বাধনবিহীন সেই যে বাধন - অধ্যায় ৬
অভিবাদন করার সুযোগ অবশ্য মহুয়া চৌধুরী পেলেন না। আকাশ নিজের ঘরে ঢোকা মাত্র কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়েই তাকে মেইন দরজার সাথেই চেপে ধরলো তারেক৷ দুই ঠোঁটে চেপে ধরলো তার ঠোট। শিরশির করে উঠলো মহুয়ার শরীর। কোন মতে নিজেকে ছারিয়ে নিয়ে ফিসফিস করে বললেন মহুয়া, এখন না, সোনা।
তারেক উত্তর দিলো না। নেশাতুর চোখে তাকিয়ে থাকলো শুধু।
আকাশ নিজের ল্যাপটপ খুলে বসেছে ততক্ষণে। সে জানে, তার ঘরের বাইরেই কোন এক জায়গায় তার মা'কে ভোগ করছে তারই বয়সী একটা ছেলে৷ সে ভাবলো না আর। মাথা থেকে ঝরে ফেললো এসব চিন্তা। স্নাইপার এলিট গেইমে হারিয়ে ফেললো নিজেকে।
বেশ কিছু জার্মান সৈন্যকে হত্যা করার পর আকাশ যখন খেলা ছেরে আড়মোড়া ভেংগে উঠে দাড়ালো, তখন হয়তো ১ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে৷ ঐদিকের খেলাও শেষ হয়ে যাবার কথা আরো অনেক আগে। আরেক খেলা শুরু হবে রাত ৮ টায়। ক্রিকেট খেলা৷ বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের খেলা কখনো মিস করে না আকাশ৷ এই এক জিনিস, পুরো দেশ যেখানে আবেগে এক হয়ে যায়। আকাশ ড্রয়িং রুমের দিকে এগিয়ে গেল, টিভি ছারতে।
খেলা চলছে৷ ক্রিকেট নয়৷ সে খেলা শুরু হতে আরো আধাঘন্টা বাকি। খেলা চলছে মায়ের ঘরে। দরজা হাট করেই খোলা। আকাশ স্বাভাবিক ভাবেই দরজায় দাড়ালো। খেলছে মা। তারেককে পিচ বানিয়ে তার উপর ব্যাটিং করছে দ্রুত গতিতে। কোমর নাড়িয়ে নাড়িয়ে। মায়ের মুখ দেখা যাচ্ছে না যদিও। ফর্সা পিঠ আর কোমরের ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।
আর দাড়ালো না আকাশ। ড্রয়িং রুমের সোফায় বসে টিভি ছেরে দিলো। টচ হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিং করবে আগে।