গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে। - অধ্যায় ১৯

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73883-post-6232870.html#pid6232870

Posted on Sat Jun 06 2026 by momloverson (Profile)

Tags:incest
541 words / 2 min read

Parent
আমি- হুম তাই কর না হলে ভালো লাগবেনা তোমার। মা- ভেতরে গিয়ে সেদিন যে নরমাল ব্লাউজ কিনে দিয়েছিলাম সেটা আর নতুন ছায়া পরে একটা পুরানো শারিপরে এল আর বলল এবার চলো আমার সাথে ছাতা নিয়ে রান্না ঘরে, বৃষ্টি হলেও রান্না তো করতে হবে। আমি- হ্যা মা চলো বলে ছাতা নিয়ে মায়ের সাথে রান্না ঘরে গেলাম। দুবার বাইরে বেড়িয়ে মাকে জল আর চাল ধুয়ে দিলাম। মা- রান্না চাপিয়ে দিল আর বলল এবার কি বাবাকে নিয়ে আসবে না হলে এত বৃষ্টিতে আসতেই পারবেনা। যেভাবে নেমেছে আজকে থাক্মবে বলে মনে হয় না। আমি- এখুনি যাবো পরে যাই তোমার রান্না শেষ হোক, বাবার তো এসে খেয়ে ঘুমাবে আর কি। মা- না তুমি নিয়ে আসো দুটো ছাতা নিয়ে যাও। আমি- মা বলছিলাম কি এখন একবার রান্না ঘরে বসে দেবে তারপর বাবাকে আনতে যাই। এত বৃষ্টিতে কেউ আসবেনা এখন। মা- না দুষ্টু যেভাবে আমাকে দিয়েছ তাতেই গা ব্যাথা করছে আর আজকে না বাবা, কালকে দেবো, তোমার বাবা বাজারে চলে গেলেই দেবো। তুমি যাও এখন ওকে নিয়ে আসো। দুটো ছাতা নিয়ে যাও। আমি- ঠিক আছে মা বলে দুটো ছাতা নিয়ে ব্জারের দিকে গেলাম। বাবা খুজতে খুঝে গিয়ে একটা চায়ের দোকানে পেলাম দেখি ওখানে পেছনে বসে তাস খেলছে।ডাক দিলাম বাবা খুব বৃষ্টি হচ্ছে মা পাঠিয়েছে চলো বাড়ি চলো। বাবা- বলল ছাতা এনেছিস তুই। কয়টা এনেছিস। আমি- বললাম দুটো এনেছি। বাবা- বলল দে একটা আমার কাছে পরে যাবো তোর মায়ের রান্না হয়েছে। আমি- না মা সবে রান্না চাপিয়েছে। বাবা- তবে তুই যা খাবার ঘরে নিয়ে যেতে বলিস আমি পরে যাবো। দেরী হবে। চা খাবি নাকি। আমি- না না আমি চা খাইনা। তবে এই নাও ছাতা আমি চলে যাচ্ছি। বলে বাবার হাতে ছাতা দিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম। মা- আমাকে দেখে বলল তোর বাবা কই। আমি- বললাম তাস খেলছে দেরী করে আসবে ছাতা রেখে দিয়েছে। মা- বলল ভুল হয়ে গেছে দুটো ছাতা দিয়ে পাঠানো। আমি- বললাম বলেছে খাবার ঘরে নিয়ে যেতে দেরী করে আসবে খেলা জমেছে ওনাদের চার বন্ধুর বুঝলে। মা- তবে আমরাও ঘরে খাবার নিয়ে যাই এত বৃষ্টিতে এখানে বসে খেতে হবেনা। ভাত নামিয়েছি আর কিছু রান্না করব না। যা আছে ওই দিয়ে চালিয়ে নেবো কেমন। এই কালকে একটা মুরগী আনবি তো। অনেকদিন মাংস খাওয়া হয়না। আমি- মা তবে আমাকে একে একে দাও ঘরে রেখে আসি। মা- হ্যা তাই কর নিয়ে বড় ঘরে মেঝেতে রাখবি। আমি- একে একে সব ভাত ডাল তরকারী সব ঘরে রেখে এলাম। এরপর জগ নিয়ে জল আনতে গেলাম তাই নিয়েও এলাম। কারেনটের কোন খবর নেই। দুইদিন হল আমাদের ঘরে লাইন দিয়েছে কিন্তু আজকে আর লাইন নেই। এরপর মাকে বললাম এস এবার ঘরে যাই। মা- হ্যা চল টর্চ নিয়ে গরু ঘরে কি অবস্থা ওরা মনে হয় ভিজে গেছে যা বৃষ্টি হচ্ছিল। আমি- মাকে ছাড় নিচে নিয়ে গরু ঘরের কাছে গেলাম, মশারির মধ্যে শুয়েও পড়েছে গরু দুটো। মা- দেখে না কোন সমস্যা নেই, গরুটা সামনের জোগায় বাচ্চা দেবে বুঝলি তারপর দুধ খাওয়া যাবে। চল এবার ঘরে গিয়ে আমরা বসি। আমি- হাতে বালতি নিয়ে মাকে নিয়ে দরজায় গেলাম। তারপর মায়ের পা ধুয়ে দিয়ে নিজেও পা ধুয়ে ঘরের ভেতরে গেলাম। গামছা দিয়ে মুছে নিয়ে দুজনে ঘরের ভেতরে গেলাম বাবা মায়ের খাটে। পাশে হারিকেন জ্বলছে। মা- আবার বেড়িয়ে দরজা বন্ধ করে এসে বলল তোর বাবা কতখনে আসবে বলেছে। কি জোরে বৃষ্টি হচ্ছে বুঝতে পারছিস আগের থেকেও জোরে নেমে ছে। মুসল ধারে নেমেছে। এরমধ্যে বের হলে ভিজে যাবে আসতেই পারবেনা। আর সোজা বাশের সাকো ভাঙ্গা, আসবে সেই ব্রিজ পেরিয়ে। তুই কোথায় দিয়ে গেছিলি।
Parent