মরীচিকা ও মোহময়ী - অধ্যায় ৪৭
আগে আমি আপনার অভিযোগের উত্তরটা দিই।
আপনি 6th জুন কমেন্ট করেছিলেন, আমি পরেরদিন সাত তারিখ তার উত্তর দিই। এরপর আপনার যে কমেন্টখানা উড়ে গিয়েছে সেটা ফিরে এসে আমার আর চোখে পড়েনি কারণ আমি ওই সময় অনলাইন ছিলাম না। একেবারে 21st জুন অনলাইন হয়ে পরপর সবকটা কমেন্টের উত্তর দিয়েছি। ওটা ফোরামে থাকলে নিশ্চয়ই উত্তর দিতাম। নিশ্চয়ই কমেন্টটা সাত তারিখের পরে করা হয়েছিল।
লেখকের কমেন্ট মুছে দেবার ক্ষমতা নেই। এটা করতে পারেন একমাত্র মডারেটর। তিনি কেন এটা মুছেছেন সেটা তিনিই ভাল বলতে পারবেন। হয়তো কমেন্টটা ফোরামের কোন নিয়মভঙ্গ করছিল।
গ্যাপের কথা ঠিকই বলেছেন, এটাই আমার নেওয়া সবচেয়ে বড় গ্যাপ। গত সপ্তাহের বুধবার দেবার কথা থাকলেও লেখা শেষ হয় শনিবার। তার কারণ হল আমার ব্যক্তিগত জীবনের ব্যস্ততা আর লেখার মান নিয়ে খুঁতখুঁতানি।
লেখা দেবার না থাকলে আমি ফোরাম থেকে অনুপস্থিতই থাকি। সামনের সপ্তাহেও তাই থাকব। তবে আপনি ঠিকই বলেছেন, এবার লম্বা গ্যাপ নিলে status শেয়ার করে দেব।
কাহিনীর কথা বললে, হ্যাঁ এটা শেষ করতে কম করে দু-তিন বছর লাগবে। আরো বেশি লাগতে পারে। যথেষ্ট বড় কাহিনী।
বিদিশা আর অয়নের প্রেম ফুটিয়ে তোলা চ্যালেঞ্জিং তো হবে নিশ্চয়ই। কিন্তু, একটা জিনিস কেউ বুঝতে চাইছেন না যে এই গল্পের পৃথিবীটা বড়ো হবে আর সেখানে অন্য চরিত্রগুলো যথেষ্ট গুরুত্ব পাবে। তাদের dynamics ও গুরুত্বপূর্ণ। কেবল অয়নxবিদিশার গল্প এটা নয়।
চরিত্রদেরকে ফুটিয়ে তুলতে হলে কাহিনীর গতি একটু ধীর তো হতেই হবে। শক্তিশালী চরিত্র আর প্লট ছাড়া বড় কাহিনী লেখা অসম্ভব।
আপনি ঠিকই ধরেছেন এই গল্পটা লেখার সময় গেম অফ থ্রোনস আমায় যথেষ্ট প্রভাবিত করেছিল। তবে এই গল্প, তার সেটিং আর চরিত্রগুলো গেম অফ থ্রোনসের জেরক্স হবে না।
এখানে স্পেসিফিকালি কোন তিনটে জায়গা কিংস ল্যান্ডিং, এসসোস আর দ্য ওয়ালের মতো হয়ে উঠবে না। তবে তাদের ছাপ এসে পড়বে। তেমনই আরিয়া স্টার্ককে কপি করে অয়ন বা নেড স্টার্ককে মাথায় রেখে বিদিশাকে লেখা হয়নি। গল্প এগোলে এসব বুঝতে পারবেন।