মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ৪৪
বসেই আছি কিন্তু মায়ের কোন মেসেজ পাচ্ছিনা। কি করছে এখন মা আজ ও কি আমার আইডি খুজে পাচ্ছেনা।
আমি- সোনা কি করছ বিছানায় আসতে পারো নাই।
সাথে সাথে মায়ের মেসেজ হ্যাঁ সোনা এসেছি ওই তোমার আইডি পাচ্ছিলাম না।
আমি- সারদিন অনেক কষ্ট গেল তোমার, নতুন জামাই পাবে সেই আনন্দে তাদের খাওয়ালে।
মা- আর জামাই মেয়ের বিয়ে দিতে হবে না কষ্ট তো একটু করতে হবে।
আমি- জামাই বেশ হ্যান্ডসাম কিন্তু বলিস্ট ফিগার তোমার মেয়েকে সুখে রাখবে।
মা- শুধু আমার জামাই তোমার না তুমি তো বাবা হবে।
আমি- হু সোনা, আমারও জামাই কিন্তু ফায়দা তো তোমার হবে।
মা- না সোনা আমি যে অন্য কারো হব, জামাই আমার লাগবেনা।
আমি- তুমি কার হবে সোনা, তাকে কি আমি চিনি। সে আমার কি হবে গো।
মা- সে তোমার কি হবে সেটা ভাবতেই পারিনা। তোমার কত কিছু হবে অনেক সম্পর্ক তার সাথে তোমার।
আমি- কি কি সোনা বলবে।
মা- তুমি জানো সোনা কি কি হবে নিজেই বলনা না পারলে আমি বলে দেব।
আমি- সে আমার নতুন বাবা হবে তাইত।
মা- হুম, আর কি বল।
আমি- তোমার মেয়ের বাবা হবে, আর তোমার গোপন স্বামী হবে। আমি তাকে বাবা বলে ডাকবো কি করে।
মা- ডাকতে হবেনা, ভাবলেই হবে। নতুন বাবা।
আমি- সে তো ভেবেই চলেছি সময় যে কাটছেনা সোনা, আর নিজেকে সামলাতে পারছিনা কষ্ট হচ্ছে সোনা।
মা- সবুরের ফল মিঠা হয়। বুঝলে আমার সোনা মানিক। আর মাত্র কয়কদিন।
আমি- কবে মিলন হবে সোনা।
মা- তোমার মেয়ের ফুলসজ্যা হয়ে যাক তারপর।
আমি- শুধু মেয়ের হবে কেন ওর বাবার ও ঐ দিন হয়ে যাক।
মা- ভেবে দেখব, সময় সুযোগ হলে হবে। শুধু তো ওই কাজ না অনেক কথা গল্প ভবিষ্যৎ কত কথা হবে তাই না।
আমি- ওই কাজ মানে কি কাজ সোনা।
মা- যার জন্য তুমি উতলা হয়ে আছে।
আমি- আমি তো উতলা হয়ে আছি আর তুমি কেমন আছ সোনা ইচ্ছে করছেনা তোমার।
মা- হুম খুব কিন্তু সময় হোক হলেই হবে।
আমি- এত বাঁধা কেন সোনা আগেই হতে পারেনা।
মা- না সোনা সব কিছুর একটা সময় আছে তাড়াহুড়া করলে যদি ধরা পরে যাই কি হবে এখনকার মেয়েরা অনেক সজাগ। তাই মেয়ে বিয়ে না দিয়ে কিছুই হবেনা।
আমি- আমাদের মেয়ে সুখে থাকবে জামাই ভাল হবে কি বল।
মা- আমি সেই জন্যই বিয়েতে রাজি হলাম। চাকরি করে আবার ছোট সংসার।
আমি- কিন্তু জামাই তো বছরের ৯ মাস বাড়ি থাকবেনা তোমার মেয়ে কি করে থাকবে ওর কষ্ট হবেনা।
মা- তা হবে কিন্তু ভবিষ্যৎ ভাল তাই রাজি হলাম।
আমি- একটা কথা শুনেছি খেতে পড়তে যাই দেও ওইটা দিতে হয়, ওইটা দিতে না পারলে বউ থাকেনা, আর তোমার মেয়ে তো ওই টা পাবেনা ঠিক মতন।
মা- দেখা যাবে না হলে জোগার করে নেবে আমার মতন।
আমি- তোমার মতন জোগার করতে গেলে ২০/২২ বছর সময় লাগবে। ততদিন কি করে চলবে।
মা- বললাম না দেখা যাবে আমরা আছি তো।
আমি- আমরা থেকে কি করব ওর বল তুমি।
মা- আমার তো বয়স হয়ে গেছে আর কয়দিন কিন্তু।
আমি- কি কিন্তু সোনা বলনা।
মা- তুমি এখন কি করছ সোনা খালি গায়ে না কি অন্যভাবে।
আমি- না খালি গায়ে কিন্তু লুঙ্গি পরা। তুমি টপিক কেন চেঞ্জ করলে বললে না তো।
মা- বলব সময় হোক আগে থেকে ঠিক করা ঠিক না দেখ কি হয়। জামাই কি করে দেখতে হবে তো। আমার মেয়ে ওর কষ্ট হতে দেব, তুমি ভাবলে কি করে। তোমার বাবা আছেন তো এখনো। সে কি বলে আগে থেকে এতকিছু ভেবে লাভ নেই। হতে দাও তখন দেখব।
আমি- আচ্ছা তবে ভাবিয়া করিও কাজ কথা আছে।
মা- জানি সোনা আমি তোমার থেকে বয়সে এবং অভিজ্ঞতায় অনেক বেশী।
আমি- তুমি অভিজ্ঞ বলেই তো আমার এত টান তোমার প্রতি, সব শিখিয়ে নিতে পারবে।
মা- হুম জানি জানি এখনকার ছেলেরা বয়স্ক মহিলা এইজন্য ভালবাসে। তুমি ব্যাতক্রম না।
আমি- তুমি কি পরে আছ এখন।
মা- ছায়া আর ব্লাউজ শাড়ি খুলে রেখেছি।
আমি- উহ চোখ বুজলে আমি দেখতে পাই তোমার রুপ যৌবন। এই সোনা ব্রা আছে ভেতরে।
মা- মা না টাইট লাগে তাই খুলে রেখে দিয়েছি।