মহাবীর্য্য ভাণ্ডার (নবকাহিনী শ্যামলবাবুর আখ্যান প্রকাশিত) - অধ্যায় ১৪
ভায়া তুমি দেখিতেছি, সাঙ্ঘাতিক নররূপী দেবতা! লোকে তেলাপোকাকে তেল অবধি দেয় না আর তুমি তাহাকে শুধুই যে রঙ দিয়াছ তাহাই নহে উপরন্তু বেগার খাটাইয়াও লহিয়াছ, এক পয়সা বেতন দাও নাই। ইহা কি শোষণ নহে? অন্ততঃ তেলা শোষণ তো বটেই। এইরূপ চলিলে শীঘ্রই কীটপতঙ্গ শ্রেণী তোমার বিরুদ্ধে স্ট্রাইক ঘোষণা করিয়া দিবে উহা বুঝিয়াছ কী!
তবে তোমার শিল্পী প্রতিভাকে বাস্তবিক কুর্ণিশ! এহেন বিরল ভাবনা এবং জীবনের এমন মর্মার্থ কয়জন তেলা থুড়ি তুলি দিয়া আঁকিতে পারে।
বাঁচিয়া আছি কহিতে পার, ভবপারের টিকেট এ যাত্রা কাটিতে হইল না এই ভাবিয়া কষিয়া লাথিও কষিতেছি। মোটের উপর আমি এই মুহূর্তে অন্ত আটকাইতে পারিয়া বেশ জীবন্ত ও প্রাণবন্ত উভয়ই অনুভব করিতেছি।