মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১১৩
আমি- তুই তো কত সুখ করলি এই কদিনে আর আমি শুধু কষ্ট পেয়ে গেলাম। আর্থিক কষ্ট মানসিক কষ্ট যা আছে কপালে তাই হবে চল বলে বাইক ছাড়লাম।
কেয়া- আমার সুখ দেখলি কিন্তু কষ্ট দেখলি না। বিয়ে দিলি দিলি এমন ছেলের সাথে দিলি যে ৪ দিন পরেই চলে গেল আর কবে আসবে জানিনা। আমার খুব সুখ হচ্ছে তাই না। আমাকে দিলি কেন বিয়ে আমি তো বিয়ে করতে চাইনি। আমি তো তোর কাছে থাকতে চেয়েছিলাম রাখলি না। তাই যা হবার হয়ে গেছে আর কিছুই হবেনা। আমাকে বিরক্ত করবিনা। আমিও তোকে কন বিরক্ত করব না।
আমি- আচ্ছা ঠিক আছে এই কথা তো তবে তাই হবে বলে জোরে বাইক চালাতে লাগলাম। আর কন কথা বললাম না। সামনে পুকুর পার ওটা পার হলেই রাস্তা, রাস্তায় উঠে একটু খানি কেয়ার বাড়ি।
কেয়া- তারজন্য আমার সাথে আর কথাও বল্বিনা।
আমি- কে বলব না তুই আমার বোন, আপদে বিপদে যখন ডাকবি আমাকে পাবি, এমনি আর কথা হবেনা। কি কথা বলব আর কিছু বলার থাকেনা। বললেই তুই বিরক্ত হবি।
কেয়া- ভাই ফোঁটা দিতে আসবনা বলছিস।
আমি- মনে হলে আসবি, আমি না করবনা বলেছিনা তুই আমার বোন, তোর জন্য আমি থাকবো। তবে আর বিরক্ত করব না।
কেয়া- দাদা গাড়ি থামা দাড়া।
আমি- কেন
কেয়া- কথা আছে
আমি- না দেরি হয়ে যাবে বাজারে যেতে হবে। যা বলবি তোর বাড়ি গিয়েও বলতে পারবি। দারিয়ে লাভ নেই।
কেয়া- না দাড়া আমার উপর রাগ করে যা খুশী তাই বলে জাবি সে হবেনা।
আমি- গাড়ি থামিয়ে বললাম বল কি বলবি।
কেয়া- সতি বলবি তো।
আমি- কেন কি মিথ্যে বলব আমার মিথ্যে বলার কন প্রয়োজন আছে কি মনে হয়না।
কেয়া- সেদিন মানে কালকে তোর আর মায়ের সাথে কথা বলছিলাম তোরা কি করছিলি।
আমি- কখন বলত।
কেয়া- ন্যাকা কিছু জানেনা মনে হয়, সকালে ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে।
আমি- ও অই সময় ট্রেনে খুব ভীর ছিল কে একজন নানার সময় মায়ের পায়ে পারা দিয়ে ছিল তাতে মায়ের লেগেছে তাই মায়ের পায়ে ম্যসাজ করে দিচ্ছিলাম।
কেয়া- না অন্য কিছু মনে হচ্ছিল চার পাঁচ মিনিট শুনেছি তোদের কথা আর শব্দ।
আমি- কি শুনেছিস বলত।
কেয়া- দাদা আমার সদ্য বিয়ে হয়েছে এ বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা আছে সেটা ভুলে যাস না।