Story of Forest (বনের গল্প) - অধ্যায় ৩

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-44633-post-4571293.html#pid4571293

Posted on Tue Jan 04 2022 by Sreerupamitra (Profile)

467 words / 2 min read

Parent
পরদিন সৌম্য উঠতে ৯ টা বাজিয়ে দেয়, অনেক রাত্রে ফিরে শুয়েছে, সোহিনী কাজের বউ অঞ্জুর সাথে সব রেডি করে রেখেছে। ১০ টার মধ্যে স্নান করে রেডি সৌম্য। বাংলোর সামনে হর্নের শব্দ, একটু পরে অঞ্জু এসে জানায় বিক্রম সাহেব এসেছেন। হালকা অস্বস্তি হয় সোহিনীর। কাল রাত্রের চ্যাট এর কথা বলেনি সৌম্য কে। আসলে মনেও ছিলনা। সৌম্য ওকে সামনে বসায়। সোহিনীর পরনে হলুদ স্লিভলেস গাউন। চোখাচুখি হয় বিক্রমের সাথে। সৌম্য এর কাছ থেকে জেনেছে যে বিক্রমের দিল্লি তে বেশ জানাশোনা। তাছাড়া এখন তো দেশে গুজরাটি রাজ চলছে, তাই সৌম্য বিক্রম কে সামলেই চলার পক্ষপাতি। নাগপাল সাহেব ওকে কাল রাত্রে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে তারা চাকরী করতে এসেছেন, দেশ সেবা করতে না। দেশ সেবা বলে কিছু নেই আজকাল, সব ই হল পেট সেবা। সৌম্য অনেক কষ্টে ও চেষ্টায় এই চাকরী জোগাড় করেছেন। দেশ সেবার তাড়নায় সেটা হারানোর কোন ইচ্ছে ওর নেই। খেতে খেতে সেই কথাই আলোচনা করছিল ওরা, আর তখনই বিক্রমের আবির্ভাব। সোহিনী লক্ষ করে বিক্রম ওকে দেখেছে। অস্বস্তি ওকে ঘরে ফেলছে। বিক্রম কে কফি আর বিস্কুট এনে দিল অঞ্জু, ওদের মধ্যে গুজরাটি ভাসায় কিছু কথা হল যার মানে ও বুঝতে পারলে না কিন্তু এটা বুঝল যে ওরা একে অপরের পরিচিত। সোহিনী উঠে দাঁড়ালো, সৌম্য রেডি, ব্যাগ টা ঘর থেকে আনতে যাওয়ার সময় সোহিনী বললে- - বিক্রম বাবু লোকটা কেমন যেন...! - কেন, কি হল? - কেমন তাকায়... অস্বস্তি হয়। - ও ছাড়, ওরা বিজনেস ম্যান। সব কিছু গভীর ভাবে দেখে ধান্দার কারনে। ওরা বলে ধান্দা। তাছাড়া লোকটা ইনফ্লুএন্সিয়াল, নাগপাল এর খুব কাছের মানুষ, সুতরাং, ওকে নিয়েই আমাকে চলতে হবে। কথা বাড়ায় না সোহিনী। সৌম্যর কথায় যুক্তি আছে। অকাট্য।  চাকরী করা এত সহজ না। সেটা ও বুঝতে শিখেছে। সৌম্যর সাথে সাথে বিক্রম বেড়িয়ে যায় তবে যাবার সময় ওর সাথে বিক্রমের বেশ চোখাচুখি হয়। হালকা হাসে সোহিনী। ঘরের কাজ করতে করতে বিক্রমের সম্মন্ধে অনেক কথা জানায় অঞ্জু, বিক্রমের স্ত্রী দিল্লীর সাউথ ব্লকের অফিসার। এক ছেলে আছে, দুন এ পড়ে, অনেক বড় ব্যাবসা ওদের। কাঠের চোরাই ব্যাবসা, আরও কত কি। সোহিনী বুঝে যায়, বিক্রম অনেক ক্ষমতাশালী মানুষ। সামলে চলতে হবে সে কথা বলতে হয়না সোহিনী কে। সেদিন বিকালে বাপ্পা কে নিয়ে সামনের উঠানে ঘোরাফেরা করছে এমন সময় দরজার সামনে গাড়ির হর্ন। বুক টা ছ্যাঁত করে উঠলো। দরজা খুলেই দেখে বিক্রম, সাথে সৌম্য। ওরা এল, সোহিনী দুপুরে কাটলেট বানিয়েছিল, সেটা দুজন কে দিল। ভেজ কাটলেট, বিক্রম রা ভেজ নিশ্চয়ই। কথা উঠতে বিক্রম বলে … - আরে না ম্যাদাম, কলকাতায় মানুষ, নন-ভেজ সব দিক থেকে। চোখে কুঁচকে একটা ভঙ্গি করে বোঝাল সব দিক মানে কি। সোহিনী এড়িয়ে গেলেও চোখের ভ্রুকুটি এড়ালনা। - আরে, ওকে ম্যাদাম কেন বলছেন, নাম ধরলে আমার কোন প্রবলেম নেই। সৌম্য বললে - আপনার না থাকতে পারে, যার নাম তার নিশ্চয়ই আছে। - আরে না না, নাম ধরলে আমার আপত্তি নেই। তাছাড়া ম্যাদাম শুনলে অস্বস্তি হয় আর কি। চোখাচুখি হয় ওদের। সোহিনীর এবেলা স্লিভলেস কুর্তি। ওর খোলা বাহুতে চোখ বোলাচ্ছে বিক্রম তা বলে দিতে হয়না কোন নারীকেই। ওদের ৪ টে চোখ।
Parent