চন্দ্রকান্তা - এক রাজকন্যার যৌনাত্মক জীবনশৈলী - অধ্যায় ১০২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-34178-post-4856978.html#pid4856978

Posted on Wed Jun 29 2022 by bourses (Profile)

383 words / 2 min read

Parent
এ বাবা... আমাদের মধ্যে আমার এই সব ক্ষমা টমা ব্যাপার আছে নাকি... তোমার মনের মধ্যে যেটা এসেছে, সেটা বলেছ... সে অধিকার তো তোমার আছে আমার উপরে... নিজেই তো বলেছ যে আমায় লিখতে বা বলতে তোমার হাত কাঁপে না... তাহলে এ সব আসছে কেন? হ্যা... এটা ঠিক... আমরা এই দ্বাবিংশ শতকে দাঁড়িয়েও এখনও মানসিক দিক দিয়ে এখনও সেই উচ্চতায় পৌছাতে পারি নি... আমরা আমাদের মুঠোফোনে বা ল্যাপটপে লুকিয়ে লুকিয়ে পানু দেখি... দেখি দুটি নারী পুরুষের সঙ্গম দৃশ্য... দেখি বাপ মেয়ে, বৌদি দেওর, শ্বশুর বৌমা, ভাই বোন, মা ছেলের মধ্যে রগরগে দৃশ্যগুলো... দেখি আর আনন্দ পাই... কখন সখনও হয়তো নিজেদেরকে ওই চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রস্থাপন করে সুখ ভোগ করি... ভালো লাগে দুটি নারীকে এক সাথে বিছানায় মৈথুনরত দেখতে... কিন্তু যখনই সে সবের থেকে একটু আলাদা কিছু চোখে সামনে ভেসে ওঠে... যেটা আমাদের ছোটবেলা থেকে আমাদের মনের মধ্যে পোষন করে দেওয়া হয়েছে... তখনই আমাদের নাঁক শিঁটকে ওঠে... গা গুলিয়ে ওঠে... মনে হয় কি অসম্ভব ঘৃণ্য এ দৃশ্য... আমরা একটি নারীকে ধর্যিত হতে দেখেও এতটা ঘৃণা পোষন করি না বোধহয়, যতটা একটি রূপান্তরকামীকে দেখে করে থাকি... এদেরকে গাড়ির মধ্যে থেকে দু-দশটাকে হাত বাড়িয়ে ছুঁড়ে দেওয়া যায়, কিন্তু এদের সমাজে স্থান দেওয়া... উফফফ...সেটা তো কল্পনারও অতীত... কারন আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে চিন্তাশীল জাত... আমরা জগতের যত প্রানীকুল আছে, তাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ... তাই সহজেই এদেরকে আমরা ঘৃণা করতে পারি... দূরে সরিয়ে দিতে পারি অবলিলায়... ভাবতেই পারি না যে এদেরও মন বলে কিছু থাকতে পারে... এদেরও ইচ্ছা জাগতে পারে একটা সংসার... একটা পরিবার হোক... কেউ এদেরকেও ভালোবাসুক... তাই আমরা এদেরকে একটা নামই দিয়ে দিয়েছি... 'হিজড়ে'... যাদের কোন আকাঙ্খা থাকতে নেই... যাদের কোন আত্মিয় থাকার অধিকার নেই... অথচ... অথচ এই সুসভ্য সুশিক্ষত দেশটার গন্ডি পেরিয়ে একটু বাইরের জগতে উঁকি দিলে কিন্তু এই বৈরতা, এই সঙ্কোচ কোথাও চোখে পড়ে না... কি অদ্ভুত অবলিলায় সাধারণের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তারা এই জগতের একজন হয়ে বিরাজ করছে... সেখানে তাদের কোন অসন্মান নেই, কোন কুন্ঠা নেই ভালোবাসা প্রকাশের... সেখানে তারা শুধু মাত্র মানুষ... আর পাঁচটা অন্যান্য সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মতই... আসলে কি বলো তো... এত কিছু এদের নিয়ে মাথা ব্যাথার সময়ই নেই কারুর... তাই বোধহয় এতটা পার্থক্য তাদের সাথে আমাদের... আমরা আমাদের পাঁচ হাজার বছরের ঘীয়ের গন্ধ হাতে শুঁকতেই ব্যস্ত থেকে যাই সারা দিন... অথচ এটারই সম্পূর্ন উল্টো গল্প হওয়া উচিত ছিল আমাদের সমাজে... আমরা মহাভারতে অর্জুনের বৃহন্নলা হতে দেখে খারাপ ভাবি না... কিন্তু চোখের সামনে সত্যি কারের জীবন্ত বৃহন্নলা দেখলে নাঁক শিঁটকে তাকাই... এই আর কি...
Parent