আমার বউ বাবার বউ, বাবার বউ আমার বউ - অধ্যায় ১

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-59186-post-5419878.html#pid5419878

Posted on Tue Nov 21 2023 by kaku50 (Profile)

714 words / 3 min read

Parent
যাক তাহলে বাবার চাপাচাপিতে শেষ পর্যন্ত বিয়ে করেই ফেললাম। সব ঝামেলা চুকিয়ে ফেলেছি এবার জোর ভেঙ্গে ফিরে আসতে পারলেই সব মিটে যায়। বেশ কয়েকদিন কাজ করতে পারি নাই আমরা কেউ, মানে আমি বাবা মা সবাই। জোর থেকে ফিরে এসে কাজে লাগতে হবে। আমরা সাধারনত জেলে আমাদের প্রধান জীবিকা হল মাছ ধরা। যদিও আমি পড়াশুনা করেছি কিন্তু এখনকার রাজ্য সরকার চাকরির হাল যা করেছে সে ভেবে সব বাদ দিয়ে বাবা মায়ের সাথে নিজেদের কাজ শুরু করেছি, গ্রামে আমাদের বাড়ি নদি নালা পুকুর অনেক মাছের চাষ করি আবার ঝিল পুকুর থেকে মাছ ধরি। বাবা আমার যেখানে বিয়ে ঠিক করেছিল ওরাও আমাদের মতনই জেলে।  আমার বাবা খুব ফ্রি সব সময় সবাইকে হাসিয়ে দেয় এটা বাবার একটা বড় গুন, কিন্তু সে তুলনায় মা অতটা না হলেও একদম কম না হয়ত বাবার কারনে মা এখন বাবার সাথে তাল মিলিয়ে কথা বলে। আমাদের একটু পরিচয় দেই। আমি অশোক সাহা, বয়স ২২ বছর। আমার বাবা বিনয় সাহা বয়স ৫০ বছর। আমার মা লীলাবতী সাহা বয়স ৪২ বছর। আমার বোন লিপি সাহা বয়স ২০ বছর, গত বছর বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। আমাদের নতুন সদস্য আমার বউ কামনা সাহা, বয়স ১৯ বছর। আমাদের একটা দুধের গাভী আছে আর একটা ছোট বচ্চা গরু শুধু দুধ খাওয়ার জন্য গরু পোষা হয়। গরুটা গাভীন কয়েক দিনের মধ্যে বাচ্চা দেবে, মা তাই বলছিল। আমার বউ কামনা সত্যি খুব ভালো মেয়ে এই আট দিনে বুঝতে পেরেছি আমাদের সবাইকে আপন করে নিয়েছে। বাবাকে বাবা ছাড়া ডাকেনা আর মাকে মা ছাড়া ডাকেনা। আর আমাকে কি গো শুনছ এই বলেই ডাকে। যা হোক জোরে গিয়ে একদিন থেকে আবার বউ নিয়ে ফিরে এলাম। আজ দশ দিন আমার বিয়ে হয়েছে। বাড়ি ফিরে এবার কাজে লাগতে হবে। বাবা মা দুজনেই তাই বলল এবার কাজে লাগতে হবে মাছ ধরতে যেতে হবে, জমা টাকা আর কতদিন খাবো। সারাদিন যাহোক রাতে বউয়ের সাথে যে আরাম পাই সে বলে বোঝাতে পারবো না আমাকে মন দিয়ে ভালোবাসে, দেহ মন উজার করে দেয় আর চরম তৃপ্তি পাই আমরা দুজনেই। ১০ দিনে প্রায় ২৫ বার আমারা মিলন করেছি। ফলে দুজনের চোখের কোনে কালি একটু পড়েছে। বাড়ি ফিরতে সন্ধ্যে হয়ে গেছে এসেই কামনা মায়ের সাথে কাজ করতে গেল আমি আর বাবা গরু ঘরে তুললাম এবং পুকুর পার ঘুরে এলাম। আমাদের গ্রামে বাড়ি বলে আমরা সকাল সকাল ঘুমিয়ে পরি রাতের খাবার ৯ টা মধ্যে শেষ হয়ে যায়, পাড়ায় আগে যেতাম কিন্তু কামনা আসার পর আর যাওয়া হয় কখন দরজা বন্ধ করব আর আমার সোনা বউকে আদর করব সে চিন্তা মনের মধ্যে তাই পাড়ায় যাওয়া হয়না। মা আর কামনা খাবার রেডি করে আমাদের ডাকল, গরীব হলেও আমাদের খাবার টেবিল আছে আর ঘরটাও এক তলা পাকা তিনটে বেডরুম, একটায় আমি আর কামনা আর একটায় বাবা মা থাকে। আমার বাবার পেটাই চেহারা ৫০ বয়স দেখলে কেউ বল্বেনা কারন চুলে এখনো পাক ধরেনি, তবে মায়ের চুলে সামান্য পাক ধরেছে, বাবার চেহারা হাল্কা পাতলা হলেও মা বেশ ভারী শরীরের, তবে আমার মা যেমন সুন্দরী তেমন আমার বউ কামনা, দুজনের গায়ের রং দুধে আলতা। সেতুলনায় আমি আর বাবা শ্যমলা রঙের। পাড়ার কাকিমারা আমার বউ দেখে বলেছে না একদম শাশুড়ির মতন হয়েছে, বৌমা না যেন মনে হয় মেয়ে। মা শুনে আহ্লাদে গদ গদ। মা বাবাকে বলতে বাবা বলল দেখে কে এনেছে দেখতে হবে তো একদম আমার মায়ের মতন। মা তা বটে আমার শাশুড়ির মতন। যাক পাড়ার সবাই বৌমাকে দেখে ভালো বলেছে। এসব কথা যদিও আমার বউর কানে যায়নি। বাবা কামনাকে একবারের জন্য মা ছাড়া ডাকেনা। এই কয়দিনে ওমা খেতে দাও, মা জল দাও মা তুমি খেয়েছ খুব খেয়াল রাখে, রাতে বিছানায় গেলে বিউ সে ক্তহা বলে বাবা খুব ভালো আমাকে খুব ভালোবাসে। আমি কেন আমার মা। বউ মায়ের কথা বলনা মায়ের মতন মা হয়না আমাকে কোন কাজ করতে দিতে চায়না শুদু বলে তোমার খেয়াল রাখার কথা বলে। যা হোক ঘরে এসে বাপ বেটা মিলে টিভি খুলে বসলাম ওরা দুজনে রান্না করছে আমরা খবর দেখছি। কিছুক্ষণ মা এসে বলল এবার আমাদের টিভি দেখার পালা আমরা সিরিয়াল দেখবো তোমরা হাত মুখ ধুয়ে এস খেতে দেব। বাবা চল বাবা আমাদের আর টিভি দেখা হবেনা। খেয়ে নেই। আমি আচ্ছা চল তাহলে। বাবা বলল চল একসাথে খাই তোমরা একসাথে বসে পর। কামনা বলল না বাবা আপনারা আগে খান আমরা পরে খাবো, দিতে তো হবে। আমাদের এটো হাতে আপনাদের দেব। বাবা কি যে বল মা তুমি আমার মা তুমি দেবে তো অসবিধা কোথায়। তোমরা আস তো। মা বলল বৌমা আসার আগে তো তোমাদের বাপ বেটাকে আমাকে দিতে হত আর আমাকে পরে খেতে হত। বাবা- আরে আমার মা এসেছে না এখন এক সাথে খাবো তোমরা বস তো।
Parent