ছায়ার আড়ালে আগুন -Crime Thriller [Part-3: অন্ধকারের অধিশ্বর] - অধ্যায় ২২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71326-post-6231210.html#pid6231210

🕰️ Posted on Thu Jun 04 2026 by ✍️ indonetguru (Profile)

🏷️ Tags:
📖 329 words / 1 min read

Parent
গল্প: "ছায়ার আড়ালে আগুন" (পার্ট-৩: অন্ধকারের অধীশ্বর)  দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ: নমিনেশন পর্ব সকাল ৯:৩০। টালিগঞ্জের বড় বাংলো থেকে বেরিয়ে পড়েছে এক বিশাল মিছিল। সামনে দুটো খোলা জিপে জোরে জোরে ঢোল বাজছে, মাইকে গান বাজছে — “মা বিন্দুবালা জিন্দাবাদ… গণ একতা পার্টি জিন্দাবাদ…”। পিছনে আরও কয়েকটা গাড়ি ও মোটরবাইক। বিন্দুবালা দেবী তার গাঢ় মেরুন বেনারসি শাড়ি পরে একটা সাদা অ্যাম্বাসাডর গাড়িতে বসে আছেন। তার পাশে ব্রজদাসী। বিন্দুবালার বিশাল কালো শরীর আজ আরও জাঁকজমকপূর্ণ। শাড়ির আঁচল তার ভারী স্তনের উপর টানটান হয়ে আছে। কপালে বড় মেরুন টিপ, চোখে গাঢ় কাজল, ঠোঁটে লাল পানের রস। হাতে সোনার বালা ঝমঝম করছে, পায়ে নুপুরের শব্দ মিছিলের ঢোলের সাথে মিশে যাচ্ছে। মিছিলটা নির্বাচন অফিসের দিকে যাচ্ছে। রাস্তার দুপাশে লোকজন জড়ো হয়েছে। কেউ হাত নাড়ছে, কেউ অবাক হয়ে দেখছে। বিন্দুবালা গাড়ির জানালা দিয়ে হাত নাড়ছেন, মুখে বিজয়ের হাসি। নমিনেশন ফাইল করার পর ফেরার পথে মিছিল আরও জমে উঠল। বিন্দুবালা গাড়ি থেকে নেমে আবির খেলতে শুরু করলেন। লাল আবির তার কালো চকচকে শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে। তার সাগরেদরা আর ভাড়া করা সমর্থকেরা নেচে নেচে চিৎকার করছে — “বিন্দু মা জিন্দাবাদ!” বিন্দুবালার থলথলে পাছা নাচার সাথে সাথে দুলছে, তার ভারী স্তন লাফাচ্ছে। পুরো রাস্তা লাল আবিরে ভরে গেল। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামল। বাংলোর ছাদে বিন্দুবালা বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। হঠাৎ তার ফোন বেজে উঠল। নির্বাচন অফিস থেকে ফোন। “ম্যাডাম, আপনার নমিনেশন বাতিল হয়ে গেছে। আপনি ২ বছরের বেশি জেল খেটেছিলেন চুরির মামলায়। নিয়ম অনুসারে আপনি নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না।” ফোনটা কেটে যেতেই বিন্দুবালার মুখ কালো হয়ে গেল। তিনি চিৎকার করে উঠলেন। তার বিশাল শরীর কাঁপছে রাগে। ঠিক তখনই অংশুমানের ফোন বেজে উঠল। স্ক্রিনে বিন্দুবালার নাম। অংশুমান ফোন তুলতেই ওপাশ থেকে রাগত, গর্জনের মতো গলা ভেসে এল: “অংশু! আমার নমিনেশন বাতিল হয়েছে! তুমি যেখানেই থাকো, এখনই আমার বাড়িতে চলে এসো। কী করা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা করব। এখনই!” ফোন কেটে গেল। অংশুমান ফোনটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইল। তার মনে একটা ভয় ও অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়ল। বিন্দুবালা রেগে গেলে কী করতে পারে, সেটা সে ভালো করেই জানে। সে উঠে পড়ল। রুবিনাকে কিছু না বলে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ল বিন্দুবালার বাংলোর উদ্দেশ্যে।
Parent