ট্রিপল এক্স - অধ্যায় ১৫
✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪
মা-বাবাকে গুডনাইট করে শীলা আর সজল ঘরে এসে ঢুকলো। সজল ঘরের দরজা বন্ধ করতে গেলে শীলা বাধা দিলো। সজল অবাক হয়ে বললো,
- কেন রে শিলুদি? আমরা শোবো না?
- গাধা একটা।
- কিসের গাধা?
- আমাদের না কথা হয়েছিলো; আমরা যখন একা থাকবো, তখন তুই আমাকে নাম ধরে ডাকবি!
- কবে কথা হয়েছিলো, সে তো ভুলেই গেছি! তারপর, তোর মেন্স না কি হলো, আর তুই গম্ভীর হয়ে গেলি।
- সে তো মা ছেলেদের সঙ্গে মিশতে বারণ করেছিলো! এমন কি তোর সঙ্গেও। আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।
- এখন শোবো না।
- গাধা! পরে হবে। আগে দেখি ওনারা কি করছেন। — দরজাটা ফাঁক করে উঁকি মারলো শীলা।
শীলার পেছনে শরীর ঠেকিয়ে শীলার কাঁধের ওপর দিয়ে উঁকি মারলো সজল। মাঝের ঘরটা ফাঁকাই রইলো, চারজনেই, সিঁড়ির পাশে প্রথম ঘরটায় গিয়ে ঢুকলো। চট করে এক পা পিছিয়ে, ঘরে ঢুকে এলো শীলা। একটা জামা হাতে নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকতে ঢুকতে বলে গেলো,
- আমি চেঞ্জ করে আসছি, তুইও চেঞ্জ করে নে।
- এ কি রে বাবা, শিলু তো ওয়াশরুমে ঢুকলো, আমি কোথায় চেঞ্জ করবো। — একটা ব্যাগিস হাতে নিয়ে মনে মনে চিন্তা করলো সজল।
'খুট' করে আওয়াজ, ওয়াশরুমের দরজায় শিলু, পেছনে ওয়াশরুমের আলো, দরজার ফ্রেমে হাতকাটা ম্যাক্সিতে একটা অপার্থিব ছবি। শিলুকে ঠেলে ওয়াশরুমে গিয়ে ঢুকলো সজল।
ড্রেস চেঞ্জ করে বেরিয়ে, হকচকিয়ে গেলো সজল, ঘর ফাঁকা, ঘরে কেউ নেই, দরজাটা খোলা। দরজা দিয়ে উঁকি মারতেই দেখলো, শীলা মাঝের ঘরের দরজার কাছে একটু আড়াল করে দাঁড়িয়ে আছে। সজলকে দেখতে পেয়ে ইশারা করে নিজের কাছে ডেকে নিলো। সিঁড়িতে পা-য়ের আওয়াজ, চট করে সজলকে টেনে ঘরে ঢুকে পড়লো শীলা। আড়াল থেকে শুনতে পেলো "রুম সার্ভিস" তারপরেই ঘরের মধ্যে একটা হুটোপুটি। সজলকে সঙ্গে নিয়ে কাকিমা-কাকুর ঘরে উঁকি দিলো শীলা
- ই-স-স-স! কি করছে চার জনে।
মাঝের দরজার সুবাদে, বাপ-মায়ের বিছানা বিলাস অনেক বারই দেখেছে শীলা। কথা প্রসঙ্গে মিনু মাসির ওখানে কি হয় সেটাও জানে। কিন্তু, এখানে সজলের বাবা-মায়ের সঙ্গে একসঙ্গে; তাও আবার, একগাদা বাইরের লোকের সামনে। লোক গুলোর দিকে নজর গেলো।
ওঃ বাব্বা! এটা তো বন্দুক হাতে আমাদের পাড়ার কাদের আঙ্কেল। সঙ্গে দুটো বডিগার্ড, হাতে বন্দুকের বদলে ক্যামেরা। বন্দুক নিশ্চয়ই কোমরে গোঁজা।
✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪
Click for next
12,036