বিদেশে: জীবন গঠনের উদ্দেশ্যে - অধ্যায় ১

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70781-post-6054135.html#pid6054135

Posted on Fri Oct 10 2025 by Ranaanar (Profile)

418 words / 2 min read

Parent
গ্র্যাজুয়েশনের পর আরও হায়ার স্টাডির জন্য বিভিন্ন দেশে পড়ার সুযোগ খুঁজতে খুঁজতে দক্ষিণ গোলার্ধের একটি দ্বীপ রাষ্ট্রে সুযোগ এসে গেল। ভারি আনন্দ । কিন্তু ভাবলাম ওই দেশে গিয়ে থাকা। কিন্তু যাই হোক সুযোগ যখন এসেছে। পরদিন আমার বন্ধু শৈবালের বাড়ি গেলাম। রবিবার  শৈবালের বাড়িতে ওর বাবা রঞ্জন  মেশো আর মা নন্দিতা মাসী ও ছিল। দেখা গেল শৈবাল ও কদিন বাদে মার্কিন দেশে চলে যাবে পড়তে। আমিও আমার কথা বললাম। ওরাও বেশ মর্ডান পরিবার। নন্দিতা: আরে আমরাও তো চলে যাব অস্ট্রেলিয়া । তোর মেশোর তো পোস্টিং ওখানেই। তা তুই কবে যাবি? আমি: পরের মাসে। দেখা গেল শৈবাল চলে যাবার পরদিনই ওর বাবা মা চলে যাবে। অদ্ভুত ভাবে যেখানে ওরা যাবে আমার ইউনিভার্সিটি ও সেই কাছাকাছিই । রঞ্জন: শোন। আমি: বলো। রঞ্জন: তুই আমাদের ওখানেই আসিস। কদিন পরেই ওরা চলে গেল যে যার গন্তব্যে। আমি তোড়জোড় করতে লাগলাম বিদেশ যাওয়ার । অবশেষে একদিন বেলা তিনটেতে পৌঁছালাম ওদেশে। যথারীতি আমাকে রিসিভ করার জন্য নন্দিতা মাসী এয়ারপোর্টে ছিল। নন্দিতা: চল। নন্দিতা মাসী এমনিই আধুনিকা। টপ আর জিনস পরে এসেছে। সুন্দর লাগছে। শুনলাম ওরা যে বাড়িটা কিনেছে সেটা খুব ফাঁকা জায়গায় । আমি: আমার থাকার কোন জায়গা দেখে রেখেছো? নন্দিতা: হ্যাঁ হয়ে যাবে চল। গাড়ি তে প্রায় দু ঘন্টা । রাস্তায় যেতে যেতে আমাকে যে ইউনিভার্সিটিতে যেতে হবে সেটা দেখলাম। তার পরে আর পনেরো মিনিটের মধ্যে ই ওদের বাড়ি । স্বাভাবিক ভাবেই ওদের বাড়ি গেলাম। একটু বসতে না বসতেই রঞ্জন মেশো এসে হাজির । রঞ্জন: কখন এলি? আমি: এই আধ ঘন্টা । কিন্তু মেশো রঞ্জন: বল। আমি: আমার থাকার ব্যবস্থা কোথায়  হবে? হোস্টেলে কথা বলে রেখেছো? রঞ্জন: আর হোস্টেল। নন্দিতা: কেন কি হল? রঞ্জন: ও এখানেই থাক। নন্দিতা: কি হল? রঞ্জন: শোন, কোম্পানির ইমার্জেন্সি । আমাকে কালকেই ইংল্যান্ড চলে যেতে হবে বেশ কয়েক বছরের জন্য । তুমি আর একা কি করবে। রানা এখানেই থাক। ওর কলেজ ও বেশী দুর নয়। নন্দিতা: বোঝ। তাই হোক তাহলে। পরদিন রবিবার আমরা সন্ধ্যাবেলা একটা রেস্টুরেন্ট এ ডিনার করে রঞ্জন মেসোকে এয়ারপোর্টে ছেড়ে বাড়ি এলাম। ভালো ই হল আমার থাকার জায়গা টা একদিকে ভালোই। এমনিতেই দেশটায় লোক কম। আমরা যেখানে থাকতাম সেখানটায় দু তিনটে বাড়ি । শান্ত পরিবেশ। আমি পরদিন কলেজ শুরু করলাম। দুদিন পর নন্দিতা মাসী ও একটা চাকরি পেল। ডিউটি দশটা থেকে পাঁচটা। আমি কলেজ যেতাম নন্দিতা মাসী কাজে আবার দুজনে প্রায় একসাথে ফিরতাম। দুজনে বেশ চলছিল। কলকাতায় থাকতে একরাত নন্দিতা মাসীর বাড়ীতে ছিলাম। সেদিন দুজনের একটা শারীরিক সম্পর্কও হয়েছিল( 'নন্দিতা মাসী' গল্প দ্রষ্টব্য)।  কিন্তু যাই হোক। সেই ব্যাপারটা আমরা কেউ ই আর কথার মধ্যে আনিনি। যে যার মত, কিন্তু একসাথে থাকছিলাম। সন্ধ্যার সময় পড়তাম। রাতে একসাথে টিভি দেখতাম আর রাতে খেয়ে দুজনে দু ঘরে ঘুমোতাম।
Parent