সুখী খান পরিবারের গোপন কথা। - অধ্যায় ৪

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-37277-post-3305249.html#pid3305249

Posted on Mon May 17 2021 by The Pervert (Profile)

776 words / 4 min read

Parent
সাদেক খান বাথরুমে গিয়ে শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে গোসল করতে লাগলেন। গোসল করার সময়ও তিনি ঐ লোকটির কথা ভুলতে পারছেন না। যার ফলে তিনি নিজের প্রতিই বিরক্তি অনুভব করতে শুরু করলেন। তিনি মনে মনে নিজেকেই প্রশ্ন করে তার উত্তরে বলতে লাগলেন :তার কাছে তো অসংখ্য মানুষই চাকরি এবং আর্থিক সাহায্য চেয়ে থাকে। সে না হয় তাদেরই মতো একজন। আর তার চেহেরা তো সে নিজে সৃষ্টি করেনি। উপরওয়ালা একেক জনকে একেক ভাবে এবং একেক আকৃতি তৈরী করেছেন। এতে তো মানুষের কোনো হাত নেই। এভাবে নিজেকে নানা প্রশ্ন করে এবং এর উত্তরের মাধমে তিনি গোসল শেষ করে ঘটনাটি মন থেকে সম্পূর্ণ যেরে ফেলে দিয়ে বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে এলেন।ইতিমধ্যে শায়লা খানও তার স্বামীর জন্য স্পেশাল এক কাপ চা নিয়ে দোতলায় বেডরুমে চলে এলেন। সাদেক খান যেদিন জগিং করেন সেদিন তিনি তার স্ত্রীর নিজের হাতে বানানো সকালের স্পেশাল চা বেড রুমেই পান করেন। শায়লা খান স্বামীকে চা দিয়ে চলে গেলেন তার আদরের একমাত্র রাজপুত্র শাকিল খান এবং একমাত্র রাজকন্যা অষ্টাদশী তনয়া সারা খানকে ঘুম থেকে উঠানোর জন্য।শায়লা এবং সাদেক খানের বেড রুমের পরের দুটো বেড রুম ফাঁকা থাকে। সাদেক খানের ছোট বোন এবং তার আম্মা-আব্বা আসলে কিংবা শায়লা খানের আম্মু-আব্বু আসলে এ দুটো রুম ব্যবহার করা হয়।তাদের বেডরুম থেকে চতুর্থ রুমটি হলো সারার এবং পঞ্চমটি হলো শাকিলের।শায়লা খান প্রথমেই সারার রুমে প্রবেশ করলেন। বাসায় কোনো আত্মীয়-স্বজন না থাকলে সাধারণত তারা বেডরুমের দরজা ভিতর থেকে লক করে না। কারণ রাজপ্রাসাদের মতো এ বিরাট বাসায় শুধু পাঁচ জন লোক বাস করে। উপর তলায় থাকেন সাদেক খান ,শায়লা ,সারা এবং শাকিল আর নিজ তলায় কিচেনের পাশে একটা রুমে থাকে রুকসানা।শায়লা খান রুমে ঢুকেই চারদিকে একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে সারার দিকে তাকালেন।প্রাসাদ তমঃ এই খান ভিলার পাঁচটি বেড রুম দালানের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। প্রতিটি রুমের ডিজাইন প্রায় একই রকমের এবং প্রতিটি রুম বহুমূল্যবান আসবাবপত্র দিয়ে অত্যন্ত সুচারুভাবে সাজানো গুছানো। বাংলাদশের বিখ্যাত হোম ডেকোরেশন কোম্পানির লোকেরা প্রতি বছর খান ভিলার প্রতিটি রুম সাঁজিয়ে দিয়ে যায়। বিশাল বেডরুমের দক্ষিণ পাশের দেয়াল ঘেঁষে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর স্থাপন করা হয়েছে মিয়ানমারের সেগুন কাঠের তৈরী অত্যন্ত দামী বিশাল এক খাট।বিশাল এ খাটে অনাসায়ে তিন চারজন লোক আরামে ঘুমাতে পারবে।বিশাল এ সাটিন-কাপড়ের বেডশীটে মোড়ানো খাটের একদম মাঝখানে সারা নিশ্চিন্ত মনে সুখ নিদ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে শুয়ে আছে। এ যেন রাক্ষসপুরীর এক ঘুমন্ত রাজকন্যা।দক্ষিণ পাশের খোলা জানলা দিয়ে গুলশান লেকের ঠাণ্ডা মৃদু হাওয়া রুমে প্রবেশ করে রুমের পরিবেশকে আরো শীতল এবং রমণীয় করে তুলছে।সারা তার আম্মুর মতই অনিন্দ সুন্দরী স্বর্গের এক অপ্সরা। শায়লা সারার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে তার ঘুমন্ত মেয়ের পূর্ণিমার চাঁদের মতো সুন্দর নিষ্পাপ মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন।সারা চিৎ হয়ে শুয়ে আছে। অতি মূল্যবান একটি চাদর সারার কমনীয় শরীরটাকে বুক পর্যন্ত ঢেকে রেখেছে। ঘুমন্ত সারার গোলাপের পাপড়ির মতো কোমল এবং গোলাপি ঠোট দুটো কচি কিশলয়ের ন্যায় কিছুক্ষণ পরপর কেঁপে উঠছে।তার উন্নত এবং সুডৌল কাশ্মিরি আপেলের মতো স্তন দুটো নিঃশ্বাসের তালেতালে ওঠা নামা করছে। শায়লা খান তার মেয়ের বুকের দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি মুচকি হাসি দিয়ে মনে মনে বললেন ,"আমার আদরের ছোট্ট রাজকন্যাটি কীভাবে এতো বড় হয়ে গেল তা তো টেরই পেলামনা। অচিরেই আমার রাজকন্যার জন্য একটা রাজপত্র নিয়ে আসতে হবে। " তিনি মেয়ের মাথার পাশে বসে সামনে ঝুঁকে গিয়ে তার মিষ্টি ঠোট দুটো দিয়ে মেয়ের কপালে আলতো করে একটা কিস করলেন তারপর সোজা হয়ে বসে তিনি তার ডান হাতের নরম ও কোমল আঙুলগুলো দিয়ে সারার ঘন কালো রেশমি চুলে বিলি কাটতে লাগলেন। তারপর শায়লা খান তার মেয়েকে অত্যন্ত কোমল ও মিষ্টি কণ্ঠে ডাকতে শুরু করলেন ," সারা , আমার রাজকুমারী ,আমার আম্মু সোনা , আমার বার্বি ডল উঠে পর। সকল হয়ে গেছে। " আম্মুর মিষ্টি কন্ঠের ডাক শুনে সারা তার সুদীর্ঘপল্লববিশিষ্ট বড়ো বড়ো চোখ দুটোর পাপড়ি মেলে আস্তে আস্তে আম্মুর দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে বলল ,"আমার লক্ষী আম্মু সোনা আর একটু ঘুমাতে দাওনা প্লিজ। আজ তো ছুটির দিন। কলেজ বন্ধ। " শায়লা খান তার আদরের মিষ্টি মেয়ের আবদার ফেলতে পারলেন না। "ok my sweet baby. পনের মিনিট সময় দেওয়া হলো। তার পর উঠে ফ্রেশ হয়ে সোজা ডাইনিং টেবিলে চলে আসবে। " একথা বলে শায়লা খান শাকিলের রুমে প্রবেশ করে একই ভাবে Greek mythology সৌন্দর্যের দেবতা Cupid এর মতো দেখতে তার একমাত্র তনয় শাকিল খানকে ঘুম থেকে জাগালেন। বাঙালি নারীর চিরন্তন প্রতিনিধি এই স্নেহময়ী জননী এভাবেই প্রতিদিন সকালে তার দুই সন্তানকে ঘুম থেকে জাগান। স্নেহময়ী আম্মুর এমন আদরের মিষ্টি মাখা কন্ঠের ডাক শুনে প্রতিদিন সকালে তাদের ঘুম ভাঙ্গে বলে সারা ও শাকিলের জন্য সমস্ত দিনটাই শুভকর হয়ে উঠে। সারা আর শাকিলের রুম থেকে বের হয়ে শায়লা খান সোজা কিচেনে চলে যায় এবং সকালের নাস্তা তৈরী করতে রুকসানাকে সাহায্য করতে লাগলো। আধা ঘণ্টার মধ্যেই সবাই ডাইনিং টেবিলে এসে নাস্তা করার জন্য বসে পরে। অত্যন্ত মূল্যবান বিদেশী আবলুস কাঠের তৈরী ডাইনিং টেবিলের দুপাশে তারা চারজন বসে পরে এবং রুকসানা নাস্তা পরিবেশন করতে লাগলো। টেবিলের এক পাশে বাবা-মেয়ে এবং অন্য পাশে মা -ছেলে বসে খেতে লাগলো। টুকটাক কথা বার্তার মধ্য দিয়ে নাস্তা শেষ করে তারা সবাই হল রুমের সোফায় এসে বসে।
Parent