মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১৮
আমি- বাবা আমি সব করব মায়ের জন্য মা যা করতে বলবে কিন্তু মা না বললে আমি তো সব বুঝব না সেটা তুমি মাকে বলে দাও আমার কাছে যেন না লুকায়।
বাবা- মেয়ে মানুষ বুক ফাটে তো মুখ ফোটেনা, নিজেকে বুঝে করতে হবে।
মা- তোমরা বাদ দাও আমরা এম্নিতেই ভাল আছি কোন সমস্যা হচ্ছেনা।
বাবা- তুমি বোঝোনা আশা আমার কথা মন দিয়ে শুনে নাও না হলে পরে আফসোস করবে। আমাদের ছেলে অনেক দায়িত্ব নিয়েছে ও আর কত বুঝবে আমাদের বুঝিয়ে দিতে হবে। পরে আর কথা নাও বলতে পারি তাই যা বলার এখন বলে নেই।
মা- চুপ কর তোমার কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে এবার থাম।
আমি- মা বাবা বলতে পেরে হাল্কা হচ্ছে তুমি বুঝতে পারছনা।
বাবা- হ্যা রে সোনা বাপ আমার তুই আমার কষ্ট দূর করবি নাহলে মরেও শান্তি পাবনা।
মা- ঠিক আছে যা বলার বল বলে হাল্কা হও।
বাবা- মানে ত উমি চলে যাচ্ছ নাকি।
মা- না কোথায় যাবো, ভাবছি তোমাকে একটা ভাল ডাক্তার দেখাবো।
বাবা- তাতে আর কিছু হবেনা আশা আমার ভেতরের সব শেষ।
আমি- বাবা বাজে কথা বলবে না, ডাক্তার দেখালে তুমি সুস্থ হবে।
বাবা- তোরা আমাকে না বল্লেও আমি জানি ডাক্তার কি বলেছে। আমাকে আলাদা করে বলেছে কেন মিছে মায়া বাড়াচ্ছিস। আমার দিন শেষ আমি জানি। তোমরা যাতে ভাল থাকো আমি সেই চেষ্টা করছি মাত্র।
মা- তোমাকে ভাবতে হবেনা আমরা ভাল থাকব তুমি দেখবে ছেলে চাকরি পাবে আমাদের তারপর আর কষ্ট থাকবেনা।
বাবা- আশা আমি তোমাকে জীবনে সুখি করতে পারলাম না এটাই আমার দুঃখ।
মা- আমার আর লাগবেনা যা পেয়েছি সে অনেক এখন ছেলে বড় হয়েছে আমার আর কি লাগবে।
বাবা- এখনকার মেয়েরা ভালনা ঘরে এলে সংসার ছারখার করে দেয় তার জন্য আমার এইসব চিন্তা। আমি তো তোমার জন্য কিছু রেখে যেতে পারলাম না।
মা- অত ভাবতে হবেনা যা হবার হবে।
বাবা- তাই বললে হয় একটা বাঁধনের মধ্যে থাকতে হয়। তবে সংসার অটূট থাকে।
মা- আর কি বলব যা ভাল লাগে বল। তোমার যা শেষ ইচ্ছে বল।
বাবা- শোন বাবা মাকে সুখি রাখবি এটাই আমার তোর কাছে দাবী।
মা- হয়েছে রাখবে আমাকে আমার ছেলেকে আমি চিনি না ভাবছ আমার অবাধ্য হবেনা।
আমি- একদম ঠিক মা।