মহাবীর্য্য ভাণ্ডার (নবকাহিনী শ্যামলবাবুর আখ্যান প্রকাশিত) - অধ্যায় ১০
হে বৃহস্পতি! মৃত তারার গল্পেরা বিচ্ছেদের সায়াহ্নে আজও প্রশ্ন করে, কালদিগন্তের ভরা তমসায় যখন রিক্ত আকাশের শেষের সে সুর বাজিয়াছিল, যখন প্রবল প্রাব্বৃটের তীব্র দাপটে ওই রক্তিম বাতাসের ক্লিষ্ট লহরীতে এক ম্লান বৃদ্ধ তাহার জ্বরাগ্রস্ত কম্পিত হস্তে অন্তিমের শঙ্খধ্বনি বাজাইয়াছিল, যখন নিঃস্ব জঠরে কোন এক জননীর স্তনদুগ্ধে এক সর্বহারার অভুক্ত বিষাদে বৃষ্টির ছায়ায় স্নেহকণারা বিন্দু বিন্দু স্বেদের ন্যয় বকুল হইয়া ঝরিয়া গিয়াছিল তখন, হে বৃহস্পতি! তখন আদি-অনাদিহীন ওই মহাবৃক্ষের একটি বাকল মহাবীর্য্য হইয়া জুপিটারের গান গাহিয়াছিল। সে গান কি তুমি শুনিয়াছিলে? যে গানের নিশীথে ওই তারাগুলি মরিয়াছিল তাহাদের অন্তিম জ্যোতিতে এক দেবশর্ম্মার শেষ হাহাকার কি তুমি শুনিয়াছিলে? হে বৃহস্পতি! তুমি কি ওই জুপিটারের কান্নায় মিশিয়াছিলে!
একটু কাব্য করিলাম আর কী! ধন্যবাদ বন্ধুবর। আজ এই খুশীর দিনে তোমারে আমার ভাণ্ডারে দেখিয়া আমি যারপরনাই আপ্লুত। প্রণাম লহিও।