সংগৃহিত গল্পসমগ্র --- XOSSIP web archive - অধ্যায় ২৮৪

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-50991-post-5145759.html#pid5145759

Posted on Thu Feb 23 2023 by ddey333 (Profile)

519 words / 2 min read

Parent
পরদিন দুপুরে আমি আর রেখা আপার রুমে শুয়েছিলাম। রেখা তার জীবনের কাহিনী বলতে লাগল। রেখা বলছিল- আমি যখন ৭ম কি ৮ম শ্রেণীতে পড়ি তখন একজন টিউটর এসে আমাকে পড়াতো। বিকেল বেলা সে আসতো। মা প্রায়ই এসময় পাড়ায় বেড়াতে বের হতেন। বাসায় থাকতেন আমার মেঝ চাচি। বয়স ২৫কি ২৬ হবে। -তোর মেঝচাচি মানে নাজমা আন্টি ওই যে অস্ট্রেলিয়া না কোথায় যেন থাকে? -হা এখন অস্ট্রেলিয়া থাকে। মেঝ চাচা বিয়ের পরপরই অস্ট্রেলিয়া চলে গেছিল । দু বছর পরপর দেশে আসতো। মেঝ চাচি আমাদের বাসায় থাকতো। তা টিউটর পড়াতে আসলে মেঝচাচি চা বানিয়ে এনে টিউটরকে দিতেন। চা টেবিলের উপর রেখে মেঝচাচি টিউটরের সাথে এটাসেটা গল্প করেন। টিউটরের বয়স ৩৫ কি ৩৬ হবে। নাম ছিল শীতল। শীতল দে। -দে? * ছিল নাকি রে? -হা, মাষ্টার মশাই ডাকতাম। -তাহলে তো তোর গল্প জমবে ভালই। – হা বলছি শোন। রেখা বলতে থাকে- মেঝচাচি চা নিয়ে এলে তাদের গল্প করার সুযোগে আমি পড়া ফাকি দেয়ার উদ্দেশ্যে বাথরুমে যাবার কথা বলে বেরিয়ে যেতাম। বেরিয়ে গিয়ে আমার রুমে কিছুসময় কাটিয়ে তারপর ধীরে সুস্থে দশ পনেরো মিনিট পরে ফিরে আসতাম পড়তে। সারাদিন স্কুলে কাটানোর পর আবার টিউটরের কাছে বসে থাকা আমার ভাল লাগতোনা। তাই ফাকি দেবার চেষ্টা করতাম। একদিন এভাবে বাথরুমে যাবার কথা বলে আমি বেরিয়ে গেলাম। মেঝচাচি টিউটরের সাথে গল্প করতে থাকে। সেদিন আমি বাথরুম থেকে বেরিয়ে নিজের রুমে না গিয়ে তাড়াতাড়িই ফিরে আসলাম। রুমের বাইরে থেকেই মেঝ চাচির খিলখিল হাসি শুনে আমার মনে কেমন সন্ধেহ হয়। -বলিস কি রে। কিছু একটা হচ্ছিল নাকি? -বলছি শোন। চুপি চুপি দরজার আড়াল থেকে তাকিয়ে দেথি মেঝচাচি টিউটরের পাশ ঘেষে দাড়িয়ে আছে আর টিউটর মেঝচাচির বিশাল পাছায় হাত বুলাচ্ছে। আরও কিছুক্ষণ এভাবে হাত বুলানোর পর -হয়েছে আর না এখন রেখা চলে আসবে বলে মেঝচাচি মাষ্টার মশাইয়ের কাছ থেকে সরে আসে। -আর কিছু করল না? -সেদিন আর কিছু করে নাই। পরদিনও টিউটর আর মেঝচাচির এই খেলা দেখলাম। তবে মেঝচাচি মাষ্টার মশাইকে বেশী আগাতে দেয় না। কাপড়ের উপর দিয়ে পাছায় আর দুধে টিপাটিপি পর্যন্তই। খেয়াল করে দেখলাম মেঝচাচি এই সময় ব্রা আর আন্ডার পরে না। -তাই নাকি, ও—টিপাটিপির সুবিধার জন্য? -হা, মেঝচাচির ভয় কখন আমি এসে দেখে ফেলব। মেঝচাচির এই ভয় ভাঙ্গাতে আমি একটা ফন্দি আটলাম। -কি ফন্দি রে? -বলছি শোন ———————— -যেদিন মা বাসায় থাকে না সেদিন মেঝচাচি আসে টিউটরের সাথে গল্প করতে। তাই পরের সপ্তায় যেদিন মা পাশের বাসায় বেড়াতে গেছে আর মেঝচাচি টিউটরের জন্য চা নিয়ে এল তখন -ইস আমার খুব মাথাব্যথা করছে বলে আমি হাত দিয়ে মাথা টিপতে লাগলাম। মেঝচাচি বলল খুব বেশী ব্যথা নাকি? তাহলে তোমার রুমে গিয়ে শুয়ে পড় তোমার মা তো বাসায় নেই তুমি যে পড় নাই সেটা জানতে পারবে না। টিউটরও বলল হা শুয়ে পড় গিয়ে। আমি আমার রুমে চলে এলাম। মেঝচাচি ও আমার সাথে আমার রুমে এসে আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে বলল একটু ঘুমাতে চেষ্টা কর তাহলে ব্যথা কমে যাবে। আর কোন কিছুর দরকার হলে আমাকে ডাক দিও তুমি উঠে এসো না। আমি দেখি মাষ্টার মশাইর চা খাওয়া হয়ে গেছে কি না। বলে মেঝচাচি আমার রুমের দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে চলে গেল। মেঝচাচি চলে যেতেই আমি লাফ দিয়ে উঠে পড়লাম। তারপর চুপিচুপি পড়ার রুমের দরজায় এসে উকি দিলাম। -দরজা খোলাই ছিল? -না দরজা ভেজানো ছিল তবে ভিতর থেকে আটকানো ছিলনা। আমি দরজায় একটু চাপ দিতেই দরজা একটু ফাক হয়ে গেল। আমি দরজার ফাকে চোখ রাখলাম।
Parent