পেয়ারা বাগানে মা ও ছেলে - অধ্যায় ৩১
আমি- হুম আয় চল বাবা শোয়া তবে জেগে আছে বলে ওকে নিয়ে বের হলাম। আমার ছোট মা ঘুমাচ্ছে। ভাইবণে একসাথে রান্না ঘরে গেলাম। গিয়ে দেখি মায়ের মাছ ভাজা প্রায় শেষ।
মা- বলল বাবা বাকি মাছ গুলো একটু তুই ভেজে রাখ আমি তোর বাবাকে খাইয়ে আসি। আর তোরা ব্রাশ করেনে বাবা ব্রাশ করে নাও গরম গরম খেতে দেব আকাশ এখন পরিস্কার। এই বলে উঠে মা বাবার জন্য খিচুড়ি নিয়ে চলে গেল।
আমি- মাছ ভাজতে বসে গেলাম।
বোন- ব্রাশ করতে করতে বলল দ্যাখ আমার দাদাকে কত কাজ মায়ের করে দেয় আর তুমি বাবুর মতন বসে থাকো বাড়ি ফিরে কোন কাজ করনা। ওইটুকু মেয়ে নিয়ে আমি সব করি ফিরে এসে একগ্লাস জল নিয়ে খেতে বসতে পারোনা। আমার দাদা বাঙ্গানের কাজ একা করে তারপর আবার এসে মাকে কাজ করে দেয়।
আমি- এই ওর মা আছে অউ আছে আবার কাজ করবে কেন, আমার যদি বউ থাকতো সে করত না আমাকে করতে হত আমার মা একা পারে সব।
বোন- আরে না দাদা আমার শ্বশুর অনেক ভালো বৌমার কষ্ট বোঝে কিন্তু এই বেটা বোঝেনা তুই জানিস না।
আমি- থাম বলছি না হলে এক চড় মারবো এখানে এসে কারো ব্দনাম করতে পারবিনা।
বোন- হ্যা সবাই তোমরা আমাকেই বকবে বক আমি তো ভাঙ্গা কাঁঠাল।
দীপক- মিসকি হেঁসে কলে চলে গেল মুখ ধুতে।
আমি- বললাম পাগলী তোকে বকবনা তো কাকে বক সে আমার ভগ্নীপতি তাকে কিছু বলতে পারি। যা তুইও মুখ ধুয়ে আয়। সামনে গিয়ে দাঁরা দেখবি কল পাম্প করে দেবে এখন।
বোন- একগাল হেঁসে দিয়ে চলে গেল।
আমি- দেখছি আর মাছ ভাজা করছি, যা বলেছি তাই আমার বোনকে কল পাম্প করে মুখ ধুতে সাহায্য করছে। দেখতে দেখতে বাকি মাছ ভেজে ফেললাম কড়া করে।
বোন- এসেই এত সকালে উঠিস দাদা, আমি এখন আর পারিনা রাতে মেয়ে ঘুমায় না বুঝলি। এখন উনি বেলা ১১ টা পর্যন্ত ঘুমাবে এইফাকে আমি রান্না বান্না করে ফেলি।
আমি- তুই পারিস ভালো রান্না করতে।
দীপক- না দাদা সে গুন আছে আপনার বোনের আসলে কার বোন দেখতে হবেনা। বাবা তো ওর খুব প্রশংসা করে বউমা ভালো রান্না করে।
আমি- তবে যাবো একদিন কিরে গেলে খাওয়াবি ভালো রান্না করে কালকে তোকে নিয়ে যাবো তখন রান্না করে খাওয়াবি তো।
দীপক- হ্যা দাদা আসেন আমি ভালো বাজার করব আপনার জন্য। কি খাবেন বলে খাশির মাংস ব্যবস্থা করতেও পারবো আশাকরি।
বোন- এই দাদা সত্যি গিয়ে থাকবি তবে ওকে বলে দেই আগে থেকেই বাজার করতে।
আমি- আচ্ছা মা আসুক দেখি মায়ের অনুমতি ছাড়া হবে নাকি এদিকে কাজ আছে তো।
বোন- এই সন তুমি কালকে যে করে হোক খাশির মাংস আনবে আমি দাদাকে নিয়ে আসবো গিয়ে রান্না করব তারপর দাদা খেয়ে আসবে।
দীপক- আচ্ছা তবুও মায়ের থেকে যেনে নিও।
বোন- তোমাকে ভাবতে হবেনা দাদাকে আমি নিয়ে যাবো, আর হ্যা তুমি কি এখুনি চলে যাবে।
দীপক- হ্যা খেয়েই চলে যাবো নৌকা বুরে যায়নি তো দাদা।
আমি- না না সকালে আমি জল ছিচে রেখে দিয়েছি ভয় নেই তোমার।
বোন- এবার বোঝ আমার দাদার দ্বায়ীত্ব নিজের সাথে সাথে সাথে তোমার নৌকাও ছিচে রেখে দিয়েছে। এই আমি ঘরে নিয়ে সব রেডি করি তুমি যাও তো দ্যাখ তো বাবার খাওয়া হল কিনা দাদার সাথে আমি গুছিয়ে নিচ্ছি বাড়ি যাবেনা তুমি।
দীপক- আচ্ছা বলে বড় ঘরে গেল।
বোন- দীপকের চলে যেতেই দাদা যাবি তো সত্যি বাড়ি ফাঁকা থাকবে যাওয়ার সময় বাগান থেকে আমরা চাবি নিয়ে যাবো কোণ অসবিধা হবেনা।
আমি- গেলে হবে তো। সুযোগ পাবো।
বোন- কত সুযোগ দিলাম নিলে না তুমি আবার বলছ, একবার না দুইবার সুযোগ দেবো।
আমি- ঠিক আছে মাকে ম্যানেজ করে যাবো।