মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১৮০
আমি- বাদ দাও ওসব কথা, কাজের কথা বল যা করলে সসস্যা মিটবে তাই বল।
বাবা- তুই তো সব মুশকিল আছান করিস এবারো তুই কর।
আমি- মা একবার চা খাওয়াবে।
মা- আচ্ছা আমি চা করে আনছি বলে মা বেড়িয়ে গেল রান্না ঘরে।
বাবা- কিরে কি ভাবছিস।
আমি- দ্যাখ বাবা আমার বিয়ে করার ইচ্ছে নেই একদম।
বাবা- তাই বললে হয় লোকে কি বলবে।
আমি- জেভাবে চলছে চলুক পরে দেখা যাবে।
বাবা- আচ্ছা তাই হবে, কিন্তু তোর চাকরির খবর কি
আমি- জানিনা তারপর আর কোন মেসেজ আসেনি কবে কি হবে বলতে পারবোনা।
বাবা- তবে তুই বার বার আমার বেয়াইনের কথা বলিস তোর পছন্দ নাকি।
আমি- মা পেলে আর কেউ অন্য কিছু চায়।
বাবা- তবে বল আমি ঠিক করেছিনা।
আমি- হুম একদম তুমি যা করেছ আগেও বললাম স্বপ্নেও ভাবা যায় না। আমার আর বিয়ে লাগবেনা যদি মায়ের হয় তবেই হবে। বাবা তো আমি হব সমস্যা কি নাম যার হোক।
বাবা- দ্যাখ যদি হয়, তবে এই বয়েসে মা হওয়া কিন্তু রিস্ক থাকে।
আমি- মায়ের আসল বয়স কত এখন।
বাবা- ওই ৪২ হবে ১৮ তে তুই জন্মেছিস। ১৭ তে বিয়ে করেছি। হতে পারে আবার নাও হতে পারে।
আমি- দেখা যাক কি হয়। যতবার দিয়েছি ভাল করে ভরে দিয়েছি কনডম ছারাই দিয়েছি।
বাবা- দেখা যাক পরের মাসিক কি হয়।
আমি- হ্যা মায়ের কয়দিন আগে গেল এইবার বোঝা যাবে। যদি আর না হয় তো বোঝা যাবে।
বাবা- মাজখানের দশদিন হল আসল সময়। এই সময় দিলেই হয়।
এর মধ্যে মা চা নিয়ে এসে কি কথা হচ্ছে বাপ ছেলে।
বাবা- তোমাকে তোমার ছেলে পোয়াতি করবে সেই নিয়ে কথা।
মা- যা এই বয়সে হয় নাকি ও না হয় বোঝে না তুমি কি বোঝো না।
বাবা- তুমি যা দিচ্ছ তাতে হতেও পারে ফুল চাঙ্গা মেশিন।
মা- হয়েছে হয়েছে নাও চা খাও। বলে আমাকে বাবাকে চা দিল।
বাবা- চায়ে চুমুক দিয়ে দেখেছি তুই বললি আর কত ভাল চা করে নিয়েছে, আমি বললে পানশা না হয় জল ফোটেনা আর এখন উঃ কি সুন্দর চা করেছে।
মা- এই এবার কিন্তু বেশী বেশী হয়ে যাচ্ছে, হ্যা আমি আমার ছেলেকে ভালবাসি তাতে তোমার কি।
বাবা- সব মা তার ছেলেকে ভালবাসে কিন্তু তুমি আর ছেলে যে ভালবাসা কর সে কয়জন মা ছেলে করে।
মা- আমার জানার দরকার নেই, আমি এমন পেলেই হল। তোমার এখন জ্বলছে কেন।
বাবা- কি করব আমি তো তোমার মতন পেলাম না।