মা শুধু আমার - অধ্যায় ৫৫
আমি- দাড়াও তুমি ওইজে বাইরে থেকে নিয়ে আসি আমি। বলে মাকে রেখে চলে গেলাম গিয়ে ৬ টা চপ স্টিক নিলাম সাথে চিকেন পকোড়া নিলাম। প্লাস্টিকে করে নিয়ে মায়ের কাছে এলাম আর বললাম ওমা তোমার চটি নেব না। বাড়ি গিয়ে সব পরে দেখাবে কিন্তু আমাকে। চটি সামনের থেকে নেবো চল উঠে পর বলে মাকে নিয়ে চলতে লাগ্লমা এবং একটা চইর দোকানের সামনে দাড়িয়ে একটা ভালো চামড়ার দামী শু নিলাম কারন কুর্তি লেজ্ঞিন্স পড়লে শু ভালো লাগবে।
মা- চলো অনেক হয়েছে এবার চলো যাই।
আমি- হুম উঠে পর বলে মাকে নিয়ে স্কুটিতে স্টার্ট দিলাম আর সোজা বড় রাস্তায় উঠলাম। মাকে বললাম ধর ভালো করে।
মা- যা যা কিনে দিয়েছ এসব নতুন বউরা পরে আমি তো বুরো হয়ে গেছি, আমি পড়লে ভালো লাগবে আমাকে।
আমি- মা একটা কথা বলব, একদম বাজে কথা বলবে না তুমি, কোথায় তুমি বুড়ি হয়ে গেছ, তোমার মতন কয়জন আছে এখনকার মেয়েরা, তুমি এ যুগের মেয়েদের থেকেও , অনেক বেশী সুন্দরী স্বাস্থবতী নারি, সে হতে পারো আমার মা কিন্তু তোমার জোউলুস একটুও কমেনি। কে কি ভাবল আমি জানিনা তবে আমার মা আমার খুব পছন্দ। তোমার জীবনে এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে, কেন অমন ভাবছ তুমি। তোমার শারীরিক গঠন এত সুন্দর আর তুমি বলছ যত সব বাজে কথা। এই পোশাক তুমি পড়লে তোমার বয়স অনেক কম লাগবে, যে লেজ্ঞিন্স কিনে দিয়েছি তুমি আর বোন পরে বের হলে সবাই বলবে দুই বোন বের হয়েছে, কারন তোমার মুখের সাথে বোনের অনেক মিল আছে, সবাই বলবে দুই বোন আর তুমি বলছ বুড়ি হয়ে গেছ। তুমি এইগুলো পরবে তোমার ফট তুলে দেখাবো তোমাকে বা আয়নায় দেখে নিও আমার মা কত সুন্দরী আর ইয়ে।
মা- ইয়ে মানে কি সে তো বললে না।
আমি- ইয়ে মানে বোঝনা।
মা- না বুঝিনা তুমি বল ইয়ে মানে কি এখনকার কথা আমরা বুঝি নাকি খুলে না বললে।
আমি- ইয়ে মানে কি বলব আসলে আমার মা অনেকবেশী হট, সেক্সি তাই বলছি।
মা- পাজি একটা মাকে বলে সেক্সি, তুমি না মুখে কিছু আটকায়না তোমার, লজ্জা করে এসব শুনলে আমার।
আমি- মা তুমি এক একটা পরে বাবাকে দেখাবে বাবা ফিদা হয়ে যাবে তোমাকে দেখে।
মা- আর যা বল ওকে দেখাতে বল্বেনা আমাকে, ওর কোন বোধ শোধ নেই, ওঁ কিছু বুঝবে না আর পারেবেও না।, ওর ভাষা জানা নেই আর কাজেও একদম অকেজ, কি বলব তুমি আমার ছেলে। তোমার সাথে বন্ধুর মতন মিশছি, কিন্তু মনের সব কথা বলতে পারিনা।
আমি- মা আমাকে বন্ধু ভাবো কেন বলতে পারবেনা, তোমার ছেলে তো এখন অনেক বড়, সব বলবে আমাকে, আমি তো তোমার ছেলে তাই না, বাবার বয়স হয়ে গেছে রোগে ভুগছে, তাই আমি তো আছি, যা বাবাকে দিয়ে হবেনা আমাকে বলবে আমি করে দেব সব কাজ তোমার।
মা- চেষ্টা তো করি বাবা তুমি বল গত দুইদিন ধরে কেমন মিশছি তোমার সাথে, যদিও বাড়ি ছিলে না সবে বাড়ি এলে তবুও, তোমাকে পেয়ে আমার মনের অনেক দুখ্র কথা তোমাকে বললাম। আমার মেয়েটার কপাল আমার মতন হবে, আমার জামাই ভালো কিন্তু সে মেয়েকেও সুখে রাখতে পারবেনা, একে গরীব, তারপর, বয়স কত কিন্তু এখনই কেমন হাপিয়ে যায় একটু কাজ করলে, জামাই শশুর একরকম হয়েছে, কোন দ্বায়ীত্ব নেই এদের। তোমার বোনের দ্বায়ীত্ব ওঁ তোমাকে নিতে হবে দেখে নিও। আমি না করেছিলাম ওর কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে তবুও দিল নিজের মতন পেয়েছ তো তাই। তোমাকেও আমি বলেছিলাম কিন্তু তুমিও বাবার সাথে একমত হয়ে ওর বিয়ে দিতে বললে। দেখছ তো ঘর গিয়ে কেউ বেরাতে পারবে তুমি বল।
আমি- মা আমরাও তো আগে ওইরকম ছিলাম ওদেরও হবে ভেব না আমি তো আছি সব করে দেব। আমি আছি মা আমার মা বোন এবং বাবা সবাই আমার আপন আমি ওদের জন্য করব না, ভগবান আমাকে ক্ষমতা দিয়েছ আমি করব, যার যা লাগে।
মা- তুমি কত কিছু করবে বাবা একা একা, মা বোন, বাবা সবাইকে দেখবে পারবে তো।
আমি- মা সাথ দিলে আমি সব পারবো মাকে সুখী করে তারপর অন্যদের পালা বুঝলে সবার আগে আমার মা।
মা- হুম খালি মাকে সুখী করবে তাই না নিজের কোন সুখ লাগবেনা।
আমি- আমার মা সুখী হলে আমিও সুখী হব, কারন মায়ের সুখেই আমার সুখ।
মা- এই সোনা অনেখন বেড়িয়ে আর কতখন লাগবে বাড়ি যেতে।
আমি- এইত মা সবে বড় রাস্তায় উঠলাম আস্তে আস্তে চালাচ্ছি তো যেতে আধ ঘন্টা লাগবে।
মা- না মানে আমার না টয়লেট পেয়েছে একটু তাড়াতাড়ি চলো, তলপেট ভারী হয়ে গেছে অনেকটা ঠান্ডা খেলাম না।
আমি- মা দাঁড়াবো রাস্তায় করে নিতে পারো একদম ফাঁকা কোন চিন্তা নেই। পাশে দাড়াই তুমি বসে পর।
মা- ইস লজ্জা করবে না রাস্তায় বসে করা যায় নাকি।
আমি- কেন কালকে তো বোন হিসু করল একটু সামনে দাঁড়িয়েছিলাম ওখানে। কেউ এখানে থাকেনা বুঝলে কোন সমস্যা হবেনা।
মা- নানা তুমি বাড়ি চলো, আমি পারবোনা, ভদ্র ঘরের বউ রাস্তায় এইভাবে হিসু করে নাকি। তুমি না বিদেশে ছিলে তো তাই, তুমি আমার ছেলে তোমার সাথে খোলামেলা কথা বলি বলে আমি রাস্তায় করতে পারবো না। না দরকার নেই যদিও খুব চাপ লেগেছে তবুও না আমার মন কেমন করে। কি বলছ তুমি কি করবো।
আমি- দাড়াই করে নাও দ্যাখ রাস্তা একদম ফাঁকা, দাঁড়ালাম।