সংগৃহিত গল্পসমগ্র --- XOSSIP web archive - অধ্যায় ২১৮
-হ্যাল জেসমিন, আমি তোমাকেই ফোন দিতাম। কিন্তু একটা কাজে আটকে গেছি। দোকানে পূজোর শাড়ি উঠবে। তাই ডিল করতে হবে তিন চারটে পার্টির সাথে। তাই চলে এলাম দোকানে। এখান থেকে কাগজ পত্র নিয়ে সোজা যাব শিলিং চাইনিজে। মিটিং সেখানেই।
-তা বুঝলাম। তবে আপনি তো জাফরকে রাজি করিয়েই ছাড়লেন।
-তা আর বলতে! এসব ব্যাপারে আমি বেশ পটু। কাউকে রাজি না করার যোগ্যতা না না থাকলে ব্যাবসা বড় করতে পারতাম না।
-বুঝলাম। তা আমাকে কি এই কথা জানানোর জন্যই ফোন দেবার কথা ভাবছিলেন?
-দেখেছ! মাথা থেকে বের হয়ে গেল! আসলে কথায় আসি। তুমি আমার কথায় রতনের স্কুলে যাবে। তাই তোমার জন্য আমি তো আর তেমন কিছু করতে না পারলেও শনিবারের জন্য তোমাকে একটি শাড়ি তো দিতেই পারি। বল নিবে তো?
-দরকার কি? লাগবে না কাকা।
-কেন? আমাকে আপন ভাব না?
-বুঝেছি! না নিয়ে উপায় নেই। নিব! খুশি?
-শোন তোমার জন্য কালো ট্রান্সপারেন্ট শাড়ি বেছেছি আজ, জরজেট এর। খুব শফট।
-ট্রান্সপারেন্ট শাড়ি?
-হ্যা। একটা ফাংশনে যাবে, নরমাল শাড়িতে কি আর চলে?
-Any problem?
-Not At all. তবে জাফর কে দেখাব না শাড়িটা। বাসায় আনব না। আপনার ফ্লাটে থাকবে।
- জো হুকুম। আচ্ছা, তোমার বুকের মাপটা কত?
-জী! কি?
-আরে ব্লাউজ বানাতে হবে তো! নতুন শাড়ির সাথে কি আর যাতা পরা যাবে বল!
-৩৬
-হুম, দেখেই আইডিয়া হয়েছিল। জাফর ছেলেটার হাতের গুণ আছে বেশ!
-কাকা, আপনি দিন দিন পেকে যাচ্ছেন (কপট রাগ দেখিয়ে)
-তোমার মত হট ফ্রেন্ডের সাথে থাকতে থাকতে তাপে পেকে যাচ্ছি। হে হে।
-রাখুন। কাজ আছে আমার।
-আর হ্যা, কাল সকালে ৯:৩০ এ বের হবে। দোকানে এসে শাড়ি আর ব্লাউজ পড়ে নিবে। তারপর রওনা হব। ১২ টা নাগাদ আমাদের উপস্থিত থাকতে হবে।
- জী।