গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে। - অধ্যায় ২২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73883-post-6235607.html#pid6235607

🕰️ Posted on Tue Jun 09 2026 by ✍️ momloverson (Profile)

🏷️ Tags:
📖 775 words / 4 min read

Parent
বাবা- যাক প্রথমবার চাষ করেছিস নুয়ে পড়লে ভালো লাগত না। চল যাবি নাকি বাজারে। মা- না এখন যেতে হবে আমাকেকাজ করে দিক তুমি গেলে যাও আর হ্যা তাড়াতাড়ি এস মাংস রান্না করে বসে থাকতে পারবোনা ১ তার মধ্যে আসবে কিন্তু। বাবা- আচ্ছা বাবা আসবো ভেবনা তুমি চলে আসবো তুমি রান্না কর, আর বাবা তুই একটু গরু গুলোকে খেতে দিস, গাইটা বাচ্চা দেবে দুই একদিনের মধ্যে, অলান কেমন বড় হয়েছে দেখেছ তুমি তবে দুধ খেতে পারবো। মা- হ্যা কাল বাদে পরশু পুরনিমা ওই সময় বাচ্চা দেবে। বাবা- আচ্ছা যাই তবে আমি একটু চা খেয়ে সবার সাথে দেখা করে আসি। মা- আমার বেশী সময় লাগবেনা মাংস চাপিয়ে দিয়েছি এরপর শুধু ভাত করব তাই তাস খেলতে বসবেনা আগেই চলে আসবে। বাবা- আচ্ছা যা করিনা কেন ১ টার সময় আসলে হবে তো। মা- হ্যা দুই ঘণ্টা সময় পাবে তুমি। এই বাবা চাল কয়টা একটু ধুয়ে দে তো চাপিয়ে দেই দো চুলায় তারপর কাপড় চোপোর কাচার আছে আমাকে সাহায্য করবি তুই। বাবা- হ্যা বাবা করে দিস তোর মাকে যা করতে বলে। মা- তোমার মতন নাকি আমার ছেলে আমার সব কাজ করে দেয় তুমি দাও না। ওর মতন তুমি পারো নাকি। বাবা- ও ভালো পারে ওকে দিয়েই করাও, আমি কি তোমাকে বারন করেছি, ছেলে যখন করতে পারে ওকে দিয়ে করাও। তোমার ছেলে তোমার কাজ করবে না তো কার কাজ করবে। দে বাবা মা যেভাবে করতে বলে সেভাবেই করে দিস। এই আমি চললাম। এই বলে সোজা বাজারের দিকে হাটা শুরু করল। আমি- মায়ের পাশে বসেই বললাম মা রাতে কি হল আমি চেষ্টা করেছিলাম শোনার পারিনাই। করেছে বাবা। মা- হুম খুব খুশী হয়েছে তোর রসে একদম পিছলা ছিল ঢুকতে এক্টূও অসবিধা হয় নাই। আমি- বুঝতে পারেনিত। মা- না তবে তোর বইটা ছিল বিছানায় আমি তো খেয়াল করিনি চোখে পড়েছে ওনার দেখেই বুঝেছে যে আমি পরে খুব গরম হয়ে গেছিলাম তাই সন্দেহ করে নাই। অনেকদিন পরে ঢেলেছেও অনেক তোর মতন।   আমি- মা দেবে তো এখন একবার। তবে তুমি বাবাকে যেভাবে বললে যদি চলে আসে কি হবে। মা- আরে আমি তো ভেবেছিলাম তোর বাবা রাগ দেখাবে এমন নরন হবে তাই জানতাম নাকি কি আর করা যাবে দেখি ক্খন সুগোগ পাওয়া যায়। কালেক তো দুবার দিয়েছিস আজকে আবার না হয় রাতে দেবো তোর বাবার আসার আগে। এখন কোন রকম চান্স নেওয়া যাবেনা বুঝলি। আমি- দ্যাখ ইচ্ছে তো খুব করছিল কিন্তু ঐযে বলেছি আমি তোমাকে সারজিবনের জন্য চাই একদিনে শেষ করতে চাইনা। মা- হ্যা এভাবে আমাদের চলতে হবে, তোমার বাবাকে সামলে নিয়ে চলতে হবে। সময় সুযোগ বুঝে করতে হবে আমাদের। আমি- ঠিক আছে মা আর না হলে আমাদের তো ক্ষেত আছে তাইনা। পাটের পরে ধান হবে সেখানেও হবে এরপর জল এলে নৌকা, নৌকা নিয়ে যাবো আমাদের মাঠে কে আটকাবে। মা- আমার সোনা ছেলে অনেক বুদ্ধি আছে তোমার। নাও সোনা এবার জল নিয়ে আসো আবার গরম পড়েছে আজকেও মনে হয় ঝার বৃষ্টি হবে। তোমার বাবা এখন খুব তাড়াতাড়ি চলে আসবে ফাকে তুমি গরুগুলোকে খাবার দিয়ে স্নান করে এস। আমি- আচ্ছা বলে বেড়িয়ে গেলাম গরু ঘরে খর দিয়ে জল ওদের দিলাম। তারপর নিজেই স্নান করতে গেলাম। স্নান করছি এমন সময় বাবা আসলো আর বাবাও আমার সাথে স্নান করতে নামল। বাবা- বলল কিরে তোর মাকে তো খুব খুশী লাগছে কারন কি রে। আমি- না মানে সকালে জমি থেকে এসে মাকে বলতেই মা খুব খুশী আমি প্রথমবার ফসলের চাষ করছি তো, মা বলল বাবা তোর ফস্লটা ভালো হলেই আমি খুব খুশী। তাছাড়া তুমি বলতেই মাংস নিয়ে এলে তারজন্য হতে পারে। বাবা- হবে যেভাবে চেস্টা করেছিস তাতে ভালো ফসল হবে, মাকে নিয়ে করছিস তো, না হয়ে পারে। তোর মা আসলে লক্ষ্মী ওর ছোঁয়া যে পাবে তার ভালো হবেই। তোর মা আসার পর থেকেই তো আমাকে এইভাবে সাথ দিয়ে গেছে তাই আমার কোন অসবিধা হয়নি। এখন আর আমার ভালো লাগেনা, আসলে কি জানিস তোর মাকে তো কষ্ট ছাড়া কিছুই দিতে পারিনি আমি। তুই তবুও তো শাড়ি এবং অনেক কিছু কিনে দিয়েছিস, তোর মা এত খুশী হয়েছে কি বলব, সত্যি বলছি বাবা আমি এমনি রাগ দেখালেও সত্যি আমিও খুশী হয়েছি তুই তোর মাকে খুশী করতে পেরেছিস। আমি- বললাম আমি দিতাম নাকি তুমি তো দাও না, মা অনেক অভিযোগ করছে আমার কাছে তারপর আমি কিনে দিয়েছি। বাবা- ভালো করেছিস, তুই দিবি না তো কে দেবে। তুই ওর ছেলে তোর প্রতি ওর একটা আবদার আছে ভালো করেছিস বাবা, যা লাগে এখন থেকে তুই সব দিবি। আমি আর কিছুই সেরকম দিতে পারবো না সব তোকেই দিতে হবে বুঝি, যা চায় তি তুই তোর মাকে দিস, আমি কিছু বলব না।   আমি- বাবা তবে তোমার উপরে কিন্তু মায়ের খুব রাগ, কেন এমন করেছ তুমি। মাকে একটু সময় তো দিতে পারো। গত একমাস ধরে না হয় আমি মায়ের সাথে সবসময় কাজ করি এর আগে তো আমিও বেড়িয়ে যেতাম, মা ঘরে বাড়িতে একা একা থাকত, এরফলে মায়ের মন বিষিয়ে উঠেছিল। এখন আমি সাথে থাকি বলে মা একটু নরম হয়েছে। তাছাড়া তুমি নাকি মাকে অকারনে গালাগালিও করেছ। এসন তোমার করা কি ঠিক।
Parent