ভাঙনের পরে - অধ্যায় ৭৯

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-64501-post-5811739.html#pid5811739

Posted on Fri Nov 22 2024 by Henry (Profile)

608 words / 3 min read

Parent
পর্ব: ২০ টানা বৃষ্টিতে হিমশিম কলকাতা। শহরে বেহাল জল নিকাশিতে রাস্তাগুলো যেন নদী। এমন রাস্তায় গাড়ি চালানো বড্ড মুশকিল। যদ্দিন চন্দন ছিল, তদ্দিন এমন পরিস্থিতিতে ভাবতে হত না জয়ন্তকে। এখন ও' নিজেই গাড়ি চালাচ্ছে নিজের।  সামলে নিয়ে পৌঁছল বাড়িতে। বাড়ি ফাঁকা। অংশু কলেজ গেছে আজ। বিট্টু-লাট্টুর দেখাশোনা করার কেউ নেই বলে ছবিকে রেখে গেছে সুচি। আর দিন দুয়েক পরই গরমের ছুটি পড়বে সুচির কলেজে। ছুটির পর সুচিত্রা জয়েন করবে গোবিন্দপুরে তার নতুন কলেজে।  বাড়িতে ঢুকে জামা-কাপড় ছেড়ে স্নান সেরে এলো জয়ন্ত। ছবি বলল---দাদা, এতক্ষনে দুটো ঘুমিয়েছে। বড্ড বদের ধাড়ি দুটো বাচ্চা।  জয়ন্ত বললে---যা বলছিস বল। তোর বৌদির সামনে আবার বলিস না।  খাওয়া সেরে জয়ন্ত উঠে বেসিনে মুখ হাত ধুচ্ছিল যখন, টেলিফোনটা বেজে উঠল। জয়ন্ত বললে---ছবি, ফোনটা ধর দেখি। ছবি টেলিফোন ধরেই বললে---দাদা, ও' বাড়ির দিদিমণি ফোন করেছে।  জয়ন্ত দ্রুত এসে রিসিভারটা ধরল। মিতা বললে---মোবাইলটা কোথায় রেখেছেন জয়ন্ত দা?  ---কেন ফোন করছিলে? জয়ন্ত এদিক ওদিক খুঁজতে লাগলো নিজের মোবাইল ফোনটা। জয়ন্ত রিসিভারটা নামিয়ে রেখে দেখল ছবি টেবিল থেকে এঁটো প্লেটগুলো গোছাচ্ছে। জয়ন্ত বললে---ছবি, আমি একটু বেরোচ্ছি। ও'বাড়িতে ঘোষ বাবুর শরীরটা ভালো নেই। একটু চেক করতে হবে।  *** জয়ন্ত বেরিয়ে যাবার পরে পরেই অংশু ঘরে ঢুকল। বাবার গাড়ি গ্যারেজ করা আছে অথচ বাবা নেই দেখে ছবি মাসিকে জিজ্ঞেস করলে---ছবি মাসি, বাবা কোথায় গো? ---ও' বাড়ির বাবু অসুস্থ গো। দেখতে গেছেন দাদা।  অংশু মনে মনে বললে; অসুস্থ না ছাই। বাবার আর মিতা কাকিমার এই অসৎ সম্পর্কে সে বড্ড বিপর্যস্ত। কাঁধের কলেজ ব্যাগটা ছুঁড়ে ফেলল সোফায়। বসে রইল ঠায় হয়ে। গলা বাড়িয়ে দেখল ও'ঘরে বিট্টু-লাট্টু ঘুমোচ্ছে।  কোনো কোনো মুহূর্ত আসে অকস্মাৎ। যা হয়ত কোনো ব্যক্তি, পরিবার, রাষ্ট্র বা বিশ্ব সংসারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। একটা মহাযুদ্ধ ঘুরিয়ে দিয়েছিল পৃথিবীর মোড়। ঠিক যেমন চাকা বা আগুনের আবিষ্কার। অংশুর পরিবারের সব কিছু বদলে এক ভাঙনকাল সুচিত হল আকস্মিক তার মা সুচিত্রা দাশগুপ্তের আগমনে।  অংশু দেখল মা এসে গরমে ঘেমে নেয়ে শাড়ির পিন খুলছে। আর ছবি মাসিকে বলছে---ছবি, বিট্টু-লাট্টু ঘুমোলো কখন রে?  ---আর বলো না বৌদি। কত ভুলিয়ে ভালিয়ে তবেই না ঘুমোল। আমার ছেলেটাও এমন দুষ্টু না গো।  মা হাসলো। অংশুর দিকে তাকিয়ে বলল---কি হল, তোর কলেজ আজ তাড়াতাড়ি ছুটি হয়ে গেল যে?  ---ছুটির পর প্রথম দিন বলেই। এমনিতে রেইনি ডে বলে কেউ একটা আসেনি।  মা সায়া ব্লাউজ পরে ঝটপট পাতলা একটা সুতির শাড়ি চাপিয়ে চলে গেল বিট্টু-লাট্টুর ঘরে। অংশু বুঝতে পারলো মা বোধ হয় মেইন গেট খোলার সময় লক্ষ্য করেনি বাবার গাড়ি গ্যারেজ করা আছে।  ছবি বেরিয়ে যাবার সময় মায়ের ঘরে গিয়ে বললে---বৌদি আমি আসি গো। পাশের ঘরে বাবু বোধ হয় খুব অসুস্থ। দাদা দেখতে গেছে সেই, এখনো ফেরেনি।  ---ও মা! অংশু তোর বাবা এসেছে নাকি? অংশু কোনো উত্তর করল না। গুম মেরে বসে রইল। মা শাড়িটা বুকের থেকে নামিয়ে ঘুমন্ত লাট্টুকে কোলে তুলে নিলে। মায়ের গায়ের গোলাপি ব্লাউজটা ঘামে ভিজে গেছে। ঐ ব্লাউজের একটা হুক খুলে সাদা ব্রেসিয়ারটা তুলে ধরল নরম বাম স্তনের ওপর। মায়ের সারাদিন কলেজ করা গরমে ঘেমে নেয়ে থাকা ফর্সা পেট আর স্তন উন্মুক্ত অংশুর সামনে।  লাট্টু ঘুম চোখেই স্তনের বোঁটার উপর মুখ চেপে চোয়াল নাড়াতে লাগলো। মা বলল---অংশু, তোর বাবাকে একটা ফোন কর দেখি, নির্মল দা'র কি হল কে জানে!  অংশু গম্ভীরভাবে বললে---বাবা মোবাইল ফোন রেখে গেছে।  লাট্টু চোখ বুজে চুকচুকিয়ে দুধ টানছে। মায়ের স্তনটাও যেন টানের সাথে ফুলে উঠছে অনবরত। খানিকবাদেই স্তনটা পাল্টে দিল মা। অংশু দেখল মা শুধু লাট্টুকে দুধ খাওয়াচ্ছে, বিট্টুকে নয়। সে অঘোর ঘুমে। ওর ঘুমন্ত পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে মা।  লাট্টুকে বুকের দুধ দিয়ে ও' যেখানে ঘুমিয়ে ছিল সেখানেই শুইয়ে দিয়ে ব্লাউজের হুক আঁটলো মা। তারপর শাড়িটা ঠিক করে নিয়ে বলল---নাঃ, একবার দেখে আসি নির্মল দা কেমন আছেন।  অংশু টের পাচ্ছে বিনা মেঘে এক তীব্র বজ্রপাতের মুহূর্ত। এমন অবস্থায় মাকে আটকানো দরকার নাকি যা হচ্ছে হোক, মা জানুক তার স্বামীর অপরাধ। অংশু বুঝতে পারছে না কি করবে সে। তার সামনে দিয়ে মা সিঁড়ি ভেঙে চলে যাচ্ছে নীচে। অংশু নিশ্চুপ। কিচ্ছু ভালো লাগছে না তার। ***
Parent