স্বামীর চাকরি বাঁচাতে গিয়ে হলো নববধূর সর্বনাশ - অধ্যায় ৩

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70775-post-6056385.html#pid6056385

Posted on Mon Oct 13 2025 by Subha@007 (Profile)

703 words / 3 min read

Parent
                                        পর্ব -৩                   চতুর্থ অধ্যায় - বিয়ের পাকাকথা তারিখ :- ১৯ শে মে, ২০২৪ রবিবার সময় :- বিকাল ৫ টা আদিত্য, ওর বাবা মা আর ভাই সঙ্গে কিছু আত্মীয় আজ এসেছে মধুশ্রীর বাড়ি। আজ ওদের বিয়ের পাকাকথা হবে। আজ জমিয়ে খাওয়া দাওয়ার আয়োজনও করা হয়েছে মধুশ্রীর বাড়িতে। আদিত্যর বাবা আজ আদিত্যকে আসতে মানা করেছিলো কিন্তু মধুশ্রী ওকে আজ কল করে ডেকে নিয়েছে। আদিত্যকে বেশ পছন্দ হয়েছে মধুশ্রীর। মধুশ্রী চায় একান্তে ওর সাথে একটু কথা বলতে। আজ সবার মনেই বেশ আনন্দ। মধুশ্রীর বাবা মায়ের সাথে আদিত্যর বাবা মায়ের বেশ কথা হলো। বিয়ের ডেট ঠিক করা হলো পঞ্জিকা দেখে। আগামী ১৭ ই নভেম্বর, ২০২৪ এ ওদের চার হাত এক করা হবে। এরপর মধুশ্রীর বাবা মৃন্ময় বাবু দেনা পাওনার কথা বলতে গেলে আদিত্যর বাবা অবিনাশ বাবু বললেন যে তাদের কিছুই লাগবে না। মধুশ্রীর মতো মেয়েকে তারা ঘরের বৌ করে তুলবে এটা তাদের কাছে যথেষ্ট। ওরা কিছু না চাইতেই পারে তাই বলে কি মৃন্ময় বাবু থেমে থাকবেন?? ওনার একমাত্র আদুরে মেয়ের বিয়ে বলে কথা। বেশ ধুমধাম করেই বিয়েটা হবে আর দানসামগ্রীও দেওয়া হবে অনেক। সোনার অলংকারে ভরিয়ে দেওয়া হবে নবদম্পত্তিকে। যাইহোক এই সমস্ত কথা হয়ে যাওয়ার পর রাত নয়টার মধ্যে রাতের খাওয়া দাওয়া সেড়ে বাড়ির পথে রওনা দিলেন অবিনাশ বাবুরা। আজ মধুশ্রী আদিত্যর সাথে ওর ফোন নম্বর দেওয়া নেওয়া করেছে। বিয়ে যখন ফিক্স হয়েই গেছে তখন বিয়ের আগে হবু বরের সাথে একটু প্রেম করতে দোষ কোথায়?? আর তো মাত্র ছয় মাস! তারপরেই ওদের বিয়ে হবে ধুমধাম করে। সেদিন রাতেই মধুশ্রী তার এক পাতানো দাদাকে ফোন করে জানায় যে তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। ওর দাদা খবরটা শুনে খুব আনন্দিত হয়। এবার ওদের দুজনের ভিতরের ফোনের কথোপকথন একটু তুলে ধরছি। — দাদা জানো আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। — বাহ্! খুব ভালো খবর শোনালি রে বোন। কোথাকার ছেলে?? কি করে?? পরিবার ভালো তো?? — হ্যাঁ, দাদা। একদম আমার মনের মতো হয়েছে জানো। ও কলকাতায় কাজ করে, ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু বাড়ি বর্ধমানে। — বাহ্ খুব ভালো। তা তোর হবু বরের নাম কি রে?? — আদিত্য। আদিত্য মুখার্জী। — বাহ্ খুব ভালো নাম। একটা ছবি পাঠাস আমায় হোয়াটস্যাপ এ। একটু দেখবো। — ঠিকাছে দাদা। পাঠিয়ে দেবো। তোমাকে কিন্তু আমার বিয়েতে আসতেই হবে দাদা। — নিশ্চই যাবো রে বোন। আমার এদিকে কাজের চাপ ও অনেক। যাইহোক তোর বিয়েটা কবে হচ্ছে বল?? — এই বছরই ১৭ই নভেম্বর। — বাহ্ খুব ভালো রে। সাবধানে থাকিস বোন। রাখলাম। — ছবি গুলো পাঠিয়ে দিচ্ছি তোমায় হোয়াটস্যাপ এ। — হ্যাঁ একদম। ফোন রেখে দিলো মধুশ্রী আর তারপর ওর দাদাকে আদিত্যর ছবি গুলো পাঠিয়ে দিলো। আদিত্যর ছবি দেখে মধুশ্রীর দাদা বললো, “বাহ্, বেশ ভালো ছেলে। তোরা খুব সুখী হবি।” মধুশ্রী বললো, “ধন্যবাদ দাদা।”       পঞ্চম অধ্যায় - প্রথম খুনের ময়না তদন্তের রিপোর্ট তারিখ :- ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ সোমবার সময় :- সকাল ১০ টা বেজে ৩০ মিনিট ফরেনসিক ডাক্তার মিস্টার মিত্র ইন্সপেক্টর সমাদ্দারকে বললেন, “বুঝলে সমাদ্দার খুনি কিন্তু বেশ প্রতিভাবান।” ইন্সপেক্টর বললেন, “মানে?? কি বলতে চাইছেন আপনি?? ডক্টর মিত্র বললেন, “আমি বলতে চাইছি খুনির অনেক প্রতিভা আছে, সে খুব সহজে খুনটা করে নি। বেশ পাকা খেলোয়াড় খুনি। অনেক কষ্ট দিয়ে তবেই খুনটা করেছে ভিক্টিমকে। মনে হয় কোনো কিছুর রাগ উগরে দিয়েছে।” ইন্সপেক্টর সমাদ্দার বললেন, “কি কি প্রতিভা আছে খুনির?? একটু বলুন।” ডক্টর মিত্র বললেন, “প্রথমত খুনির বুদ্ধির তো অনেক তারিফ করতেই হয়। এতো সুন্দর প্ল্যান করেছে যে আপনারা খুনির বিরুদ্ধে কোনো ক্লু খুঁজে পান নি। আর দ্বিতীয়ত খুনির শারীরিক ক্ষমতা এবং অ্যাকশন স্টাইলের প্রশংসা না করে পারলাম না।” ইন্সপেক্টর সমাদ্দার বললেন, “অ্যাকশন স্টাইল বলতে কি বোঝাতে চাইছেন?” ডক্টর মিত্র আবার বললেন, “প্রথমত খুনি অনেক বড়ো বক্সার। এই যে দেখুন ভিক্টিমকে প্রথমে এমন এক একটা পাঞ্চ করেছে যে ভিক্টিম কিছু করে ওঠারই সুযোগ পান নি। দ্বিতীয়ত খুনি মার্শাল আর্ট ও জানে। ভিক্টিম এর কত গুলো হাড় ভেঙেছে দেখুন। এগুলো ভিক্টিমকে খুন করার আগে। তারপর ভিক্টিমকে ধরাশায়ী করে ওর সারা দেহে ছোট কোনো ধারালো ছুঁড়ি দিয়ে ক্রস মার্ক টেনেছে এবং তারপর তার পুরুষাঙ্গ কেটেছে। এই সব যন্ত্রনা খুনি সহ্য করেছে। তারপর তাকে বেশ ধারালো কোনো তরবারি বা ওই জাতীয় কোনো অস্ত্র দিয়ে কেঁটে খন্ড করেছে।” ইন্সপেক্টর সমাদ্দার বললেন, “তার মানে স্পষ্ট বোঝাই যাচ্ছে যে খুনি বেশ আক্রোশ নিয়েই খুনটা করেছে।” ডক্টর মিত্র বললেন, “হ্যাঁ, তা তো অবশ্যই। আপনি ভালো করে তদন্ত করুন। কি হয়েছিলো। এমনও তো হতে পারে খুনি কোনো ভয়ঙ্কর কিছুর প্রতিশোধ তুলছে।” ইন্সপেক্টর সমাদ্দার বললেন, “তদন্ত তো চলছেই ডক্টর মিত্র। দেখি কতদূর কি করা যায়।” চলবে... গল্পটা কেমন লাগছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন... ভালো লাগলে লাইক আর রেপুটেশন দেবেন।।।
Parent