মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১৭৩
মা- ঘরে ঢুকে দ্যাখ কি অবস্থা কেমন করছে।
আমি- তাকাতে দেখি বাবাও সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে হাত পা ছড়িয়ে চিত হয়ে পরে আছে শ্বাসে প্রচন্ড শব্দ হচ্ছে, লিঙ্গটা নেতানো, কাছে গিয়ে বাবা কি হিয়েছে তোমার।
বাবা- বুকে হাতদিয়ে খুব কষ্ট হচ্ছে স্বাস নিতে পারছিনা উঃ বাবা মরে যাবো।
আমি- ধরে তুলে এইসময় বসতে হয় শুয়ে থাকতে নেই, মা মশারী খুলে দাও, একটা জানলা খুলে দাও বাইরের হাওয়া আসুক। পাখা জোরে দাও।
মা- মশারী খুলে পাখা জোরে চালিয়ে দিল।
আমি- বাবাকে ধরে বসে আছি দম বন্ধ হয়ে আসছে তাইনা বাবা।
বাবা- ইশারায় হুম।
আমি- বুক ডলে দিতে লাগলাম আবার মাকে বললাম জানালা খোল না।
মা- এই অবস্থায় দাড়া কাপড় পরে নেই।
আমি- লাগবেনা এত রাতে কেউ আসবেনা খোল বাইরের হাওয়া আসলে বাবার ভাল লাগবে।
মা- তাই করল জানালা খুলে পাশে এসে বসল।
কিছু সময় যাওয়ার পরে বাবা আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হল।
আমি- বাবা জল খাবে।
বাবা- হ্যা জল খাবো।
মা- গ্লাসে জল দিল, বাবা এক চুমুকে জল খেয়ে নিল।
বাবা- বাঁচলাম মরে যাচ্ছিলাম প্রায়।
আমি- যা পারণা তা করতে যাও কেন, কি দরকার ছিল শুনি, তোমার বউ কি পালিয়ে যাচ্ছিল নাকি। শরীর আরো সুস্থ হোক তারপর দেখতে।
বাবা- হাউ হাউ করে কেঁদে দিল, আর বলল আমি কিছু পারিনারে, এ জীবন শেষ হয়ে গেছিল তুই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিস, কিছু করতে পাড়লাম না তোদের জন্য, বিশেষ করে তোর মায়ের জন্য। তোর মাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি একটুও সুখ দিতে পারিনাই আমি।
আমি- তো কি হয়েছে মা কি খারাপ হয়ে গেছে যে এত ভাবছ। আজ নয় আমি বাড়ি একা কেয়া বা তাপস ওরা থাকলে কি ভাবত, মা তো দিশেহারা হয়েগেছিল, ভাগ্যিস আমাকে ডেকেছিল।
বাবা- পাশে শুয়ে প্রতিদিন কেমন করে, ওর কষ্ট আমি অনেকদিন দেখেছি সইতে পারিনা। তাই চেষ্টা করেছিলাম।
আমি- হেঁসে কি বলব তোমাদের, আর মা তুমিও না। লজ্জা সরম নেই একদম তোমাদের। বাবার এই অবস্থা আর তুমি কিনা।