মা শুধু আমার - অধ্যায় ২০
বোন- ও এত তাড়াতাড়ি এল দেখি বলে বেড়িয়ে গেল আমিও বের হলাম।
আমার ভগ্নীপতি এইত মা দাদা এসেছে বলতে আমাকে ছুটি দিয়ে দিল তাইত চলে এলাম।
আমি- ভালো করেছ ভাই এসেছ আসো ভেতরে আসো। ওমা তোমার জামাইকে খেতে দাও সেই তো সকালে খেয়ে গেছে।
বোন- এই শোন আমি একটু দাদার সাথে বের হচ্ছি তুমি ঘরে থাকো আর স্কুটি নিয়ে এসেছ ভালো হয়েছে, আমরা যেতে পারবো তাহলে তাড়াতাড়ি ফিরে আস্তে পারবো। তুমি খেয়ে নাও আর মেয়েকে দেখে রেখ যদিও মা আছে তবুও চল দাদাভাই আমরা যাই।
আমি- ওমা টাকা দাও।
মা- চল ভেতরে দিচ্ছি।
আমি- সব টাকা মায়ের কাছে পাঠাতাম। দুজনে ঘরে এলাম।
মা- আলমারি খুলে আমাকে টাকা দিতে গিয়ে বলল কত লাগবে। কি কিনবি।
আমি- দাও না এখন বোনকে কিনে দেব পরে মাকে কিনে দেব দাওনা তুমি।
মা- টাকা দিতে দিতে বলল কি কি কিনবি।
আমি- সে জানিনা বোন কি নেয় তবে তোমার জন্য সব কিনবো বুঝলে।
মা- মানে কি কিনবি।
আমি- তোমার জন্য আমি প্যার নুপুর কিনবো যেটা পরে আছ ওর থেকে ভালো এক জোরা।
মা- আর কি শুনি।
আমি- কেন তোমার ছায়া ব্লাউজ শাড়ি সব কিনবো। তোমাকে আমি সাজাবো মা।
মা- পাগল এই বয়সে সেজে কি হবে আমার।
আমি- কি আবার সুন্দরী লাগবে তুমি তোমার ওই রাঙ্গা ঠোটে তুমি লিপ্সটিক পড়লে যা লাগবেনা মা, খুব রসালো তোমার ঠোট মা। গলায় হার পরবে। তবে মা তোমার চুল পাকেনি তাইনা।
মা- পাগল প্রায় সব পেকে গেছে আমি তো কালার করি।
আমি- মা তবে তোমার যে চুল পেকে গেছে না বললে আমি বুঝতেই পারতাম না, তোমার বয়স অনেক কম লাগে। তোমার কি সুন্দর গঠন মা, তুমি সাজবেনা তো কে সাজবে তোমাকে আমি সাজিয়ে গুছিয়ে রাখবো। তুমি রেডি থাকবে ওরা চলে গেলে আমরা বাজারে যাবো কেমন। তোমাকে সব কিনে দেব নতুন করে তুমি সেজে আমাকে দেখাবে। আমি আমার অপরূপা সুন্দরী মাকে দেখবো।
মা- একটা দীর্ঘ নিস্বাস দিয়ে বলল যার দেখার কথা সে তো কিছুই বোঝেনা, বাঃ বোঝার চেষ্টাও করেনা কি হবে আমার সেজে।
আমি- বাবার কথা বাদ দাও তো তোমার ছেলেকে দেখাবে তাতেই হবে। তুমি এখনো অনেক বেশী সুন্দরী কেন তুমি সাজবেনা মা, আমার জন্য তোমাকে সাজতে হবে, তোমার ছেলে তোমাকে সাজাতে পারলে ভালো লাগবে আমার জন্য সাজবে তুমি।
মা- সব মেয়েদের সাজতে ইচ্ছে করে কিন্তু তার ফল তো জিরো তাইনা, তোমার বাবা আবার কি বলে।
আমি- মা ভেবনা তো আমি তো আছি, বলেছিনা বাবাকে লাগ্লবেনা, আমি আছি মা তোমার জন্য। তোমার কোন সখ আমি অপূরণ রাখবোনা মা।
মা- সব কি ইচ্ছে করলেই হয় বাবা স্বামী আর ছেলে কি এক হয়।
আমি- সে হয়না মা কিন্তু তোমার ছেলে তো সক্ষম, অত ভাবছ কেন তুমি সব আমার উপর ছেরে দাও মা এবার তোমার সুখের পালা আগে কি হয়েছে ভুলে যাও। আমি আমার মায়ের কষ্ট দেখতে পারবো না বলে দিলাম কেন এত কষ্ট করে বিদেশে কাজ করে এলাম মাকে সুখী করব বলে। আমার মায়ের সুখের জন্য আমি সব করব।
মা- সে আমি জানি বাবা তবুও তোমার বাবা আছে।
আমি- বাবা আছে থাকবে সাথে আমিও থাকবো তাইনা। তুমি কিন্তু মন মরা হয়ে থাকবেনা মা দাও এবার টাকা দাও আর রেডি হয়ে থাকবে ফিরে এসে বোনকে পাঠিয়ে দিয়ে আমরা মারকেটে যাবো কোন নড়চড় যেন না হয়।
বোন- এসে কি হল দাদা হল দেরী হয়ে যাচ্ছেনা আমরা আবার ফিরে যাবো।
আমি- হ্যা এইত আসছি ওমা তবে আমরা আসছি তুমি জামাইকে খেতে দাও বাবা এখনো ঘুমানো তাইনা।
মা- হ্যা ঠিক আছে যাও তাড়াতাড়ি ফিরে এস কেমন।
আমরা বের হতে ভগ্নীপতি আমার হাতে চাবি দিল আর বলল তেল ভরা আছে যান।
আমি- চাবি নিয়ে অন করে বসতেই বোন এসে পেছনে বসল আর বলল চল দাদা। আমি চালাতে শুরু করলাম।
বোন- এবার বল দাদা তখন কি বলছিলি যেন। এই বলে আমাকে জরিয়ে ধরল আর দুধ দুটো আমার পিঠে চেপে রইল। বোন বলল দাদা এই প্রথম তোর পেছনে তোর দেওয়া স্কুটিতে বসলাম। তাছাড়া মনার বাবার পছনে অনেক বসেছি এ বাড়িতে এলেই তো এই স্কুটিতে চেপেই আসি।
আমি- সে তো বুঝলাম মনার বাবাকে এইরকম জরিয়ে ধরিস তো না হলে পরে যাবি কিন্তু।
বোন- না না সে আর হল কই স্কুটি তো দিলি ৮ মাস মনা জন্মানোর পর তো ধরবো কি করে। ওকে কোলে নিয়ে বসতে হয়না। দাদা তুই একটা পেছন উচু বাইক নে আমি পেছনে বসে তোর সাথে ঘুরবো।