মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ৪২

Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-49023-post-4932128.html#pid4932128

Posted on Mon Aug 29 2022 by mabonerswami312 (Profile)

Tags: None
463 words / 2 min read

Parent
ওনারা বললেন ঠিক আছে তাই হবে। গোধুলি লগ্নে বিয়ে হবে সোমবার আর রাতেই আমরা নিয়ে যাবো।বুধবার বউভাত শুক্রবার জোর ভেঙ্গে রবিবার চলে যাবে। মা- তাই হবে আর কি। ওনারা বললেন কালকে আমাদের বাড়ি আপনারা আসেন সামাজিক একটা দিক তো থাকে। কয়জন যাবেন বলেন। আমি- আর কয়জন আমি মা বাবা তো যেতে পারবেনা দেখি মামা যদি আসে তো, পিসি অনেক দূরে আসতে পারবে না। সকালে ফোন করে বলে দেব। সবাইকে চা মিষ্টি দিয়ে বিদায় করলাম তখন রাত ৮ টা বেজে গেছে। আমি সাথে সাথে বেড়িয়ে এলাম দোকানে। মা- তুই যা আমি আর যেতে পারবোনা অনেক কাজ এগুলো ধোয়া ধুয়ি করতে হবে। আমি- আচ্ছা মা বলে দোকানে গেলাম। বিকেলে খুলি নাই আর কি কাস্টমার হয় বসেই আছি। টুকটাক বেচাকেনা হল। ৯টা বাজতে গেল, কারো দেখা নেই, না মা না বোন। বোন যে খুব রাগ করেছে সেটা বুঝতে পেরেছি। তাই কেয়াকে ফোন করলাম কই তুই। কেয়া- ঘরে আমি- আয়না এখানে। কেয়া- না ভাল লাগেনা দাদা সব শেষ করে দিলি, আমার আশা ভালবাসা সব শেষ। আমি- আয় কথা আছে কেয়া- না তুই বাড়ি আয়। আমি- আমার সোনা বোন আয় একবার বাড়ি গিয়ে কথা বলা যাবেনা। কেয়া- আসছি দাদা।   আমি অপেক্ষা করছি কেয়ার জন্য। কিছুখন পর কেয়া এল। কেয়া- কি হয়েছে বল। আমি- রাগ করেছিস, আমার উপর। কেয়া- না রাগ করে কি করব, তবে তুই আমার আদর্শ ছিলি দাদা সব শেষ আমি অন্য বাড়ি চলে যাবো এটাই তুই চাইছিলি তাই না। আমি- তুই বুঝতে পারছিস না কেন করেছি। আমাদের ভালর জন্য ভবিষ্যৎ ভাল করার জন্য। যাতে কোন বাঁধা না থাকে। কেয়া- আমার বিশ্বাস হয় না তোর কথা। কি করে বিশ্বাস করব বল। কত ভালবেসেছি তোকে বিশেষ করে সেদিনের পর থেকে। আমি- বুঝি সোনা বোন আমার কয়টা দিন তো মাত্র ৪ দিন, তারপর আবার একা থাকবি। তখন আমাদের এখানে থাকবি তখন সব হবে। বাবা মৃত্যু পথ যাত্রী, বাবার শেষ ইচ্ছে রাখবি না। আমি তোর তুই আমার। এর পর বাড়িতে থাকলে কেউ কিছু বলতে পারবেনা। কত সুবিধা হবে। কেয়া- বাড়িতে থেকে কি করব আমি তো অন্য কারো হয়ে গেলাম। আমি- লোকের কাছে অন্যের আসলে তো তুই আমার। কেয়া- জানিনা দাদা আমি ভাবতে পারছিনা যাকে ভালোবাসি না তার কাছে থাকতে হবে না এ আমি পারবোনা। তুই কিছু একটা কর। আমি- একটা কথা বলব মেনে নে আমাদের ভাল হবে। কেয়া- তুই বলছিস বলে আমি না করি নি। সব তোর হাঁতে না হলে আমার মরা ছাড়া উপায় থাকবে না। আমি সারাজীবন ওর সাথে থাকতে পারবোনা। আমি- মা কি করছে রে। কেয়া- মা বাসন ধুচ্ছিল তারপর রাতের রান্না করবে। আমি- বেচাকিনা নেই বন্ধ করি কি বল। কেয়া- হ্যাঁ কর আমি- বাইরের জিনিস  ভেতরে এনে শাটার বন্ধ করলাম। এবং মাকে ফোন করলাম। মা- কি বল কি করছিস। আমি- এইত কেয়া এসেছে বন্ধ করব ভাবছি। মা- রান্না হয় নি একটু পরে বন্ধ করে আয়। ৩০ মিনিট লাগবে। আমি- আচ্ছা মা আমি কেয়া বন্ধ করে আসছি। মা- তাই কর কাল বিকেলেও বন্ধ থাকবে ওদের বাড়ি যেতে হবে।
Parent