার পরে ল্যাংটো মেয়েদের ছবি রাখাও শিখে যায়। কিন্তু কোন মেয়ের সাথে সেক্সের কথা বলার সাহসই পায়নি। যে মেয়েদের বড় মাই তাদের খুব পছন্দ করতো কিন্তু কোনদিন কোন মেয়ের বুকে হাত দিতে পারেনি।   এই অফিসে ওদের আগের বস অংশুমান রোজ সকালে অফিসে এসেই পাঁচ পাতা ‘শ্রীরাম’ ‘শ্রীরাম’ লিখত। সবাই জিজ্ঞাসা করলে ও বলে এটাও একরকম মেডিটেশন। মনঃ সংযোগ বাড়ে। মৃণাল বলে রোজ এই ভাবে না লিখে একটা word ফাইলে ‘শ্রীরাম’ ‘শ্রীরাম’ লিখে সেভ করে রাখতে আর রোজ সকালে এসে পাঁচ পাতা করে প্রিন্ট নিয়ে নিতে। মেডিটেশন অনেক সহজে হয়ে যাবে।   অফিসের টেকনিক্যাল কাজে খুব এক্সপার্ট। সব অফিসেই ওর কাস্টমাররা ওর নিপুণতা আর সারল্যতে খুব খুশী। অফিসের সব মেয়েরাই মৃণালের কাছে ভরসা পায়। সব মেয়েরাই অফিসে ওর লকারে স্যানিটারি ন্যাপকিন রেখে দেয় সময় অসময়ে দরকারের জন্যে। অফিসের সবাই জানে ওর কাছে অনেক ব্লু ফিল্মের সিডি আছে। শর্মিষ্ঠা বাদে সব মেয়েরাই ওর থেকে সিডি বাড়ি নিয়ে যায়। শুরুতে কস্তূরী নিত না। পরে ও একদিন দেবজিতকে মৃণালের কথা বললে দেবজিত ওকে সিডি নিয়ে আসতে বলে। তারপর থেকে ওও মৃণালের থেকে সিডি নিয়ে যেত।
Parent