মরীচিকা ও মোহময়ী - অধ্যায় ১
শেষ চারটে চ্যাপ্টারে গল্পের ইউনিভার্স ক্রমাগত বেড়েছে আর সাথে সাথে অনেক নতুন নতুন চরিত্র যোগ হয়েছে। এতে অনেক পাঠক-পাঠিকা খেই হারিয়ে ফেলছেন। সেজন্য একটা লিস্ট বানিয়ে দেওয়া হলো। আপাতত সেকেন্ড সেমিস্টারের আগে আর নতুন করে কোন চরিত্র যোগ করা হবে না। তবে সেকেন্ড সেমিস্টারে নতুন নতুন চরিত্র যেমন আসবে তেমনই গল্পের ইউনিভার্স আবার বাড়বে। আপাতত পাঠক-পাঠিকাদের কথা ভেবে গল্পে নতুন চরিত্র যোগ [b]করা বন্ধ রইল। আশা করছি তারা এর মধ্যে এদের সাথে পরিচিত হয়ে উঠবেন। তখন এই লিস্ট আবার বাড়বে।[/b]
Main Character
চ্যাটার্জী পরিবার
অয়ন চ্যাটার্জী - এই গল্পের নায়ক। অয়নকে দেখতে খুব সুন্দর। উচ্চতা ছ'ফুটের কাছাকাছি, স্লিম কিন্তু জিম করা সুঠাম অ্যাথলেটিক ফিগার। গায়ের রঙ উজ্জ্বল ফর্সা। মুখাবয়বে একটা অদ্ভুত মার্জিত, কবিদের মতো স্নিগ্ধতা আছে - খাড়া নাক, ক্লিন-শেভেন তীক্ষ্ণ জ-লাইন, গভীর মায়াবী দুটো চোখ আর এলোমেলো রেশমি চুল।
সে নিজের ফর্সা গায়ের রঙ, মুখের গড়ন আর গভীর দুটো চোখ নিজের মা বিদিশার কাছ থেকে পেয়েছে। অয়ন কিছুটা অন্তর্মুখী, গম্ভীর, জেদী আর অভিমানী স্বভাবের, এসবগুলোও ওর মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। তবে রাগলে ওর জ্ঞান থাকে না। তখন অয়ন ভীষণ আগ্রাসি হয়ে ওঠে, সে যা খুশি করে ফেলতে পারে।
অয়ন একজন ভাল ফুটবল খেলোয়াড়। ইনসাইড ফরওয়ার্ড তবে রাইট উইংয়েও সমান স্বচ্ছন্দ।
সাথে কোচের পরামর্শে মার্শাল আর্টস শিখছে। একবার বক্সিং ক্লাবেও ফাইট করেছে তবে পরীক্ষার চাপের জন্য এখন বক্সিং ক্লাবে যাওয়া বন্ধ আছে।
বিদিশা চ্যাটার্জী/গাঙ্গুলি:- গল্পের নায়িকা। 38 বছর বয়স, অত্যন্ত সুন্দরী আর সবচেয়ে বড় কথা তার ছিপছিপে টানটান ফিগার, ঢলেঢলে মুখশ্রী, টানা টানা চোখ আর ফর্সা মসৃণ ত্বক দেখে তাকে মোটেই 38 বছরের বলে মনে হয় না। সবাই তার বয়স 24-25 বলেই মনে করে। তার উদ্ধত স্তনযুগল, ফর্সা-নির্মেদ পেট, সুন্দর নাভি, ভারী নিতম্ব সাধারণত মার্জিত শাড়ির নিচেই চাপা পড়ে থাকে। তবে মাঝেমধ্যেই স্লিভলেস ব্লাউজ পরে তিনি ক্লাসে আসেন। গলার স্বর শান্ত, নরম; তার হাঁটার ধরন রাজহংসীর মতো।
বিদিশা অত্যন্ত প্রখর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং মানসিকভাবে ভীষণ কঠিন একজন মহিলা। নিঃশব্দে নিজের পরিবারকে বাঁচানোর জন্য ইতালিতে আফ্রিকান বিলিয়নেয়ার বনগানির হাতে নির্মম যৌন লাঞ্ছনার শিকার হতেও পিছপা হননি।
আগে বিদিশা ভীষণ অভিমানী, নরম মনের মানুষ ছিলেন। ইতালির ঘটনার পরে সেটাকে দুর্বলতা মনে করে মন থেকে ঝেড়ে ফেলেছেন। এখন তিনি আবেগকে টুঁটি টিপে শেষ করে ফেলতে দুবার ভাবেন না। নিজের একমাত্র সম্বল ছেলেকে পর করতেও দুবার ভাবেননি।
আপাতত স্বাবলম্বী হওয়ার তীব্র আকাঙ্খা তার মধ্যে কাজ করে। অতীতের ক্ষত ও একাকিত্ব লুকিয়ে নিজেকে একজন স্বাধীন নারী হিসেবে প্রমাণ করাই তাঁর প্রধান মোটিভেশন।
তার আত্মসম্মানবোধ, নীতিবোধ আর আদর্শবোধ অত্যন্ত উঁচু। তিনি কোন অবস্থাতেই সেটার সাথে আপোষ করতে চান না। তার রুচিবোধও বেশ উঁচু।
অরুণ চ্যাটার্জী :-
মালহোত্রা পরিবার
বিক্রম মালহোত্রা :- স্টুডেন্ট কাউন্সিলের সেক্রেটারি। ৬ ফুট ২ ইঞ্চি, জিম-করা সুঠাম পারফেক্ট ফিগার, অত্যন্ত সুদর্শন, ধনী বাবার বখে যাওয়া একমাত্র সন্তান।
বিক্রম বেশ শৌখিন, তার চোখে রে-ব্যানের সানগ্লাসে ঢাকা, রোলেক্স ঘড়ি ও দামি ফ্রেঞ্চ কোলন ব্যবহারকারী।
সে ফুর্তিবাজ হলেও শয়তানি বুদ্ধির ভাণ্ডার। সে বিদিশাকে পাখির চোখ করে রেখেছে।
অনন্যা মালহোত্রা :- বিক্রমের দিদি। রজনীশের বড় মেয়ে। বাবার সাথে সম্পর্ক ভাল নয়। ক্রমশ প্রকাশ্য।
রজনীশ মালহোত্রা :- মালহোত্রার পরিবার আর ইন্ডাস্ট্রির মালিক। কঠোর, নিষ্ঠুর, নির্মম। নিজের ছেলেকে তার উড়নচণ্ডী স্বভাবের জন্য একদম পছন্দ করেন না।
বরুণ কাপুর :- রজনীশের ভাগ্নে, মায়ের সাথে মামার বাড়িতে থাকে। মামার ব্যবসার অন্যতম ভরসা।
অর্জুন লাহিড়ী :- স্টেটসম্যানের সাংবাদিক। তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী। সাহসী। তদন্তে দক্ষ। আপাতত শিশির রায় হত্যার তদন্ত চালাচ্ছে।
রুদ্রপ্রতাপ 'রুডি' সিং :- ক্রমশ প্রকাশ্য।
মালিনী আগরওয়াল :- ক্রমশ প্রকাশ্য।
ডঃ সিদ্ধার্থ বাগচী :- ম্যাথের এইচওডি। একজন ধূসর চরিত্রের মানুষ। তিনি লক্ষ্যভেদের জন্য যেকোন উপায় অবলম্বন করতে পারেন। তার কাছে নীতিবোধের কোন দাম নেই।
চন্দ্রিমা সেন :- ইংলিশ ফার্স্ট সেমিস্টার। অয়নের
ইংলিশ প্রজেক্টের পার্টনার। ওর উপর ক্রাশ আর অভিমান দুটোই আছে।
চন্দ্রিমা ক্যাম্পাসের অন্যতম পপুলার গ্ল্যামারাস 'পার্টি-গার্ল'। অসম্ভব সুন্দরী, গায়ের রঙ দুধ-আলতা, চোখদুটো টানা টানা আর ফিগারটা পারফেক্ট শেপে রাখা।চোখে দামী সানগ্লাস, কমলালেবুর কোয়ার মতো ঠোঁটে গ্লসি পিঙ্ক লিপস্টিক আর পায়ে ধবধবে সাদা স্নিকার্স। তাকে দেখতে একদম কোনো গ্ল্যামারাস মডেলের মতো। তার চোখেমুখে সবসময় একটা বিরক্তি ভাব, যেন এই দুনিয়ার সব কিছুই তার স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে নিচে।
বৈশালী চৌধুরী :- অয়নের এক্স। ফিজিক্সের স্টুডেন্ট। রাগী, অহংকারী। কিন্তু মনে মনে অয়নের জন্য ব্যাকুল।
বৈশালী লম্বা, ঠিক ফরসা নয় গম-রঙা, নিটোল পাছা, নির্মেদ পেট, সরু কোমর, মসৃণ সুগঠিত উরুর অধিকারিণী।
তার চোখে মুখে উদ্ধত সৌন্দর্য।
সুরঙ্গনা 'সেক্সি' ব্যানার্জী :- ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টের সেনশেসন। 29 বছর বয়স। শ্যামবর্ণা।
ক্লাসিক্যাল ডান্স প্র্যাকটিস করার ফলে নমনীয়, টোনড, সেক্সি বডির অধিকারিণী।
ফিগার :- 34-26-36
নির্মেদ পেট, সুগঠিত থাই, কোমরের নিখুঁত বাঁক; টিকালো নাক, টানা-টানা চোখ, ভরাট ঠোঁট, এককথায় দুর্দান্ত সুন্দরী। আড়ালে সবাই সেক্সি ব্যানার্জী বলে ডাকে। তিনি যে কিকবক্সিং-এ দক্ষ; এটা খুব কম লোক জানে। স্বভাবে বোল্ড, প্রচণ্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর আনপ্রেডিক্টেবল।
অয়নকে ফেভার করেন, ওর সাথে ফ্লার্ট করতে পছন্দ করেন।
রাজীব মাথুর :- কোম্পানিতে অরুণের মেইন রাইভাল। ক্রমশ প্রকাশ্য।
Supporting Characters
মিঃ প্রধান :- প্রধান মার্শাল আর্টস অ্যাকাডেমির প্রধান শিক্ষক এবং মালিক।
মিঃ সেনগুপ্ত :- কলেজের ফুটবলের কোচ। অয়নের রক্ষাকর্তা। অয়নের ফুটবল প্রতিভা ও 'কিলার ইনস্টিনক্ট'-কে চিনে নিয়ে তাকে সাসপেনশন থেকে বাঁচান এবং ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার স্বপ্ন দেখেন। মুখে কড়া হলেও অয়নকে ভীষণ স্নেহ করেন।
রাহুল বোস :- ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক। কালচারাল কমিটিতে আছেন। বিদিশার শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিদিশাকে পছন্দ করেন।
বছর ত্রিশ বয়স, রিমলেস চশমা, গালে হালকা দাড়ি। সুদর্শন, ভদ্র, মার্জিত, রুচিশীল ব্যক্তিত্ব। বিদিশা রাহুলের সেন্স অফ হিউমার বেশ পছন্দ করেন।
নন্দিতা দাশগুপ্ত :- ম্যাথের সিনিয়র টিচার। বিদিশাকে ছোট বোনের মতো দেখেন।
অনামিকা রায় :- সাইকোলজির টিচার। ক্রমশ প্রকাশ্য।
দেবোত্তম :- স্টেটসম্যানের জুনিয়র সাংবাদিক। অর্জুনের সহকারী।
মিসেস নবনীতা চ্যাটার্জী :- ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টের টিচার।
অঙ্কিতা মজুমদার :- ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের টিচার। রুডির লাভার। অয়ন আর চন্দ্রিমার ইংলিশ ক্লাস ইনিই নেন।
প্রিন্সিপাল সান্যাল :-
Recurring Characters
রৌণক :- দোজোর সিনিয়র ছাত্র।
সিধু আগরওয়াল :- কলেজের উইকিপিডিয়া।
জিনিয়া :- বৈশালীর বেস্ট ফ্রেন্ড।
ঋতুপর্ণা :- ম্যাথস থার্ড সেমিস্টার। মিঃ দাসের প্রিয় ছাত্রী। অয়নের টিউটার। সুতির সাধারণ সালোয়ার-কামিজ, চোখে মোটা চশমা, চুলে সাধারণ বিনুনি, জিরো মেকআপ। প্লেইন জেন লুক। একদম নো-ননসেন্স, সোজা কথা সোজাভাবে বলা, কড়া স্বভাবের মেয়ে।
সাহিল খান :- স্টুডেন্ট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও একজন অত্যন্ত ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র। ধবধবে সাদা আইরন করা শার্ট, চোখে চশমা।
সাহিল একজন খাঁটি প্রফেশনাল, তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সেরকমই। অত্যন্ত কর্মদক্ষ, স্মুথভাবে কাজ করে। কাজের জায়গায় সে কখনো কোন ব্যক্তিগত মন্তব্য করে না। সীমা লঙ্ঘন করার প্রশ্নই ওঠে না। অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
মিঃ দাস :- অয়নের ম্যাথস টিচার।
মিঃ গুপ্তা :- অরুণের বস।