মা শুধু আমার - অধ্যায় ৩৮
আমি- হ্যা বাবা তাই মায়ের সাথে গল্প করছিলাম।
বাবা- হ্যা এবার মাকে সময় দাও আমি তো দিতে পারিনা, সব সময় ছেলে ছেলে করত এখন তো ছেলে পেয়েছে তাই না।
মা- আবার কি তোমার মতন কি যে মায়ের খেয়ালা রাখবেনা, আমার ছেলে আমার।
আমি- হ্যা আমার, “মা শুধুই আমার”।
বাবা- আমি বাচলাম তবে তুই তোর মাকে সামলাস কেমন আমাকে আমার মতন থাকতে দিস তবেই হবে, তোরা মা ছেলে যা করিস কর।
মা- হ্যা তুমি এবার ফিরি তাইনা কোন কাজ নেই তোমার ছেলেটা এত বছর বাইরে কাজ করে এল এখন আর কি করবে।
বাবা- সে তোমরা মা ছেলে প্লান করে নাও, আমার দ্বায়ীত্ব ছিল মেয়েকে বিয়ে দেওয়া সেটা আমি দিয়েছি, তবে আমি কি পারতাম ছেলে কামাই করে পাঠিয়েছে বলেই পেরেছি, সব ওর আমি আর কি করতে পাড়লাম সেজন্যি তো বললাম ওর মা এখন ওর। বোনের বিয়ে দিয়েছে, বাড়ি ঘর করেছে ব্যাংক ব্যালেন্স আছে তবে ওর মা হবেনা কি আমার হবে। ওর মাই তো ওকে বিদেশে পাঠিয়েছিল তাই না।
আমি- ঠিক আছে বাবা যাও হাত্মুখ ধুয়ে আসো আমরা সবাই এক সাথে খাবো।
রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ করে কিছুখন বসে মা আমার বিছানা করে দিল আর বাবা মা একঘরে শুতে গেল। আমি আমার ঘরে শুতে এলাম। আমি শুয়ে শুয়ে সারাদিনের কথা ভাবতে লাগলাম, প্রথম দিনেই বোনকে পেলাম উঃ সে কি সুখ তারপর মাকে যেভাবে আদর করেছি ভাবতেই পারছিনা, এইসব ভাবতে ভাবতে কখন ঘুম এসে গেছে মনে নেই ঘুমিয়ে গেলাম আমি।
মা- সকালে এসে আমাকে ডাকল এই বাবা ওঠ বেলা হয়ে গেছে, তোর বাবা বাজারে গেছে নে উঠে পর চা খাবি তো।
আমি- লুঙ্গি ঠিক করতে করতে বললাম ওরে বাবা এত বেলা হয়ে গেছে মা ৮ তা বাজে আগে ডাকোনি কেন। যতই লুঙ্গি চাপি না কেন মা যে আমার খাঁড়া লিঙ্গটা দেখে ফেলেছে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।
মা- নে উঠে পরে ব্রাশ করে নে আমি চা দিচ্ছি টেবিলে আয় বাবা।
আমি- আচ্ছা বলে উঠে গামছা নিয়ে সোজা বাথরুমে গেলাম পায়খানা বাথরুম করে ব্রাশ করে বের হলাম। চুল আচরে নিয়ে টেবিলে বসতে বাবাও চলে এল।
বাবা- নে তোর জন্য আজকে চুনা মাছ এনেছি। পুটি পাছ এনেছি করা করে ভাজা হবে কি তোর ভালো লাগবে তো। কই আমাকেও চা দাও বলে বাবা বসে পড়ল।
মা- হাতে করে তিন কাপ চা নিয়ে এল আর বিস্কুট সবাই মিলে চা খেলাম। মা এই পুটি মাছ এনেছ আমার কাটতে কত সময় লাগবে দেখেছিস বাবা তোর নাম করে পুটি মাছ নিয়ে এসেছে নিজের আর কি এখুনি চলে যাবে আর আমাকে সব করতে হবে।
বাবা- একটু হেঁসে দিয়ে তবে আজকে তোর মাকে একটু জব্ধ করতে পাড়লাম বুঝলি বাবা।
আমি- না মা আমি আছি তোমাকে সাহায্য করব মা। কাচি দিয়ে আমি সব কেটে দিচ্ছি তুমি শুধু পেট কাটবে মা।
মা- দ্যাখ তবে কাকে জব্ধ করলে যাও তোমার আসরে যাও আমরা মা ছেলে আছি বাড়িতে।
বাবা- হুম যাচ্ছি বলে উঠতে পরল।
আমি- বাবা তাড়াতাড়ি বাড়ি এস আমি আর মা একটু বের হব কালকে আবার বোনের বাড়ি যেতে হবে। তো।
বাবা- কে কি সের জন্য বের হবি।
আমি- আবার কি টাকা কম পাঠাইনি, মাকে তুমি কিছুই কিনে দাওনি, তাই আমি মাকে নিয়ে যাবো কিছু কিনে দেব।
বাবা- ওঁ তারমানে সব নালিশ তোর কাছে করা হয়ে গেছে তাইনা ঠিক আছে তুমি তোমার মাকে কিনে দেবে আমার আপত্তি কোথায়।
আমি- আর হ্যা আমাদের দোকানটা কবে ফাঁকা হবে আমি কিছু একটা ব্যবসা করব ওখনে।
বাবা- সে সমস্যা নেই আমি আগেই বলে রেখেছি তুমি আসলে দোকান ছারতে হবে সে বললেই ছেরে দেবে কারন ওর পাশেই ডকান কেনা হয়ে গেছে বোনের বাড়ি থেকে আসো তারপর বলে দোকান খালি অরে দেব। আচ্ছা আমি যাই ওর কাছে গিয়ে বলি তোর কথা।