মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ২১
সবাই মিলে খেলাম তারপর আমার ঘরে এলাম। কিছু ভাল লাগছিলনা।কি সব হচ্ছে তাই ভাবতে লাগলাম। বোন পড়াশুনা করছিল। বেশ কিছুখন পরে মা এল।
মা- কি সব হচ্ছে আমার আর ভাল লাগছেনা বাবা। তোর বাবা মনে হয় আর বাচবেনা।
আমি- আমার তাই মনে হচ্ছে মা তারজন্য চাইলে না করতে পারিনাই।
মা- আমি বুঝি কিন্তু যা সব বলে মানা যায় বল।
আমি- মা বাবা মাতাল হলেও কিন্তু কারো সামনে ওই সব বলছে না আমরা ফাঁকা থাকলে বলছে সেটা খেয়াল করেছ।
মা- হুম
আমি- তাহলে এত অভিমান করোনা।
মা- তবুও এমন কথা মানা যায় তুই বল।
আমি- বাদ দাও না দুদিনের অতিথি ভেবে মাপ করে দাও।
মা- আমার আর ভাল লাগেনা, এমন কথা শুনতে।
আমি- মা বাবা মারা গেলে আর বল্বেনা কেউ।
মা- তবুও আর সইতে পারছিনা।
আমি- বাবা ঘুমিয়ে পড়েছে।
মা- হ্যা পেতে পরেছেনা আর হুশ আছে।
আমি- বোন কি করছে
মা- পড়াশুনা করছিল এখন কি করে কে জানে।
আমি- দেখে আস কি করছে।
মা- দাঁড়া দেখে আসছি বলে বেড়িয়ে গেল।
কিছুখন পর মা এসে বলল পড়াশুনা করছে, ঘুমায়নি।
আমি- মোবাইল ঘাটে না তো।
মা- না পড়ছে।
আমি- তুমি যাও আমিও ঘুমাই,
মা- আচ্ছা তবে কালকে কিন্তু দিবিনা এনে।
আমি- আচ্ছা ঠিক আছে। এবার ঘুমাও।
পরের দিন দোকানে গেলাম মাল আনার ছিল তাই মার্কেটে গিয়ে মাল নিয়ে এলাম। ঘরে ফিরতে বেলা ২ টার বেশী বেজে গেল। খেয়ে একটু ঘুমালাম। বিকেলে দোকানে গেলাম। বোন সন্ধ্যে বেলা এসে বলল দাদা আমার বান্ধবীর জন্ম দিন যেতে হবে।
আমি- মাকে বলেছিস কখন ফিরবি।
বোন- আমাকে একটু নিয়ে আসবি ওই পাড়ায় আসতে রাত অনেক হবে। আর মা তোর কাছে বলে যেতে বলেছে।
আমি- আচ্ছা জাবি যা আমাকে ফোন করবি, আমি গিয়ে নিয়ে আসব। একা আসবিনা।
বোন- ঠিক আছে দাদা খাওয়া হলে তোকে ফোন করব। বাড়ি গিয়ে আমি গেলাম।
আমি- যা
কিছুখন পর মা আর বাবা এল। বাবাকে রেখে মা চলে গেল। বাবা আবার সেই কান্না কাটি করছে একটু দে বাবা।
আমি- আর দেখে থাকতে পারলাম না। তাই এনেই দিলাম বাবাকে। কিন্ত বললাম মা আসলে একদম বাজে কথা বল্বেনা।
বাবা- আচ্ছা এর মধ্যে বোন চলে গেল।
তখন সন্ধ্যে ৭ টা বাজে। আমি বেচাকিনা করছিলাম। আজ ছুটির দিন তাই দোকানে ভীর ছিল। দেখতে দেখতে ৯ টা বেজে গেল। ফাঁকা হলাম ৯ টার পরে। বাবা পেছনের বারান্দায় একা শুয়ে ছিল। খুক খুক করে মাঝে মাঝে কাশি দিচ্ছিল।
মা এল তখন সারে ৯টা বাজে। মাকে দেখেই বাবার সেই বুলি এই মাগী এতখন কোথায় ছিলি, ছেলেটা একা একা কত কষ্ট করে আর তুমি ঘরে ঘুমাও।
মা- মুখ ঝামটা মেরে বলল তোমার পিণ্ডি জোগাড় করতে হবেনা, ঘরে গিয়েই তো গিলতে চাইবে।
বাবা- এত সময় লাগে ছেলেটার একা একা সামাল দিতে কষ্ট হয় বুঝতে পারছনা, দুই ঘন্টায় এক সেকেন্ড দারাতে পারেনি।
আমি- বাবা মা তোমরা থামবে আমি পেরেছি তো সমস্যা কোথায়।
বাবা- তুই শুধু কষ্ট করে যাবি আর এনারা আরাম করবে, কেয়া তো বাদাম দিতে চলে গেছে আর তোর মা ঘরে বসে আরাম করছিল তোর কথা কেউ ভাবেনা।
আমি- ভাবতে হবেনা তোমার ঝগড়া বাদ দাও।
মা- কাঁদতে কাঁদতে বলল আমি তো মানুষ না মেশিন সবাইকে দেখতে হবে।
আমি- মা থাম আমি কি কিছু বলেছি চুপ কর আমার আর ভাললাগেনা তোমাদের এই নিত্ত দিনের ঝগড়া। মাঝে মাঝে মনে হয় সব ছেরে চলে যাই এত খেটেও তোমাদের মন জোগাড় করতে পারলাম না।
মা- তুইও আমাকে কথা সোনাচ্ছিস আমার আর বেচে থেকে লাভ কি।
আমি- তুমি চুপ কর বাবাকে নিয়ে ঘরে যাও আমি বন্ধ করে আসছি। আবার কেয়াকে আনতে যেতে হবে।
মা বাবাকে নিয়ে ঘরে গেল। আমি বন্ধ করে ফিরলাম। আ মি মা বাবা সবাই মিলে খেলাম। ঘরে এসে বসলাম। মোবাইল খাওয়ার ঘরে রেখে এসেছিলাম। তখন রাত ১১ টা বাজে । বোন ফোন করতে মা আমাকে এসে বলল যা ওকে নিয়ে আয়।