মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১১৮

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-49023-post-5017780.html#pid5017780

Posted on Mon Nov 07 2022 by mabonerswami312 (Profile)

Tags: None
902 words / 4 min read

Parent
আমি- না অনেক দেরি হয়ে গেল এবার যেতে হবে। কেয়া- ঠিক আছে দাদা ভাইফোঁটার দিন আমাকে নিতে আসলে তখন না হয় দেখবি। মাওইমা- কেন মা এখন দেখালে ক্ষতি কি হত। কেয়া- না মা দাদার দেরি হয়ে যাচ্ছে তাই সব বের করে দেখাতে সময় লাগবে তো তাই। আপনার খাওয়ার সময় হয়ে গেছে আর দাদা মাল নিয়ে বাড়ি গিয়ে কখন স্নান করবে খাবে মা দাদার জন্য বসে থাকবে। মাওইমা- যাও দাদাকে ছেরে আস আমি যাচ্ছি স্নান করতে। আমি- আর লাগবেনা আমি একাই যেতে পারবো। বলে উঠে নামতে লাগলাম। কেয়া আমার পেছন পেছন এল। আমি কন কথা না বলে সোজা বাইক স্টার্ট করলাম আর চলে এলাম। মাল পত্র নিয়ে দোকানে এলাম আড়াইটা বেজে গেছে সব রেখে মা আর আমি বাড়ি গেলাম। মা- যেতে এত দেরি হল যে। আমি- তোমার মেয়ে আর বেইয়ান ছারছিলনা চা খেতে হল কথা বলতে বলতে দেরী হয়ে গেল। চল খেতে হবে। আমি একটু বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে দোকানে এলাম। বাবা একটু পরে এল আর আমার সাথে বেচাকিনাতে সাহায্য করতে লাগল। মা এল ৮ টার দিকে সবাইমিলে টিফিন করলাম এবং রাত ১০শ টা পর্যন্ত দোকানে থাকব বলতে মা বাবা চলে গেল। ৯ টার সময়। মাওইমা- ফোন করল বাবা কি করছ। আমি- এইত দোকানে কাস্টমার আছে। মাওইমা- ঠিক আছে আমি তবে রাখি। আমি- হ্যা রাতে পারলে আমি ফোন করব। বলে রেখে দিলাম। কেয়া কি করছে। মাওইমা- এইত আমরা এক সাথে এতখন ছিলাম ও ঘরে গেল তাই তমাকে ফোন করলাম। আমি- আচ্ছা রাখি পরে কথা বলব একা তো ব্যাস্ত। মাওইমা- আগে ব্যবসা পরে অন্য কিছু। এর মধ্যে দেখি কেয়ার ফোন ঢুকছে। কিন্তু ধরলাম না। দোকান গুছিয়ে নিলাম। পৌনে ১০ টা নাগাদ আমি কেয়াকে ফোন করলাম। কেয়া- তখন ফোন করলাম ব্যাস্ত ছিলি নাকি। আমি- হ্যা বল কি বলবি। আমি একা মা বাবা ঘরে গেল একটু আগে। আমিও যাব গুছাছিলাম। কেয়া- না এমনি ফোন করলাম কি করছিলি। আমি- বেচে থাকার লড়াই করছিলাম আর কি চাকরি তো নেই এভাবে জতটা পারি করব আর কি। কিরে রাখব বাড়ি যাব তো মায়ের সাথে কথা বললে মায়ের নাম্বারে কল কর। কেয়া- দাদা তুই আমার উপর রাগ করে আছিস জানি। আমি- না না কেন রাগ করব তুই যেটা করেছিস ঠিক করেছিস আমি ভুল ছিলাম রে আমাকে মাপ করে দিস। ভাইফোঁটায় কি লাগবে বল। কেয়া- আমার কিছু লাগবেনা। তুই আর কত কষ্ট করবি। আমার কিছু চাইনা। আমি- পাগল বলনা কি লাগবে। কেয়া- নাহ কিছু লাগবেনা আমার সবই আছে, আমার শাশুড়ি আমার কোন অভাব রাখেনি রে দাদা। আমি- ভাল তবুও যদি কিছু ইচ্ছে করে আমাকে বলিস বেশী টাকা হলে পারবোনা তবে চেষ্টা করব। কেয়া- তুই কি দিবি আমাকে। আমি- ভাবি নাই যদি বলিস তবে কালকে নিয়ে আসব। কাল বাজারে যাব তো আবার। কেয়া- নাহ লাগবেনা দাদা কিছু আনতে হবেনা। আমি- তবে রাখি বাড়ি যাব, মা বাবা বসে আছেন আমার জন্য। কেয়া- কি দিবি আমাকে বলনা তুই তো মনে কিছু একটা ভেবেছিস। আমি- যা ভেবেছিলাম সে আর তোকে দেওয়া যাবেনা, তাই বলে কি লাভ। কেয়া- বলনা দাদা আমার জন্য তুই কি ভেবেছিস। আমি- ভেবেছিলাম অনেক কিছু সে তো কিছুই কাজে লাগ্লনা। আর কি বলব। কেয়া- রাগ করিস না সোনা দাদা আমার, আমি এখন পরের বউ অনেক বিশ্বাস করে আমাকে রেখে গেছে আমি সেই বিশ্বাসের অমর্যাদা করি কি করে। আমি- কোন সমস্যা নেই আমি তোকে জোর করব না। তবে মানুষ আঘাত পেলে শেখে আমিও শিখলাম, দেখা যাক সামনে কি অপেখা করছে আমার জন্য। এই রাখি বাড়ি যাব, না হলে মা চলে আসবে আবার। কেয়া- আমি মায়ের সাথে কথা বলেছি তারপরে তোকে ফোন করব বলেছি। আমি- ও আচ্ছা বল কেয়া- বলনা দাদা কি দিবি আমাকে। আমি- বলব আবার তো কি ভাববি কে জানে। কেয়া- না কিছুই ভাববো না তুই বল সতি বলবি। আমি- ভেবেছিলাম সবার চোখের আড়ালে তোকে সুন্দর ব্রা আর প্যান্টি দেব। কেয়া- হেসে সত্যি দাদা। আমি- হ্যা সত্যি তবে সে কি দেওয়া ঠিক হবে। কেয়া- কেন দিলে কি হবে কিন্তু আমি পড়লে তুই তো দেখতে পাবিনা কেমন হল শুনতে হবে দেখতে পাবিনা। আমি- সেইজন্য বলতে চাইনি। কেয়া- কি করে দেখাবো, এ বাড়িতে শাশুড়ি আর ও বাড়িতে মা বাবা একা থাকবো না তো। আমি- ইচ্ছে থাকলে উপায় হয় তোর ইচ্ছে নেই তাই এমন ভাবছিস। কেয়া- ঠিক আছে আনবি কিন্তু আমি নেব। আমি- আচ্ছা আনবো, এবার বল তোর কি লাগবে। কেয়া- না আর কিছুনা ওই দুটো দিলেই হবে। আর সবার সামনে যা তোর দিতে ইচ্ছে হয় দিস। আমার কোন চাহিদা নেই। আমি- আচ্ছা একটা ভাল নাইটি আজ যেরকম পরেছিলি ওই রকম দেব। কেয়া- ঠিক আছে দাদা দিস আর আমাকে পরশু সকালে নিয়ে যাবি শাশুড়ি মায়ের সাথে কথা হয়েছে। পরশু সকালে আমি তোকে ফোঁটা দেব, আবার রাতে দিয়ে যাবি। দোকান বন্ধ করার পরে। আমি- আচ্ছা আমার কাছে থাকতে তোর ভয় লাগে তাই না, না ভই নেই জোর করে কিছু করব না তোকে কথা দিলাম। কেয়া- আমাদের সব কথাই রাস্তায় হল দাদা ঘরে আর কি কথা হল বল। আচ্ছা এবার বাড়ি যা নিজের বোঙ্কে ভুল বুঝিস না। আমি- না না আশা তো আছে যদি চাকরি পাই। কেয়া- হুম আমার কথা বুঝতে পেরেছিস এবারে। ভবিষ্যৎ ভাবতে হবে তো। আমি- আচ্ছা দেখা যাক বাড়ি যাই এবার। কেয়া- একটা উড়ো কিস দিল উম দাদা বলে। আমি- শিউড়ে উঠলাম এটা কি সত্যি শুনলাম। কিরে কি করলি তুই। কেয়া- কি করলাম আমার দাদাকে কিস দিলাম দূর থেকে। উম উম উম। আমি- কি করলি একেবারে দাড়িয়ে গেল যে। কেয়া- বাই আর না পরে আবার বলে উম উম করতে করতে লাইন কেটে দিল। কেয়ার এই আচরনে আমার মনে যে কি আনন্দ হল কি করে বোঝাবো, লিঙ্গটি ধরে বললাম হবে সোনা সবুর কর। পাবি আশা মনে হয় পুরন হবে। মাকে পেয়েছি, মাওইমাকে পেয়েছি এবার বোন পাবো। কি সৌভাগ্য আমার, রাজ কপাল আমার ভাবতে ভাবতে দোকান বন্ধ করলাম। এবার বাড়ি যাই শরীর গরম হয়ে গেল রাতে মাকে দেব।
Parent