অচেনা জগতের হাতছানি - অধ্যায় ১

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-22516-post-1659249.html#pid1659249

Posted on Wed Feb 26 2020 by gopal192 (Profile)

306 words / 1 min read

Parent
1. শহরতলির এক ধনী পরিবারে জন্ম বাপির– ভালো নাম তথাগত সেন তার একটি দিদি আছে ওর থেকে দু–বছরের বড় – বাবা ড: প্রণব সেন একজন প্রতিষ্ঠিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ নিজের নার্সিংহোম ভীষণ ব্যস্ত মানুষ সংসারে দেবার মতো সময় তাঁর একদমই নেই তাই সব কিছু সামলাতে হয় ওনার স্ত্রী নীলিমা সেন কেই। বাপির দিদি – তনিমা সবে মাত্র কলেজে ভর্তি হয়েছে, বাপি এগারো ক্লাসের ছাত্র। পড়াশোনাতে দুজনেই খুবই  ভালো বাপি বরাবর ক্লাসে প্রথম হয়ে আসছে। SSLC তে দশম স্থান পেয়েছে তাই সবার আদরের  ওদের কারুরই ক্লাস এখনও শুরু হয়নি দুজনেই বাড়িতে বসে গান শোনা টিভি দেখা বা গল্পের  বই  নিয়েই থাকে।                                                                                                                                         বাপি লম্বায় প্রায় ছ–ফুট, সুন্দর সাস্থ , গায়ের রঙ খুব ফর্সা, বয়েস ১৭ বছর পেরিয়ে ১৮ তে পড়েছে তবে বয়েস যাই হোক এখনো শিশুসুলভ আচরণ করে। মা–বাবা দিদি সবাইকেই জড়িয়ে ধরে আদর করে আর ওরাও বাপিকে সেই ভাবেই আদর করে। আর তনিমা তাকে দেখলে যে কোন বয়েসের পুরুষের কlম দন্ড দাঁড়িয়ে যাবে যেমন মুখশ্রী তেমনি বুকের উপর দুটি পর্বত চূড়া, সরু কোমর ভারী নিতম্ব। চলার সময় যে ভাবে দোলে তাতে যে কোনো পুরুষের কাপড় ভিজতে বেশি সময় লাগবে না। বাপি রোজ বিকেলে জিমে যায় ঘন্টা দুয়েক কসরৎ করে সন্ধ্যে বেলা বাড়ি ফেরে। বাপির উচ্চতা প্রায় ছ–ফুট শরীরে মেদ নেই একদম। রোজকার মতো সেদিনও সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ বাড়ি ঢোকে ওর সারা শরীর ঘামে ভেজা তাই একটা তোয়ালে নিয়ে চলে যায় স্নান করতে। বাথরুমে ঢুকে ট্র্যাকস্যুট খুলে ফেলে সাওয়ারের নিচে দাঁড়ায় শরীর একটু ঠান্ডা হতে জাঙ্গিয়া খুলে ফেলে ল্যাংটো হয়ে সারা শরীরে সাবান মেখে আবার সাওয়ার চালিয়ে স্নান করতে থাকে। ওদিকে ওর দিদিও তনিমাও বাথরুমে যাবে বলে রেডি হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে বাথরুমের কাছে এসে ভিতরে জল পড়ার শব্দ শুনতে পায় দরজা ঠেলতেই খুলে যায় আর দেখে ওর ভাই পুরো ল্যাংটো হয়ে সাওয়ারের নিচে। বাপি আজ তাড়াহুড়োতে দরজা বন্ধ করতে ভুলে গেছে সেটা বুঝতে পেরেও তনিমা কিন্তু বাথরুম থেকে সরে এলোনা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাইয়ের নগ্ন রূপ দেখতে লাগল – 
Parent