মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ৪৭
কেয়া- জানিনা ভাল লাগছিলনা তবুও অনেখন কথা বলেছি।
আমি- তোকে গরম করেছিল নাকি।
কেয়া- না সে সাহস নেই, এটা সেটা কত কথা।
আমি- যাক তো অত ভাবিস কেন, আমি আছি না।
কেয়া- দাদা আমি তোর মুখ চেয়ে সব মেনে নিয়েছি।
আমি- দেখবি এতে আমাদের ভালো হবে খারাপ হবেনা। একদম চিন্তা করিস না দাদা আছে থাকবে চিরকাল। ওর হাত ধরে এসব কথা বলছিলাম। আমি বিকেলে পিল এনে দেব এখন থেকে খাওয়া শুরু করবি তবে আর সমস্যা হবেনা।
কেয়া- তাই দিস।
আমি- আর হ্যাঁ ওর সাথে কথা বলবি ওর কি মনের অবস্থা কি করতে চায় সব জানবি।
কেয়া- অর বয়স কত জানিস দাদা।
আমি- না বলল তো ২৮ বছর।
কেয়া- ১৯৯০ সালে জন্ম তবে কত হয়।
আমি- ৩২ বছর।
কেয়া- আমার থেকে ১৩ বছরের বড়।
আমি- বড় হলে সব দিক দিয়ে বড় হয়, টাকা পয়সা, এবং ওটা।
কেয়া- আমি চাইনা আমি যেটা চাই সেটা পেলেই হবে।
আমি- সেটা তোর জন্য রেখে দেব বলছি তো, তোর থাকবে। দেখেছিস বাবা কেমন ফুরফুরে মেজাজে আছে। আমাদের কর্তব্য আছে বাবা মায়ের প্রতি। বাবা এখন গালাগাল করেনা।
কেয়া- তার জন্য আমাকে বিসর্জন দিচ্ছিস।
আমি- না লাইসেন্স জোগার করছি বলেছি না তোকে।
কেয়া- একটা মৃদু হাঁসি দিল, আর বলল দোকানে যা আবার ও বাড়ি যাবি তো।
আমি- হ্যাঁ মামা আসবে
কেয়া- কেন ডাকতে গেলি আমাদের বিপদের সময় আসে নাই এখন কি দরকার।
আমি- যাক তো আমি যাচ্ছি দোকানে। মায়ের কাছে কাছে থাকিস কেমন সোনা বোন আমার।
কেয়া- ঠিক আছে দাদা।
আমি- মন খারাপ হলে আমাকে মেসেজ দিস মেসেঞ্জারে চ্যাট তো করতে পারি।
কেয়া- ঠিক আছে দাদা আমি একদম এই কথা ভাবি নাই।
আমি- হুম পাগলি এবার আসি। বলে বেড়িয়ে এলাম দোকানে।
সকালের কেনা বেচা ভালই করলাম। ক্যাশ টাকা দরকার। সমিতির লোক আসলে লনের কথা বললাম। ওরা রাজি হয়েছে দিতে। কালকে দেবে ওদের অফিস যেতে হবে। বেলা সারে ১২ টা বাজে এই সময় পিওন এল আমাকে একটা চিঠি দিল। খুলে দেখি আমি চাকরির পরীক্ষায় পাশ করেছি ভাইবার তারিখ দিয়েছে। আনন্দে বাড়ি দৌড়ে গেলাম। বাবা মাকে বলতে খুব খুশি হল। কেয়া শুনে আনন্দে লাফাতে লাগল। আর বলল দাদা ভাইবা ভাল করে দিবি যাতে চাকরি হয়।
আমি- আচ্ছা তারিখ কত দেখ তো।
কেয়া- ১১ দিন পরে।
আমি তবে সব ঠিক হয়ে যাবে তোর এই বিয়ের ঝামেলা শেষ হয়ে যাবে।
কেয়া- আমাকে তারাতে পারলে তোদের আর ঝামেলা থাকবেনা তাই না দাদা আমি তোদের বেশী হয়ে গেছি তাইত।
মা- কেয়া তুই কি বলছিস তোর দাদা এই বয়েসে যা দ্বায়িত্ব নিয়েছে আবার দাদার উপর রাগ করছিস।
আমি- মা ও ছোট বলে বলুক না। আমার বোন তো অভিমান থাকেতেই পারে।
মা- দেখ দেখ এরকম মনের হতে হয়। কত উদার। এমন ছেলে পেতে ধরে আমি ধন্য।
আমি- মা দোকানে যাচ্ছি কেয়া রেখে দে এটা বলে বেড়িয়ে গেলাম। দোকান বন্ধ করে বাড়ি এলাম ১ টার সময়। এর মধ্যে মামা এসে গেছে। আমরা সবাই মিলে খেয়ে নিয়ে রেডি হয়ে ৩ টার সময় বাবা আর কেয়াকে রেখে ও বাড়ি রওয়ানা দিলাম একটা টোটো ভারা করে যেতে ৪ টা বেজে গেল। মানে অত সময় লাগেনা কিন্তু একটু সময় নিয়ে গেলাম। আমাদের সাথে পাড়ার কাকিমা গেলেন যে এই সমন্ধ এনেছেন।
আমরা গিয়ে বসতে লক্ষ্য করলাম বেশ বড় বাড়ি, ছেলের বাবাও আর্মিতে ছিলেন। কিছুখন পর মনে হয় ছেলের মা আমাদের জন্য চা বিস্কুট নিয়ে এলেন। অপরুপা সুন্দরী মায়ের বয়সী হবে মনে হয় বা একটু বেশি। ধবধবে ফর্সা মহিলা। আমার চোখ এরাতে পারল না ওনার রুপ আর যৌবন। মনে মনে ভাবলাম বোকাচোদা এমন মা থাকতে আবার বিয়ে করছে কেন।
আবার ভাবলাম আমার মতন তো সবাই না। যে মাকে ভালবাসবে। যা হোক চা খেলাম তাপস আমাদের সামনে এল রিতি মেনে মামা মা কিছু প্রশ্ন করল। তারপর আবার খাবার।এর পর মা আর হবু মায়ের বেইয়ান গল্প করতে লাগল। তাপস আমাকে বলল দাদা চলেন বাইরে আমাদের বাড়ি ঘুরে দেখবেন। বাইরে গেলাম বিশাল বাড়ি পাচিল ঘেরা বাগান পুকুর সব আছে।
তাপস- দাদা মা একা বাড়িতে থাকে তাই এখন বিয়ে করা না হলে ৩ বছর পর বিয়ে করতাম একবারে বাড়ি এসে।
আমি- আচ্ছা তুমি এর পর ছুটি পাবে কত দিনে।
তাপস- সবলতে পারবোনা ৩ মাস পরে হতে পারে আবার ৬ মাস লাগতে পারে। তবে গিয়ে ২ মাস পরে ছুটির আপ্লাই করব। দেখি যদি পাই চলে আসবো। বোঝেন তো আমাদের চাকরি কখন কোথায় ডিউটি পরে, যদি কাশ্মীরে পরে তো ছুটি পাওয়া কষ্ট। এখন যেখানে আছি কোন সমস্যা নেই, শুধু খাওয়া আর ঘুমানো সকালে জিম করতে হয় মাত্র। খুব ভাল আছি দাদা।
আমি- যাক ভাল থাকো। চল বাড়ির মানে ঘরে যাই জানো তো দোকান আছে ফিরতে হবে। আর হ্যাঁ একটা চাকরির পরীক্ষা দিয়েছিলাম পাশ করেছি ১১ দিন পরে ভাইবা দেখা যাক কি হয়।
তাপস- কেয়া বলেছে দাদা। ওকে ফোন করেছিলাম।
আমি- আচ্ছা ভালই হয়েছে, জানো তো আমাদের অবস্থা বাবা অক্ষম কিছুই পারেনা আমাকে সব সামলাতে হয়।