অবাধ্য আকর্ষণ ( Contd after Sexdisciple post) - অধ্যায় ১২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71822-post-6121646.html#pid6121646

Posted on Wed Jan 14 2026 by dweepto (Profile)

Tags: None
826 words / 4 min read

Parent
ঠিক তখনই এক অপরিচিত ব্যাক্তি এসে আচমকাই বলল “ এক মিনিট বাত কর সকতা হু?” “ কিসসে বাত করনা হ্যায় আপকো ? “ গুঞ্জন বেশ ঝাঁঝের সাথে বলে উঠল। “ অনিন্দ্য জি সে থোড়া বাত থা “ এবার মন দিয়ে লোকটাকে দেখল অনিন্দ্য । বয়েস আনুমানিক ৩৫ এর কাছাকাছি, গালে হাল্কা দাড়ী, গায়ে একটা খদ্দরের পাঞ্জাবি আর জিন্স। লম্বায় প্রায় ৬ ফুট, ছিপছিপে গড়ন, বাঁ হাতে একটা মোবাইল ফোন যেটা কেনার জন্য ভাল আর্থিক সঙ্গতি থাকা দরকার। সঙ্গে আরও কিছু ছেলে আছে, তারা অবশ্য দূরে দাঁড়িয়ে। লোকটার মতলব কি আছে কে জানে “ বলুন, কি বলবেন “ “ আমার নাম উমেশ, উমেশ আডবানি। আজ আপকা স্পিচ শুনা , বহুত বড়িয়া বোলে হ্যায় আপ। “ “ ধন্যবাদ, শুধু এটা বলতে এসেছিলেন ?” “ আরে নহি নহি, জরুরি কথাই বলতে এসেছিলাম। আমি হচ্ছি উমেশ, আমি ভারতীয় গনতন্ত্র পার্টির যে স্টুডেন্ট ইয়ুনিট আছে তার লিডার।“     “ বানারজি বাবু, আপকা হাত জারা মেরে পাগড়ী মে দিজিয়েগা? “ “ তোদের না পাগড়ী তে হাত দেওয়া মানা “ “ শালা তেরা হাত লগেগা তো মেরা তো কিসমত চমকেগা “……… হা হা হা করে হেসে উঠল নিখিল। কলেজ ক্যান্টিনে বসে খেতে খেতে আড্ডা দিচ্ছিল চারমূর্তি, খাবার মাঝেই গুঞ্জন বলে উঠল “ যাই বল কিন্তু, সলিড বয় ফ্রেন্ড বানিয়েছি, কোন কিছুতেই ফ্লপ খায়না মাইরি “ “ ই বাত ভাবিজান সহি নহি হ্যায় “…… ঠিক বিরোধী দলনেতার মত প্রতিবাদের সুরে বলে উঠল নিখিল “ কেন রে, তুই কি কিছু নতুন পয়েন্ট জানিস নাকি?” “ হা ভাবিজান, লেকিন নহি বোলেগা। আখির ইয়ার হ্যায় মেরা “ বলেই একটা ফিচেল হাসি দিল নিখিল। “ এই কি তোর উইক পয়েন্ট রে যা আমাকে না বলে পাগড়ী কে বলেছিস ?” কনুই এর গুঁতো মেরে বলল গুঞ্জন। “ কিছুই না “ …… পরোটার শেষ টুকরোটা মুখে ঢুকিয়ে বলল অনিন্দ্য “ পাগড়ী আমার চুমু খাওয়ার অক্ষমতার কথা বলতে চাইছে “ নিখিল এর মুখ হা হয়ে গেল, আচমকা টেবিলের নিচে ঢুকে গিয়ে অনিন্দ্যর পা জড়ীয়ে ধরিয়ে বলতে লাগল “ মাফ কর দিজিয়ে ভগবান, ম্যায় তো অনাথ হো জাউঙ্গা “ “ ধুর বাল করিস কি “ অনিন্দ্য বিরক্ত মুখে বলে উঠল “ তেরে ধুর বাল কা ১০৮, বাঙ্গালী হো কে জাদু টোনা করতা হ্যায় ?” “ কিসের জাদু টোনা?” “ তব তুনে ক্যায়সে বোল দিয়া কি ম্যায় ক্যায়া বোলনা চাহতা হু?” “ তুই একটু আগেই লাভ্লি কে এস এম এস করেছিস, আমি সেটা দেখেই বুঝেছি “ “ তু শালা কোই অউর জাত কা হোগা, ইতনা চালু বাঙ্গালী নহি হ সকতা “ খিলখিলিয়ে হেসে উঠল গুঞ্জন আর লাভ্লি, অনিন্দ্য না হেসে পারল না। এমন সময় “ বিনা জিতে ইতনি খুশি, ওয়াহ ভাই ওয়াহ “ সবাই অবাক হয়ে ঘুরে তাকাল, যশ দীক্ষিত।  এই ক্যান্টিনে এই অসময়ে যশ দীক্ষিত কে কেউ আশা করেনি,তার ওপর আজ তো যশ ট্রফি জিতেছে, এতক্ষণে ওর বীয়ারের ফোওারায় ডুবে থাকার কথা। “ দেখ যশ, তু তো ………” উত্তেজিত হয়ে গুঞ্জন কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু হাতের ওপর অনিন্দ্যর হাত পড়তেই থেমে গেল। অনিন্দ্য নিখিলের দিকে তাকিয়ে বলল  “ নিখিল, তুই আমার পাশের চেয়ারটায় বস “ তারপর যশ কে হাতের ইশারায় নিখিলের ছেড়ে দেওয়া চেয়ারটায় বসতে বলল। যশ বসল আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা পিছনেই দাঁড়িয়ে থাকল। “ পকোড়া চলবে?” বলে প্লেট টা যশের দিকে বাড়িয়ে দিল অনিন্দ্য।একটা পকোড়া তুলে নিয়ে যশ বলল “ ভাই বাঙ্গালী, এক বাত তো মাননা পড়েগা কি তুঝমে কুছ তো বাত হ্যায় “ “ কেন?” “ হর বার তু উংলি করনে মেরে পিছে যো আ যাতা হ্যায় “ বলেই খ্যাক খ্যাক করে হাস্তে থাকল যশ, পিছনের সাঙ্গ পাঙ্গ রাও এই হাসিতে যোগ দিল। “ লেকিন বাঙ্গালী” আবার যশ এর ভাষন শুরু হল “ তেরা কিসমত ভি আচ্ছা হ্যায়। মুঝসে দুশমনি করকে ভি তু ইতনা দিন জিন্দা হ্যায়” “ তাই নাকি, জানতাম না তো “ অনিন্দ্য সংক্ষিপ্ত একটা উত্তর দিল “ জান লো জানেমন জান লো। মুঝপে হাত উঠানে কে বাদ ম্যায় তো তুঝে মার্ডার করনেবালা থা, লেকিন মেরে বাপ নে মানা কর দিয়া। নহি তো আজ তু কিসি ফটো বন কে দিওয়ার সে মুঝে দেখ রহা হোতা অউর আপনা কিসমত কো দোষ দে রহা হোতা।“ “ পাপা মানে কুবের দীক্ষিত?” “ হা বে, দা কুবের দীক্ষিত বোল, দিল্লী জিসকে ইশারো পে নাচতা হ্যায় “ “ তা হটাত কুবের দীক্ষিত আমাকে বাঁচাতে গেল কেন?” “ তুঝে খুদ বরবাদ করেগা ইস লিয়ে “ অনিন্দ্য পকেট থেকে ফোন টা বের করে নিজের কল লিস্ট টা বের করে যশের হাতে দিল, দিয়ে বলল “ কুবের দিক্ষিতের নাম্বার কি এটাই?” “ হা, পর তুঝে ক্যাসে মিলা?” “ আমাদের মধ্যে প্রায়ই কথা হয়, মাঝে মাঝে তোকে নিয়েও হয়। তোর বাপ খুব দুঃখ করে তোকে নিয়ে। বলে চুতিয়া টা মানুষ হল না “ “ জবান কো লগাম দে বাঙ্গালী, তু মেরে বাপ পে মত যা “ হুঙ্কার দিয়ে উঠল যশ। “ লাগাম টা তুই দে যশ, নাহলে হয়ত তুই নিজেই খুন হয়ে যাবি হয়ত কুবের দীক্ষিতেরই হাতে। বাপের হাতে মরলে ইন্সিওরেন্স ও টাকা দেবে না রে “ উত্তেজিত হয়ে যশ অনিন্দ্যর কলার টেনে ধরে বলল “ য্যাদা স্মার্ট না বন বাঙ্গালী, লাশ ইতনা টুকড়ে হঙ্গে কি ঢুন্ডনে কে লিয়ে দশ জনম লগ জায়েঙ্গে “ “ বাবা আর সাঙ্গপাঙ্গ ছেড়ে একবার সামনাসামনি আসিস, ভাল লাগবে” …আস্তে করে মুচকি হেসে যশের হাত টা কলার থেকে ছাড়িয়ে হাসতে হাসতে বলল অনিন্দ্য। 
Parent