কাকোল্ড বন্ধু ও তার স্ত্রীকে রক্ষা করা【আপডেট ৮】অন‍্যভূবন মিশন সিরিজ - অধ্যায় ৮

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-58590-post-5476063.html#pid5476063

Posted on Sun Jan 07 2024 by FreeGuy@5757 (Profile)

1517 words / 7 min read

Parent
পর্ব ৭ (জেসমিন))) আকাশ:-কেনো তোমার বন্ধুরা কিছু বের করতে পারেনি? অঙ্কুর:-আমার সাথে ন‍্যাকামী করবিনা ,কে তুই বল তা না হলে... আকাশ:-গুলি করবে নাকী হাঃ হাঃ হাঃ....... আমি ভয়ে ভয়ে আকাশরে কাধে হাত রাখলাম।কিন্তু আকাশ পেছনে ফিরে তাকালো না এক দৃষ্টিতে অঙ্কুরের চোখের দিকে তাকিয়ে শব্দ করে হাসছে সে। আকাশ:-অঙ্কুর তুমি বোকা নও এটুকু আমি জানি,চলো ভেতরে যাই কথা বলবো,তোমার জন্যে ফুলের তোরা এনেছি,জেসমিন ফুলটা দাও তো। অঙ্কুর:-না ,কোন কথা হবে না,আমার কাজে আমি কোন বাধ্য পছন্দ করি না আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না আকাশ ও রাজ একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে স্থির হয়ে আছে।আমি রাজের মুখে চাপা ভয়ের ছাপ দেখতে পারছি এবং অবাক হচ্ছি তার হাতে পিস্তল ভয় তো আকাশের পাওয়ার কথা! কিন্তু আকাশ হাসি মুখে দাড়িয়ে আছে। আকাশ:-তুমি এই কাজ অনেকদিন ধরে করছো অঙ্কুর, তোমার কি মনে হয় আমি একা এই সব করছি,ভেবে দেখো অঙ্কুর পুরোটাই সাজানো ,আমি কাচাঁ খেলোয়াড় না অঙ্কুর, অঙ্কুর:-..........(চুপ) আকাশ:-আই নো এভরিথিং অ্যাবাউট ইউ!হাহাহাহা আকাশের কথাটা শুনে রাজ যেন কিছুটা কেপে উঠলো,সেই সুযোগে তৎক্ষণাৎ আকাশ রাজের হাতটা তার বাম হাত দিয়ে দরজার বাম পাশের দেয়ালে ধরে ডান হাতে সজোরে ঘুসি মারলো রাজের কব্জিতে । রাজের হাতথেকে পিস্তলটা মেঝেতে পড়ে যেতেই আকাশ ডান পা দিয়ে সজোরে একটা লাথি মারলো রাজের পেটে। লাথি খেয়ে রাজও কিছুটা দূরে মেঝেতে চিত হয়ে পরে গেলো। তারপর আকাশ মেঝে থেকে ডান হাতে পিস্তল ও বাম হাতে ফুলের তোরাটা তুলে নিয়ে বলতে লাগলো। আকাশ:শুধু শুধু নিজের হাত পা না ভেঙ্গে চলো ভেতরে গিয়ে কথা বলি।তোমার কান্ড দেখে বেচারা রামলাল বাবুও ভয় পেয়ে গেছে। ******* সোফায় এক পাশে রাজ ও রামলাল, অন‍্যদিকে আকাশ ছোট্ট একটা পাথরের মূর্তি হাতে নিয়ে তা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে টেবিলে রেখে বললো আকাশ:-বিদেশি? রাজ/রামলাল.............(চুপ) আকাশ:-প্রশ্নটা আপনাকে করেছি মিস্টার রামলাল? রামলাল:-....আপনি কী চাইছেন বলুন তো!! আকাশ:-আপনার কী মনে হয়? রামলাল:-টাকা !! আকাশ:-হাহাহাহা.. হাহহ... টাকা তা কত অফার করছেন? রামলাল:-....(চুপ) রাজ:-যা বলবি খুলে বল নাটক করবি না আকাশ:-উহ্ অঙ্কুর আমি নাটক করছি না টাকা আমি নেবো অবশ্যই নেবো ।তোমরা এতদিন ধরে দুই টা সহজ সরল গৃহবধূর দেহ উপভোগ্য করলে, তারওতো একটা মূল্য আছে তাইনা, কী বলো জেসমিন? আকাশ তার বাঁ হাতটা বারিয়ে আমার ডান হাতে ধরে একটা হেঁচকা টানে তার বুকে জরিয়ে কপালে চুমু খেলো।তারপর আমাকে ঘুড়িয়ে শাড়ির ফাক দিয়ে তার বাঁ হাতটাঢুকিয়ে আমার কোমড় জরিয়ে ধরলো। জেসমিন:-আকাশ প্লি..... আকাশ:-শশস্ কোন কথা হবে না ।তো কি ভাবলেন রামলাল:-আমি দশ লক্ষ টাকার একটা চেক লিখেদিছি নিয়ে যান,আমি কোন ঝামেলা চাই না আকাশ:-দশ লক্ষ! মিস্টার রামলাল আপনি কী জেসমিনকে রাস্তার সস্তা মাগী বা বেশ‍্যা ভাবছেন নাকি,(আকাশ কথা বলতে বলতে তার ডান হাতে ধরে থাকা পিস্তলের মাথাটা জেসমিনের ডান পাশের কপালে ঠেকিয়ে, আস্তে আস্তে জেসমিনের গাল বেয়ে নামিয়ে চিবুকের নিচে এনে, পিস্তলের মাথাটা দিয়ে ঠেলে, জেসমিনের নিচু করে থাকা মাথাটা কিছুটা উপরের দিকে তুলে দিলো) মীম ও জেসমিন আমার সম্পত্তি কোন রাস্তার মাল নয়..... রাজ:তোর সম্পত্তি!তুই আমার জিনিসে হাত দিয়েছিস,খুব জলদি জানতে পারবি এই অঙ্কুঅ্ণ্ণ্ণ্ণ্ঘ আকাশ জেসমিন কে সরিয়ে রাজের দিকে এগিয়ে গিয়ে তার বাম হাতে রাজের চোয়াল ধরে সোফা থেকে রাজকে ওপরে তুললো। আকাশ:-তোকে ভালো মতো চেনার জন্যেই তো এসেছি।(রামলালের দিকে তাকিয়ে) মিস্টার রামলাল আপনি মিমকে একটা ফুলদানী দিয়ে ছিলেন ওই রকম ফুলদানি আরো আছে আপনার কাজে? এতখন যা হয়েছে তাতে রামলাল বেচারা সোফার এক কোনায় গিয়ে বলা যায় গুটিসুটি মেরে বসে রয়েছে,তার চোখ আকাশে ডান হাতের দিকে,আকাশ ডান হাতে পিস্তলটা রাজের মুখে ঢুকিয়ে দিয়ে রামলালের দিকে তাকিয়ে কথা বলছিলো। আকাশ:- কি হলো আছে আপনার কাছে! রামলাল:-মা-মা-মান্নে ক-ক-কোনটা আকাশ:নীল রঙের,ছোটখাটো একটা ফুলদানি মাস দুই এক আগে দিয়ে ছিলেন মনে নেই! রাজ দুহাতে আকাশে হাতে ধরে নিজে ছারানোর ব‍্যর্থ চেষ্টা করছিল। আকাশ রাজে মুখে থেকে পিস্তলের মাথাটা বের করে তাকে সোফায় ধাক্কায় দিয়ে ফেলে দিলো।তারপর রামলালের দিকে তাকিয়ে বললো আকাশ:-একটু খোজ নিয়ে দেখবেন আমি আবার আসবো এটুকু বলে আকাশ আমার দিকে এগিয়ে এসে আমার বাম হাত থেকে ফুলের তোরাটা নিয়ে পাশের ছোট্ট টেবিলটায় রেখে, আমার ডান হাতধরে টেনে বাইরে নিয়ে...... ****** পার্কের একটা গাছের নিছে বসেআছি কিছুটা দূরে আর একটা গাছের নীচে খুব কাছাকাছি বসে আছে এক জোড়া তরুণ-তরুণী মনে হয় প্রেম অলাপ করছে তারা ।ওদের দেখে অভি ও আমার প্রেমের শুরুর দিকের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল।আমি গাছের গায়ে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে অভি ও আমার প্রেমের সেই দিনগুলোর কথা মনেকরতে লাগলাম। গিটারের সুর কানে আসতেই চোখ খুলে দেখলাম।আকাশ কিছুটা দূরে কয়েকটা ছেলেমেয়ের সাথে বসে গান করছে।তার হাতে গিটার ,কিছুক্ষণ আগে পিস্তল হাতে লোকটা যেনো এখন একদম পাল্টে গেছে।এ যেনো সম্পূর্ণ আলাদা একজন...গানটা বেশ ভালোই লাগছে তার গলায়- "When the fire's burned out,, "And every wall is torn down,, "Everywhere we look round,, "There's no one left to blame,, "Once the smoke has passed through,, "Streets of broken glass we'll,, "Look through all the ashes,, "And see in the remains,, "If love still has a place If love still has a place" (((মিম))) আজ প্রায় চারমাস পরে রাজিবের সঙ্গে এতোটা সময় কাটিয়েছি।প্রথমে অনেকটা সময় দুজনেই নীরব থাকার পরে রাজিব প্রথম কথা বলে।আজ সব খুলে বলেছি রাজিবকে ,সেও সব খুলে বলেছে কিন্তু রাজিবের শেষের কথাটায় চমকে উঠেছিলাম আমি।আকাশ লোকটা নাকি আমাকে তার বেশ‍্যা বানাতে চায় আর রাজিব এতে রাজি ।মানে কি!রাজিব কী বলছে তা কি রাজিব বুঝতে পারছে।এতদিন পরে কাছে পেয়েও আবারও হারাতে হবে রাজিবকে, না না এটা অসম্ভব আমি কিছুতেই এটা মানবো না কিছুতেই না। কলিং বেল বাজছে এখন সন্ধ্যা আকাশের আশার কথা। আকাশ:-রাজিব অভি এসেছে? রাজিব:-না দেরি হবে আকাশ:-মিম কী হয়েছে তোমার?মুখ কালো করে বসে আচ্ছো কেনো হু্ মিম:-আপনি বেরিয়ে যান আমি আপনাকে দেখতে চাই না,বেরিয়ে যান আপনি আহহহ্ আকাশ:-তাই !!এতো রেগে আছো কেনো সুন্দরী ( আকাশ এগিয়ে গিয়ে তার ডান হাতে মিমের চোয়ালে ধরে ঠেলে তাকে দেয়ালের সাথে চেপেধরে ধরে তারপর তার ঠোঁট নামিয়ে মিমের ঠোঁটে চুম্বন করে) মীম:-ম্ম্ম্....ছাড়ুন আমাকে রাজিব সব বলেছে আমাকে,আপনি আমাকে রাজিবের থেকে আলাদা করতে পারবেন না, কোনো মতেই.(আকাশ বাঁ হাতে মিমের উন্মুক্ত কোমড়ে নাভির কাছটা খাঁমচে ধরে) উহ্.. ননাহ্ আকাশ:- স্বামীর প্রতি ভালোবাসা উথলে পরছে দেখছি।হুম ভালো ,কিন্তু মিম তোমার বুঝতে ভুল হচ্ছে আমি তোমায় রাজিবের কাছে থেকে আলাদা করতে চাইছি না। মীম:-আহ্ ...ছাড়ুন প্লিজ আকাশ আমাকে ছাড়াতেই আমি তার থেকে দুরে সরে আসি।এমন সময় কলিং বেল বেজে উঠলো।রাজ দরজার পাশেই দাড়িয়ে ছিলো।দরজা খুলতেই অভিদা ঢুকলো ঘরে। ****** (((জেসমিন))) সবাই এক সাথে বসে আছি ধোয়া ওঠা কফির মগ হাতে।আকাশ কথা বলছে আকাশ:- তোর জন্যে অপেক্ষা করছিলাম।এই নে (আকাশ একটা পেনড্রাইভ রাখলো সোফার সামনে ছোট্ট কাচের টেবিলটায়) রাজিব:ভাইজান এটাতে কি আছে? আকাশ:মিম ও জেসমিনের ভিডিও আশা করি সবগুলোই আছে তবে সঠিক জানা নেই দেখে নে একবার তার পরে কিছু কথা বলবো অভি:-দেখতে চাইছি না,কি বলবি বল আকাশ:-রাজিব ,মিম তোমারা! রাজিব :আমি এই গুলো আর দেখতে চাই না ভাইজান এটা আপনার কাছে রাখুন। আকাশ:-আকাশ ঠিক আছে বুঝেছি,তো রাজিব মিমের সাথে কথা হয়েছে তোমার? রাজিব:-জ্বী ভাইজান হয়েছে আকাশ:- ভালো!এই দুদিন ধরে আমি এমন কিছু কাজ করেছি যা হয়তো তোমাদের ভালো লাগেনি (একটু থেমে যোগ করলো)বা ভালো লেগেছে কিন্তু বলতে পারছো না,তবে আমি সহজ ভাবে কিছু কঠিন কথা বলবো এবং তার জন্যে আমি মোটেই দুঃখিত নোই। আকাশ একটু থেমে একটা লম্বা নিশ্বাস নিয়ে আবার বলতে লাগলো। আকাশ:-আমি এই দুদিন কিছু পরীক্ষা করেছি যার ফললফল আজকে যানাবো রাজিব প্রথমে তোমার ও মিমে বিষয়ে আসি। আমি ডায়রী ও এই দুদিনে যতটা বুঝেছি তাতে নিরসন্দেহে বলা যায় তুমি মিমকে তোমার জীবনের থেকেও বেশি ভালো বাসো মিমকে তোমার পরিবার মেনে নেয়নি বলে তুমি সব ছেড়ে মিমকে নিয়ে এখানে চলে এসেছো তাই তো? রাজিব:জ্বী ভাইজান তবে আমি আমার পরিবারকে ভুলে যায় নি একদিন তারা নিশ্চয়ই মেনে নেবে মিমকে আকাশ:-তা নিয়ে কথা হচ্ছে না রাজিব,কথা হচ্ছে এতো কিছুর পরেও যখন মিমের তোমার সাহায্যের তোমার ভালোবাসার প্রয়োজন ছিলো সবচেয়ে বেশি তখন তুমি মিমকে দূরে সরিয়ে দিলে কেনো? রাজিব:আ-আমি...(রাজিব চুপ করে গেলো) আকাশ:-রাজিব তুমি সব টা জানো আর এটাও যানো যে মিমের আজকে এই অবস্থা তোমার জন্যে, তুমি মিমকে দূরে ঠেলে দিয়ে রাজকে সাহায্য করেছ মিমকে তার কাছে টানার,আর সেই সুযোগটা রাজ ভালো ভাবেই ব‍্যবহার করেছে।তোমার উচিৎ ছিল অভি যেমন জেসমিনের পাশে দাড়িয়েছে তেমন তেমনি ভাবে মিমের পাশে দাড়ানো। রাজিব:-ভাইজান আমি ভেবেছিলাম মিম রাজকে ভালো বাসতে শুরু করেছে তাই.. মিম রাজিবের পাশে বসে ছিল সে রাজিবের মাথার বাম পাশে তার ডান হাত রেখে রাজিবের মাথাটা তার দিকে ফেরায় মিম:- কিন্তু কেন রাজিব তুমি জানো আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি তার পরো রাজিব:-আমি ভুল করে ফেলেছি মিম আ-আমি... মিম রাজিবকে কিস করতে যাচ্ছিল আকাশ:দাড়াও দাড়াও এতো তারাহুরো কি আছে আগে আলোচনা টা আগে শেষ করি।...অঙ্কুর যাকে তোমরা রাজ নামে চেনো সে এক জন্য ভয়ঙ্কর ক্রিমিনাল যার কাজ প্রধান কাজ মেয়েদের সেক্স ড্রাগসের মাধ্যমে আস্তে আস্তে বিদেশে পাচার করার জন্যে তৈরি করা,এছাড়াও সে বিভিন্নভাবে লোকদের সাথে ধোকাবাজি করে তাদের সব সম্পত্তি ও অর্থ নিয়ে পথে বসিয়ে দিয়েছে অনেকই,এবার ওর টার্গেট জাহীদ খান! অভি:-কি বলছিস এসব? আকাশ:-যা বলছি সত্য কিন্তু প্রমাণের অভাব তাই বিশেষ কি করা যাচ্ছে না জেসমিন:-রাজিব!আমাকে পারলে ক্ষমা করে দিও তোমাকে আরো আগে বলা উচিৎ ছিল রাজিব:-এমন কথা বলছেন কেন ভাবী! আকাশ:-মিমকে ড্রাগস দেয়া হতো রাজিব,তবে চিন্তিত হবার মতো কিছু হয়নি, আমি গতকাল থেকে মিমের ওপড়ে ছোট ছোট কিছু পরীক্ষা করে দেখেছি মিম―তার মানে! আকাশ―মানেটা সহজ তোমার সাথে এই দুদিন আমি যে ব‍্যবহার করেছি তার জন্যে আমি দুঃখিত, তবে আমর মনে হয় সেক্স ড্রাগস তোমার ওপরে এখনো খুব একটা প্রভাব খাটাতে পারেনি। জেসমিন:-তার মানে গতকাল থেকে তুমি যা করছো তার সবটাই অভিনয়! আকাশ হাসি মুখে জেসমিনের দিকে তাকালো,তারপর আবার বলতে লাগলো আকাশ:-হয়তো বা অভিনয় হয়তো বা না। তবে এই দুদিনে তোমাকে চার জনের সেক্স ফ‍্যান্টাসি গুলো আমার জানা হয়ে গেছে। জেসমিন:-তার মানে কি বলতে চাইছো তুমি আকাশ:-বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে,এই আজ সকালের কথা মনে আছে তো? জেসমিন:-.....(চুপ) অভি:-তুই কি করতে চাইছিস আকাশ খুলে বল আকাশ:-দেখ অভি আমি মিথ্যে বলবো না আগে খাওয়া দাওয়া শেষ করি খুব খিদে পেয়েছে Continue....খুব জলদি আবারও শুরু করার ইচ্ছা আছে
Parent