ভাঙনের পরে - অধ্যায় ৩২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-64501-post-5749587.html#pid5749587

Posted on Wed Sep 25 2024 by Henry (Profile)

479 words / 2 min read

Parent
ভোর হবার আগে উঠে পড়া সুচির প্রতিদিনের রুটিন। জয়ন্তের যখন ঘুম ভাঙলো। সে তখনও ঘুমোচ্ছে। জয়ন্ত নিজেই চা করল। অংশু পায়ে কেটস পরে মর্নিং ওয়াকে বেরিয়ে গেল। বহুদিন সকালে হাঁটার অভ্যাস ছেড়ে গেছে জয়ন্তের। গ্রীষ্মের দিনে এই ভোরের বাতাসের একটা অনন্য মাধুর্যতা আছে। বিপরীত বারান্দায় এসে দাঁড়ালো মিতা। জয়ন্ত বেডরুমে গিয়ে একবার দেখে নিল ঘুমন্ত সুচিকে। মিতার রাতের একা ঘুমোনোর বিছানায় ভোরের আলো ফুটবার মুহূর্তে জয়ন্ত পৌঁছল ঘনিষ্ট অবস্থায়। মিতার যোনিতে মুখ নামিয়ে এনেছে সে আজ। ভোরে না ধোয়া শরীরে সিক্ত কামার্ত যোনির মধ্যে জিভ বোলাতে লাগলো জয়ন্ত। তারপর ভগাঙ্কুরটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করতে মিতা আবেগঘন গলায়---'আঃ' করে একটা মৃদু শব্দ করল। জয়ন্ত হাত বাড়িয়ে মিতার একটা স্তনকে মুচড়ে ধরেছে। মিতার পুষ্ট ঠাসা মাংসল স্তনের উপর এবার হামলে পড়ল জয়ন্ত। স্তন দুটি নিয়ে অনেকক্ষণ চোষণ, মর্দন করল সে। আজ একটু দুজনেই যেন উদ্দাম। জয়ন্তের শরীরও যেন স্নিগ্ধ ভোরবেলা চাঙ্গা। বেশ সাবলীলভাবে ধাক্কা মারতে লাগলো জয়ন্ত। দুজনের গায়ে বিন্দুমাত্র বস্ত্র নেই। অংশু খেলার মাঠে যায় মর্নিং ওয়াক করতে। আজ মাঠটা বাঁশ দিয়ে ঘেরা। কোনো একটি রাজনৈতিক দলের সভা হবে। তাই মাঠের চারপাশ দু'বার চক্কর লাগিয়ে ফিরে এলো সে। বাড়ির কাছে এসেই খেয়াল হল ঘোষ কাকুদের বাড়ির গ্রিলের কাছে জার্মান শেপার্ডটা মুখে জুতো চেপে ধরে ঘেউ ঘেউ করছে। জুতোটা বড্ড চেনা অংশুর। এই জুতো বাবার। কালই বাড়িতে বাবার পরার জন্য মা এক জোড়া কিনেছে। ঘোষকাকু কি আবার এই ভোরে অসুস্থ হলেন? ঘোষ কাকু অসুস্থ না হলে বাবা ওদের বাড়িতে যান না। দোতলার সিঁড়ি ভেঙে উঠে এলো অংশু। মা বেডরুমে ঘুমোচ্ছে পিঠ উল্টে। মাকে ঠেলে তুলল অংশু, বলল---মা, বাবা কি ঘোষ কাকুর বাড়ি গেছেন? ঘোষকাকু কি আবার অসুস্থ হলেন? সুচিত্রা ঘুম ভেঙে দেখল বেশ দেরী হয়ে গেছে। ঘড়িতে তখন সাড়ে ছ'টা। অংশুর প্রশ্নের উত্তরে খানিক বিরক্ত মুখে তাকালো সে। তারপর ছেলেকে বলল---দাঁত ব্রাশ করেছিস? আজ তো মঙ্গলবার। তোর ইংরেজির টিউটর আসবেন। জলখাবার খেয়ে পড়তে বোস। সুচি যখন বাথরুমে তখন জয়ন্ত এসে হাজির হল। বিছানায় শায়িত সুচিত্রাকে দেখে গেছিল সে। একটু বিড়ম্বনায় পড়ল। অংশু তার দিকেই তাকিয়ে আছে। অংশু বাবাকে ঘোষ কাকুর অসুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন করতে যাবে, ঠিক তখুনই জয়ন্ত ছেলেকে জিজ্ঞেস করল---কি রে আজ মাঠে তো সভা হবে বলে না দৌড়ে চলে এলি তাড়াতাড়ি। আমি তোকে গিয়ে খুঁজলাম দেখতে পেলাম না। বিস্মিত হল অংশু। বাবা মাঠে যায়নি। ঘোষ কাকুর বাড়িতে গিয়েছিল। তবে মিথ্যে বলছে কেন? মা এমন সময় বাথরুম থেকে বের হয়ে বলল---কি গো, চা খাবে? অংশুর বাবার এই মিথ্যে বলাটা মনের মধ্যে একটা খটমট তৈরি করেছে। নিশ্চই এর মধ্যে কোনো রহস্য আছে। এমন ছোট ছোট রহস্যের গন্ধ পেলে, বেশ মজা পায় সে। মা জলখাবার দিয়ে, বাবাকে চা দিয়ে গেল। তারপর নিজেও চায়ে চুমুক দিতে দিতে বাবার প্রিয় ছাদবারান্দায় দাঁড়িয়ে রইল অনেকক্ষন। মাকে এমন সাতসকালে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে কখনো দেখেনি অংশু। মা যেন আজ বেশ আলসেমি দেখাচ্ছে। এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে রাস্তার ওপারে। অংশু মায়ের পাশে এসে দাড়ালো। পুনরায় জিজ্ঞেস করে বলল---মা, ঘোষ কাকু কি আবার অসুস্থ হলেন? অংশুর প্রশ্নের এবারও কোনো জবাব দিল না সুচিত্রা। অংশু মায়ের দিকে তাকিয়ে রইল। মায়ের নিরুত্তর থাকাটা তার মধ্যে একটা ধন্ধ তৈরি করছে। ***
Parent