পেয়ারা বাগানে মা ও ছেলে - অধ্যায় ১৮
এরমধ্যে বোন ওর স্বামী আর মেয়ে বাইরে এল আর এসে পিরি নিয়ে আমার কাছেই বলস। বোন দাঁড়ানো।
আমি- বললাম এই দীপক ডাব খাবে নাকি।
মা- হ্যা জামাইকে পেরে দে তোর বাবাকেও দেওয়া যাবে। ওই ছোট গাছটায় আছে পেরে নিয়ে আয় ।
আমি- গিয়ে গাছ থেকে ডাব পেরে কেটে দিলাম দীপককে আর একটা কেটে দিয়ে বললাম এই বোন এটা বাবাকে খাইয়ে দিয়ে আয়। তোর জন্য কাটছি বলে কাঁটা শুরু করলাম। এরপর মাকে একটা দিলাম। বোনেরজন্য কেটে রাখলাম।
মা- সবাইকে দিলি নিজে খাবি না, আরো আছে টো কেটে খা তুই।
আমি- টোমাদের দুজনার একটা হল্যেছে নাকি আরেকটা দেবো।
মা- নানা দিদিভাই আর খেল কই আমি খেলাম যাক তেষ্টা পেয়েছিল ভালোই করেছিস এই বিকেলে ডাব পেরে যা জামাইকে নিয়ে পেয়ারা বাগান ঘুরিয়ে নিয়ে আয়। আমি দিদিভাইকে রাখছি ওর মা তো আসবে তোরা যা।
আমি- আচ্ছা দীপক চলো ভাই দেখে আসবে আজকে ঘর বানিয়েছি মাকে নিয়ে রাতে পাহারা দিতে হবে খুব বাদুরের উতপাত।
ভগ্নীপতি- আরে দাদা সে তো আমারো আমিও ভাবছি পাহারা দিতে হবে ঘন্টা লাগিয়ে খুব ক্ষতি করে বাদুরে।
মা- যাও দেখে আসো তোমরা।
আমি- এস বলে দুজনে রওয়ানা দিতেই বোন এসে বলল তোমরা কোথায় যাচ্ছ।
মা- বলল ওরা বাগান দেখতে যাচ্ছে তুই এদিকে আয় মেয়েকে নিয়ে বস।
বোন- না আমিও যাই দাও মেয়েকে দাও বলে মায়ের কোল থেকে নিয়ে আমাদের পেছন পেছন এল।
আমি- আয় এদিক দিয়ে আয় বলে ওদের নিয়ে গেলাম বাগানে সব ঘুরে দেখালাম কিছু সময়।
এরমধ্যে ভাগ্নি কান্না জুরে দিল দুদু খাবে।
বোন- না পারিনা এই এখানে বসে দুধ দেব কি করে এই মেয়ে নিয়ে আর পারিনা আমি।
আমি- বোন এক কাজ কর ওকে আমার বানানো ঘরের ভেতরে নিয়ে যা মাচা করেছি ওখানে বসে দুধ দিতে পারবি।
বোন- ও ওইঘরটায় তাই বলে মেয়েকে নিয়ে দুধ খাওয়াতে গেল।
আমরা- বাইরে দাঁড়ানো রইলাম।
ভগ্নীপতি- দাদা আমি একটু তয়লেট করে আসি ওইদিকে গাছের আড়ালে যাই।
আমি- যাও আমি দাড়িয়ে আছি।
ভগ্নীপতি- আচ্ছা দাদা বলে চলে গেল ঘরের পেছনে।
আমি- ফিরে আমার মাচার দিকে তাকাতে দেখি বোন দুধ বের করে মেয়ের মুখে দিয়েছে, উরি বাবা কি কালো আর বড় বোটা বোনের দুধের, মেয়ে দুই হাত ধরে খাচ্ছে। আমি তাকিয়ে রইলাম এরমধ্যে বোনের চোখে চোখ পরে গেল। দুজনেই একটু লজ্জা পেলাম। চোখ নামিয়ে নিলাম।
বোন- দাদা ও গেল কোথায়।
আমি- হিসি করতে গেছে।
বোন- দাদা ওর এটা একটা বড় রোগ জানিস তো বার বার টয়লেট করে। আর এইজন্যি গায়ে বল পায়না। দেখিস না কেমন দুর্বল হয়ে গেছে। এই বয়সে বেকে গেছে তোর থেকে বড় হবেনা। একটা ক্যারেট একা মাথায় নিতে পারেনা। ওর থেকে ওর বাবা এই ৭০ বছর বয়সেও বেশী কাজ পারে।
আমি- বাদ দে আসছে হল তোর দুধ দেওয়া।
বোন- এত তাড়াতাড়ি কি মেয়ে জানিস দাদা আমাকে পাগল করে দেয়। কঘাবে তো না শুধু চটকাবে।
ভগ্নীপতি- আসছে দেখে আমি ঘুরে দাঁড়ালাম, নিজের বোনের দুধ দেখছি সেটা কি ভালো দেখায় তাই ভদ্র সেজে রইলাম।