গোধূলি আলো'র গল্পগুচ্ছ - অধ্যায় ৫৪

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-62343-post-5665838.html#pid5665838

Posted on Mon Jul 15 2024 by Godhuli Alo (Profile)

Tags:incest
440 words / 2 min read

Parent
ম‌ঈনের আত্মকথাঃ প্রথম যখন নিজের সন্তানের মুখটা দেখলাম তখন পেছনের সব দুঃখ-কষ্ট ভুলে গেলাম। বাবার বাড়ি ছাড়ার পর যা যা ঘটেছে জীবনে তা তো কেবল‌ই দুঃস্বপ্নের মতো। এখনো সেই দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটে নি। কিন্তু এর জন্য ভাগ্যকে ছাড়া কখনোই আর কিছুকে দায়ী করা নি আমি। আমার মা যখন যা বলেছেন আমি তখন তাই করেছি। কিন্তু নিজের দুঃখের জন্য মাকে কখনো দোষী করি নি মনে মনেও। বরং যে সুখ মায়ের কাছ থেকে পেয়েছি তার জন্য আজীবন তার কাছে ঋণী থাকবো। এতো অল্প বয়স থেকেই অমন সুখ কজন ছেলের ভাগ্যে জোটে? এদিক থেকে তো আমি ভীষণ ভাগ্যবান। তবে মাকে আমি সব সময় মা হিসেবেই ভালোবেসেছি। কখনোই তাকে প্রেমিকা বা স্ত্রী ভাবতে পারি নি। যৌন মিলনের সময় তাকে শুধু কামনার দেবী মনে হয়। আমার লিঙ্গ দিয়ে আমি তার পুজো করি। কিন্তু মিলনের সময় পার হয়ে গেলেই তাকে আমার পুরোদস্তুর মা মনে হয়। স্বামী স্ত্রী হিসেবে আজীবন তার সাথে কাটানোর কথা ভাবতেও পারি না আমি। কিন্তু সেটা আমি এখনো প্রকাশ করি নি তার কাছে। কারণ এটা জানলে তিনি মারাত্মক কষ্ট পাবেন আমি জানি। তার পরিকল্পনা আজীবন আমার সাথে এভাবেই পার করে দেয়ার সেটা আমি খুব ভালো ভাবেই বুঝতে পারি। কিন্তু আমার নিজের‌ও তো কিছু স্বপ্ন আছে। ছেলেবেলা থেকেই গল্পের ব‌ই পড়তাম আমি। সেখানে নায়কের জায়গায় নিজেকে আর নায়িকার জায়গায় আমার কল্পজগতের এক রুপসীকে ভাবতাম। তেমন কেউ আমার জীবনে আসুক আমি তা খুব করে চাই। কিন্তু কিভাবে আসবে তেমন কেউ? ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জটিল পড়াশোনার পাশাপাশি একটা সংসারের দায়িত্ব আমার কাঁধে। সারাদিন ব্যস্ততা আর টেনশনে কাটাতে হয়। অন্য কিছু ভাবার সময় কোথায়? ভার্সিটিতে সবাই জানে আমি বিবাহিত, আমার ছেলে আছে। তবুও অনেকেই কাছে ঘেঁষতে চায় আর আমি সতর্কভাবেই তা এড়িয়ে চলি। তবে বন্ধুদের যখন দেখি গার্লফ্রেন্ড নিয়ে আড্ডা দিতে তখন কি একটুও হাহাকার ওঠে না মনের ভেতর? ওঠে। কিন্তু এড়িয়ে যেতে হয়। আজীবন এভাবে সবকিছু এড়িয়ে যাওয়াটা তো সম্ভব নয়। গার্লফ্রেন্ড নাইবা হলো। মনের মতো একটা মিষ্টি, লক্ষ্মী বৌ তো আমার পাওয়া উচিত। এ থেকে আমি নিজেকে বঞ্চিত করবো কেন? না, এই বিষয়টি নিয়ে মায়ের সাথে আলাপ করতেই হবে। মিথ্যে তাকে একটা কল্পনার জগতে রাখা ঠিক হবে না। তাকে বলতেই হবে যে আজীবন শুধু তাকে নিয়ে থাকাটা সম্ভব নয় আমার জন্য। মা এখন আর গার্মেন্টসে কাজ করে না। বাবুর দেখাশোনার জন্য তাকে বাড়িতেই থাকতে হয়। আশেপাশের অনেক বাচ্চারা এসে মায়ের কাছে টিউশন নেয়। আর তাই দিয়ে তার বেশ ভালোই আয় হয়। আর আমিও টিউশনির সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছি। আমাদের তিনজনের কোনো রকমে দিন চলে যায়। সেদিন ভার্সিটি থেকে বাসে ফিরবার সময় আমি ভাবছিলাম যে যেভাবেই হোক আজ মাকে আমার মনের কথা জানাতেই হবে। মা নিশ্চয়‌ই এতক্ষণে দুপুরের খাবার শেষে বাবুকে ঘুম পাড়িয়ে তার ছাত্র ছাত্রীদের পড়াতে বসেছেন। বাবুর কথা মনে হতেই মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। এই ক্ষুদ্র মানুষটির মুখের দিকে তাকালে জগতের আর সবকিছুর কথা ভুলে যেতে হয়।
Parent