মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ৩০
6/7 মিনিট পরে মেসেজ পেলাম সোনা আছ।
আমি- হ্যাঁ সোনা তোমার মেয়ে কি করে এখন।
মা- বুঝতে পারলাম না আলো নেভানো বোঝা গেল না।
আমি- ভেবনা ঘুমিয়ে গেছে অনলাইনে নেই এখন।
মা- জানতো ওকে নিয়ে আমার ভয় হয়, কখন কোথায় কি করে কে জানে ওর শরীরের গঠন যা হচ্ছে।
আমি- হু মা মেয়ে একই রকম প্রায়। পেছন থেকে বোঝা কষ্ট।
মা- তুমি বুঝি পেছন থেকে দেখ তাই না।
আমি- দেখার মতন হলে না দেখে থাকা যায় তুমি বল আর সামনে থাকলে কি করি।
মা- ওরে দুষ্ট ছেলে মা বোনের পেছন দেখে।
আমি- বা তোমরা সামনে এসে থাকলে আমি না দেখে থাকি কি করে।
মা- এ ঠিক না মা বোনকে এভাবে দেখতে নেই সোনা আমার, তুমি ভাল ছেলে।
আমি- ভাল ছেলে বলেই তো সত্যি বললাম সোনা তুমি বোঝ না।
মা- আমি মা সব বুঝি বলেই তো তোমাকে বলছি সোনা।দেখ ওই চাকরিটা পাও নাকি তবে আমাদের সব আসা পুরন হবে।
আমি- কি আসা মা বলনা।
মা- আমি তো আশালতা আসা নই।
আমি- তুমি কার আশালতা।
মা- ছিলাম একজনের এখনো আছি তবে পরে থাকতে পারবো কিনা জানি না, গতি প্রকৃতি অন্য দিকে যেতে পারে। আর সেই আমাকে অন্য পথে যেতে বলছে।
আমি- কোন পথে মা বলনা।
মা- ওই একই কথা সময় হলে বলব, এখনো সময় হয় নাই।
আমি- কবে সময় হবে সোনা আমার।
মা- বলব সোনা বলব সময় হউক। তুমি উতলা হয়ে পড়েছ, সবুরে মেওয়া ফলে বুঝলে।
আমি- আমি যে খুব উতলা হয়ে গেছি সোনা বুঝতে পারছ না।
অনেখন উত্তর পাচ্ছিনা। অপেক্ষা করছি। তাই আবার মেসেজ দিলাম কি হল সোনা।
মা- তোমার বাবা উঠেছে আজ আর পারবোনা, যদি সুজোগ হয় মেসেজ দেব।