সংগৃহিত গল্পসমগ্র --- XOSSIP web archive - অধ্যায় ১৭২
মাত্র H.S.C Exam শেষ হলো, তাই আমি তো হতবাক, কারণ আমি তখনো জানতাম না যে মেয়েদেরও বগলে পশম হয়। আপুর জামা খুলার পরও তার গায়ে সেন্ডু গেঞ্জির মতো শেমিজ বা অন্তর্বাস পরা ছিল তাই সে এখনো পুরোপুরি উদোম বা খালি গা হয় নাই। তখন আমি করলাম কি, আপুর ডান হাত উচু করে তার বগলের নিচের পশমগুলি দেখতে থাকলাম। প্রথমে আপু কিছু বলে নাই। কিন্তু পরে আপু খুই লজ্জা বোধ করছিল আমি তার চেহারা দেখে বুঝতে বারলাম। আমার কাছে মনে হলো আপু হয়তো এখনো একবারও বগলের বাল ফেলেনি। আমি এবার আপুর বগলে হাত দিয়ে বালগুলি আলতো করে টানতে থাকলাম আর বুঝতে পারলাম আপু খুবই সেক্স অনুভব করছে। আপুর দুই বগলের পশম বা বাল ধরে আলতো করে টেনে টেনে আপুর দুই চোখের দিকে তাকিয়ে বলছি ছি! ছি! আপু এগুলি কি? আপু তো লজ্জায় দুই চোখ বুজে আছে। আমারও খুবই মজা লাগছে এভাবে লজ্জা দিতে। তারপর অসম্ভস ফর্সা সুন্দর শরীর দেখার জন্য উদগ্রিব হয়ে গেলাম। এভাবে কিছু সময় পর আপুর শেমিজ বা অন্তর্বাস খুলে নিলাম, এবার শুধু ব্রা পরা আর নীচে পায়জামা। পায়জামাটা ধরে একটু নীচে নামালাম আর অমনি আপুর সুন্দর নাভী বের হয়ে গেল। আমি আলতো করে নাভীতে এক আঙুল দিতেই আপু শিহরিত হয়ে উঠল, বুঝলাম আপু আরো শিহরণ অনুভব করছে। আসলে আপুতো কখনো এভাবে এতোটা নগ্ন কারো সামনে হয় নাই। আর আমিও অভিভুত, এতো সুন্দর দেহ উপভোগ করছি।আমি তো এতোটাই নিশ্চিত যে এই দেহে কোন পুরুষ কেন, কোন মেয়েরও হাত বা স্পর্শ তো দুরের কথা দৃষ্টিও পড়েনি। তাই নিশ্চিন্তে এগিয়ে গেলাম আরো আবিষ্কারের জন্য। আপুর সুন্দর ফর্সা পেটের মধ্যে কালো একটি নাভি গহবর খু্বই দারুন লাগছে। কিছু সময় আপুর পেটে সাতার কেটে নিলাম। তার পর এবার হিমালয় বিজয় করার মতো রোমাঞ্চকর একটা আবেশ আমাকে শিতল করে দিল। আপুর দুটি স্তন সত্যিই এতোই উচু ছিল যা দেখার মতোই। যখন আমি আপুর ব্রা এর পিছনের হুকে হাত দিলাম তখনই বাসার মোবাইল বেজে উঠল, আর আপু আমাকে ইশারায় বলল মোবাইলটা আনার জন্য। তখন অনেকটা বিরক্ত হয়ে উঠে গেলাম। আর দেখি মা র মানে আমার চাচীর ফোন। মোবাইল নিয়ে আপুর হাতে দিলাম। তখন আপু কথা বলল, আর তাতে বুঝতে পারলাম তারা চলে আসছেন।
আপু তাড়াতাড়ি করে উঠে বলল চল, ভাত খেয়ে নেই। বাবা-মা আসছেন। আমি বললাম এখন আমি ভাত খাবো না তোমাকে খাবো। আপু হাসল, বলল –অনেক হয়েছে এবার চলো। আমি কখনো আপুর কথার অবাধ্য হই না। তাই আপুও আমাকে খুবই আদর করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। দুজনই উঠে গেলাম। আর দেখতে থাকলাম কিভাবে আপু তার সুন্দর দেহটাকে আবার জামা দিয়ে আবৃত করে। যখন আপু সুন্দর করে সব পরে ওড়নাটা তার মাথা হাত বুক পেচিয়ে দাড়াল তখন আরো দারুন লাগছে। আপু বলল কেমন লাগছে! আমি বললাম, অসাধারণ, আপু বলল, আর তখন? আমি বললাম আমি পাগল হয়ে যাবো। আপু বলল এটুকুতেই থাকো। সেদিনের সেই অসমাপ্ত ঘটনার পর থেকে আমি অনেকটা বেসামাল হয়ে পড়েছিলাম, কিন্তু আপু আমার ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছে। তাই একদিন আপু আমাকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে সাবধান করলেন এই বলে, আমরা এতো দিন যা করেছি তা খুবই অন্যায় আর অনাচার। এ ব্যাপারে তুমি আর আমি সম্যক জ্ঞাত আছি। তাই যা করেছ করেছ এখন থেকে সাবধান থাকো। আমার ধারণা আপুর কোন বান্ধবি হয়ত বা আপুকে সাবধান করেছে। কারণ ইদানিং আমি দেখছি আপুর সাথে এক বান্ধবীর খুবই ভালো সম্পর্ক, তবে সে বান্ধবী বিবাহিত। তাই হয় তো সেই আপু আমার আপুকে বিভিন্ন ভাবে সাবধান করেছেন। তবে এটা তো আমরা প্রাপ্ত বয়স্ক সকল ছেলে-মেয়েরা জানি যে, এই সেক্স বা যৌনবিষয়ে ছেলেরা খুবই দুর্বল থাকে। তাই মেয়েদেরকেই বেশী সাবধান থাকতে হয়। একটা দিক থেকে আমার আপু খুবই নিরাপদ যে আমি কখনোই আপুর অবাধ্য হই নাই।