হারামির হাত বাক্স - অধ্যায় ১২
(From previous)
- তাতে একটা সমস্যা আছে। আমি তো, খুব বেশী হলে সপ্তাহে একদিন। তার চেয়ে এখানকার কেউ হলে ভালো। দিনে-রাতে যখন খুশি খেতে পারবে। কেউ আছে নাকি তোমার পছন্দের।
- আমার পছন্দের কে আর থাকবে? সবই তো এখানকার লোকজন। কে, কাকে, কখন বলে দেবে।
- তাহলে উপায়? — মা-য়ের পেটে হাত বোলাতে বোলাতে বলি।
- আমার সেবা করার মতো এক লালু আছে। ওকেই মাঝেমধ্যে বলি একটু হাতে-পায়ে তেল দিয়ে দিতে। সেতো বাচ্ছা ছেলে!
- বাচ্ছা! বাচ্ছা মানে? বয়েস কতো?
- জানিনা বাপু! আমি কি ওর নাড়ি কেটেছি নাকি? ঝাড়খণ্ডে বাড়ি। ভিক্ষে করতে করতে বর্ধমানে আমাদের বাড়িতে যখন এসে পৌঁছেছিল, তখন আর কতো বয়েস হবে? দশ/বার/পনেরো জানিনা বাপু। সে আজ পাঁচ/ছ বছর আগের কথা। তবে হ্যাঁ, ভালোমন্দ খেয়ে গতরে জোর হয়েছে। তবে হাত-পা গুলো কাঠিসার।
(লালুর পরিচয় দিয়ে দিই আপনাদের, না হলে বুঝতে অসুবিধে হবে। ওর দেশের বাড়ি বাবাধামের কাছে। কেউ নেই। ভিক্ষে করতে করতে এখানে আসে। মা-য়ের দয়ার শরীর। নিজের কাছে রেখে দেয়। সে আজ ৫/৬ বছর আগের কথা। বিহারি ছেলে নাম পেয়ারেলাল। আমরা লালু বলেই ডাকি। মা-য়ের খুব ন্যাওটা। সারাক্ষণ মা-য়ের চারপাশেই থাকে।
এখনো নিশ্চয়ই বাইরে ঘুরঘুর করছে। আমি ঘরে আছি বলে ঢুকছে না। নাহলে, এতক্ষণ ঘরে ঢুকে মা-য়ের পা টিপতে বসে যেতো।)
- একবার ডাকো বা। দেখি কতটা বড় হয়েছে।
- লালু, এই লালু! ঘরে আয়। দাদাবাবু ডাকছে!
ঠিকই ভেবেছিলাম। আশপাশেই ঘুরঘুর করছিলো। মা ডাকতেই ঘরে এসে ঢুকলো। খালি গা, নাকের নিচে হালকা গোঁফের রেখা। একটা ঢলঢলে ব্যাগিস পরা। ঘণ্টাটা বড়ই মনে হচ্ছে। প্যান্টের ভেতরে লটরপটর করছে।
- কি রে লালু? এতক্ষণ কোথায় ছিলিস। মা-কে মালিশ করতে হবে না?
- দাদাবাবু, আমি তো দরজার বাইরেই দাঁড়িয়ে আছি মাইজি কখুন ডাকবে বলে। দরজাটা বন্ধ ছিলো। হামি ভাবলাম আপুনি কোন জরুরি বাত করছেন।
- এদিকে আয়। এই ক্রিমটা দেখছিস, এটা এক সাধু বাবা দিয়েছে। এটা দিয়ে মাইজিকে নাঙ্গা মালিশ করতে হবে। কিন্তু, কোই জানানা করলে হবে না। অব আদমি কাঁহা সে মিলে? তু কর সকে তো আচ্ছা হোগা।
তু পারবি মাইজিকে নাঙ্গা মালিশ করতে
✪✪✪✪✪✪
Click for next
Time stamp 07:38\\07/06/2024
26,670