জানভিরার গল্প - অধ্যায় ১২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-14991-post-822254.html#pid822254

Posted on Sun Sep 01 2019 by manas (Profile)

437 words / 2 min read

Parent
রুশী ________________________________________ বিভিন্ন দোকান খুজতে খুজতে হঠাৎ একটা দোকানে পেয়ে গেলাম আন্টির প্রিয় পারফিঊম “গুচি ফ্লোরা” দাম চাইলো দুই হাজার টাকা। দিতে আপত্তি নাই বাইরে এটার দাম চল্লিশ ডলার সেই হিসাবে তিন হাজার হয়। আমার প্রশ্ন এটার দাম এত কমই বা কেন? আর সেটা অরিজিনাল হবে কিনা। অরিজিনাল পারফিউম চেনার এক্মাত্র উপায় আমার এক দোকানদার বন্ধু শিখিয়ে দিয়েছিল। সেটা হলো পেরফিঊম এর যে ক্যাপ থাকে সেটা আর বোতলের গায়ে লক্ষ্য রাখতে হবে বহুদিন ব্যবাহার এর ক্র্যাচ আছে কিনা। আমাদের দেশে এগুলো হয়। পুরনো বোতলে নকল পারফিউম ঢুকিয়ে রাখে। এক্ষেত্রে দেখার কোন সুজোগ নেই। কারন পুরো বোতলটি সীল করা প্যাকআপ। দাম দিয়ে জিগ্যেস করলাম – এত কম কেন ? ইগ্যু একজন বাইরেরথন লইয়া আইচলা, আমরার কাছে বেচি লাইছুইন। -অহ দাম দিয়ে মনে হলো এটা তেমন কোন উপহারই নয়। আরও কিছু দেওয়া যেত। আমি আন্টিকে জিগ্যেস করলাম -আর কি নিবেন আন্টি। কিচ্ছু না, চল চল দেরী হয়ে যাচ্ছে। কফি খেয়েই আমরা দৌড় লাগাবো। আমি জোর করে দাঁড়িয়ে থেকে আন্টির জন্য জরডানা ব্রান্ডের বয়স্ক মহিলাদের জন্য ফেস কসমেটিক্স বক্স “জরডানা লাইট” নিলাম। “আরে বাবা আমি তো সাজিনা তেমন।“ -এটা দিয়ে বেশী সাজা যায় না, হালকা। ইউ উইল বি লুকিং ওয়ান্ডারফুল উইথ লাইট মেকআপ।–আবারো আমাকে বাবা বলার কারনে আমি হোচট খেলাম। আলহামরা শপিং থেকে বের হয়ে আমরা জিন্দাবাজার মোরে। সিলেট সিটি করপোরেশান এর মার্কেট “সিটি শপিং সেন্টার” এর টপ ফ্লোরে স্পাইস গার্ডেন এ এলাম। উদেশ্য কফি পান করবো। লিফট এ উঠে আমি সোজা বামে শেষ মাথায় কাচের দেয়াল এর সাথে হাফ ওয়াল তোলা কেবিন এর একটাতে বসে গেলাম। উদ্দেশ্য এখান থেকে আকাশ, দিগন্তসীমা দেখবো। ওয়েটার একটার জায়গায় পাঁচটা এসে দাড়ালো। কারন এখন কাস্টমার নেই বললেই চলে। তারচেয়ে মনে হলো আন্টিকে দেখেই তারা অন্য টেবিলে রেখে এখানে এসেছে। দূরে অল্প বয়সী দুই জোড়া ছেলে মেয়েকে দেখলাম। সম্ভবত কলেজ বা ভার্সিটি পড়ুয়া। ওয়েটাররা মনে হলো আন্টিকে তেতুলের আচারের মত উপভোগ করে গিলে খাচ্ছে। আমি ধমক দিতে পারতাম, তা না করে ডিপ্লোমেটিক ওয়েতে বললাম -কি!! পাঁচটা অর্ডার কি পাঁচজনকে দিব। সবগুলোই এবার একটু লজ্জা পেল। সম্ভবত যার সার্ভ এর দায়িত্ব্ব সে বাদ বাকীদেরকে ইশারা দেওয়ায় একটু লজ্জা নিয়ে চলে গেল। স্রেফ দুই কাপ কফি। আর ভাই শুনেন উই উইল স্টে হেয়ার জাস্ট ফর টেন মিনিটস, নো মোর অর্ডার নো, মোর কয়রিজ, ওকে?? আমার কথার অর্থ বোধ হয় ওয়েটার ছেলেটি বুঝতে পেরেছে। সলজ্জ ভাবে বলল। -ওকে স্যার। এবার আমি আন্টির দিকে তাকালাম। বেশ কিছুক্ষন হাটাহাটির কারনে । কপালের দুপাশে হালকা ঘামের অস্তিত্ব। এখনো তার মাথায় স্কার্ফ দেওয়া । ওয়েটার ছেলেটা এদিকের এসি ছেড়ে দেয়নি। আমি আন্টির দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে পিছনে একজন ওয়েটার কে ইশারায় এসিটা দেখালাম। সে ঊঠে ম্যানেজার এর কাউন্টার থেকে এসির রীমোর্ট টা এনে এসিটা ছেড়ে দিল।আমি আবার ও নিশ্চুপ দৃষ্টিতে কাচের ভেতর দিয়ে মীরের ময়দানের উপর দাঁড়িয়ে ঊঠা বাড়ীঘর দেখতে লাগলাম।
Parent